বাংলাদেশ ০১:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo দুই দিনে ২৩ হাজার ৭৯১ টন কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করেছে ডিএসসিসি Logo ২০২৬ বিশ্বকাপ ঘিরে কানাডার মেগা প্রস্তুতি, স্লোগান ‘কানাডা ওয়েলকামস দ্য ওয়ার্ল্ড’ Logo ব্রিজ আছে, রাস্তা নাই, চার বছর ধরে অপেক্ষায় এলাকাবাসী  Logo নতুন পে স্কেলে গ্রেডভিত্তিক বেতনবৈষম্য কমানোর উদ্যোগ Logo জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী Logo বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন উদ্যোগের প্রশংসা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ সারজিস আলমের Logo ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে দেওয়া সর্বোচ্চ সম্মাননা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেবে পোল্যান্ড Logo রান্না করা গরুর মাংস উচ্চমানের পুষ্টিকর খাদ্য: মার্কিন গবেষণা Logo ইরানে গোপন হামলায় জড়িত ছিল আরব আমিরাত: মার্কিন প্রতিবেদন Logo ইসরায়েলকে স্বীকৃতি নয়, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ছাড়া অবস্থান পরিবর্তন নয়: পাকিস্তান

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে দেওয়া সর্বোচ্চ সম্মাননা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেবে পোল্যান্ড

পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট ক্যারল নাওরোচকি ঘোষণা করেছেন, তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে দেওয়া দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘অর্ডার অব দ্য হোয়াইট ঈগল’ প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেবেন।

শুক্রবার (২৯ মে) দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আনাদলু এজেন্সি।

প্রেসিডেন্ট নাওরোচকি বলেন, সম্প্রতি ইউক্রেন একটি সামরিক ইউনিটের নামকরণ করেছে ইউক্রেনীয় বিদ্রোহী সেনাবাহিনী (ইউপিএ)-এর বীরদের নামে, যা এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইউপিএ-এর সদস্যরা হাজার হাজার জাতিগত পোলিশ নাগরিক হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল বলে দাবি করে পোল্যান্ড। এই ঐতিহাসিক বিতর্ককে কেন্দ্র করেই দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এর আগে ২৬ মে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি একটি ডিক্রিতে দেশটির একটি বিশেষ সামরিক ইউনিটকে ‘হিরোজ অব দ্য ইউপিএ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেন। তিনি এটিকে ইউক্রেনের জাতীয় সামরিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। তবে এই সিদ্ধান্ত পোল্যান্ডে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

পোলিশ প্রেসিডেন্ট বলেন, এই পদক্ষেপ ভুক্তভোগীদের স্মৃতিকে আঘাত করে এবং পোল্যান্ড ও ইউক্রেনের মধ্যে প্রকৃত পুনর্মিলনের প্রচেষ্টার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

পোল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে জানিয়েছে, এটি ইউপিএ-এর শিকারদের স্মৃতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

ঐতিহাসিকভাবে ইউপিএ ইস্যু পোল্যান্ড ও ইউক্রেনের সম্পর্কের অন্যতম স্পর্শকাতর বিষয়। পোল্যান্ডের ইতিহাসবিদদের মতে, ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে ভলহিনিয়া ও পূর্ব গালিসিয়া অঞ্চলে ইউপিএ যোদ্ধারা প্রায় এক লাখ পোলিশ বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করে।

অন্যদিকে, ইউক্রেনের একটি অংশ ইউপিএ-কে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে স্বাধীনতার সংগ্রামী শক্তি হিসেবে বিবেচনা করে।

সূত্র: আনাদলু এজেন্সি

kalprakash.com/SS

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে দেওয়া সর্বোচ্চ সম্মাননা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেবে পোল্যান্ড
জনপ্রিয় সংবাদ

দুই দিনে ২৩ হাজার ৭৯১ টন কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করেছে ডিএসসিসি

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে দেওয়া সর্বোচ্চ সম্মাননা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেবে পোল্যান্ড

প্রকাশিত: ১১:৪৬:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট ক্যারল নাওরোচকি ঘোষণা করেছেন, তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে দেওয়া দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘অর্ডার অব দ্য হোয়াইট ঈগল’ প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেবেন।

শুক্রবার (২৯ মে) দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আনাদলু এজেন্সি।

প্রেসিডেন্ট নাওরোচকি বলেন, সম্প্রতি ইউক্রেন একটি সামরিক ইউনিটের নামকরণ করেছে ইউক্রেনীয় বিদ্রোহী সেনাবাহিনী (ইউপিএ)-এর বীরদের নামে, যা এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইউপিএ-এর সদস্যরা হাজার হাজার জাতিগত পোলিশ নাগরিক হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল বলে দাবি করে পোল্যান্ড। এই ঐতিহাসিক বিতর্ককে কেন্দ্র করেই দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এর আগে ২৬ মে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি একটি ডিক্রিতে দেশটির একটি বিশেষ সামরিক ইউনিটকে ‘হিরোজ অব দ্য ইউপিএ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেন। তিনি এটিকে ইউক্রেনের জাতীয় সামরিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। তবে এই সিদ্ধান্ত পোল্যান্ডে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

পোলিশ প্রেসিডেন্ট বলেন, এই পদক্ষেপ ভুক্তভোগীদের স্মৃতিকে আঘাত করে এবং পোল্যান্ড ও ইউক্রেনের মধ্যে প্রকৃত পুনর্মিলনের প্রচেষ্টার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

পোল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে জানিয়েছে, এটি ইউপিএ-এর শিকারদের স্মৃতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

ঐতিহাসিকভাবে ইউপিএ ইস্যু পোল্যান্ড ও ইউক্রেনের সম্পর্কের অন্যতম স্পর্শকাতর বিষয়। পোল্যান্ডের ইতিহাসবিদদের মতে, ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে ভলহিনিয়া ও পূর্ব গালিসিয়া অঞ্চলে ইউপিএ যোদ্ধারা প্রায় এক লাখ পোলিশ বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করে।

অন্যদিকে, ইউক্রেনের একটি অংশ ইউপিএ-কে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে স্বাধীনতার সংগ্রামী শক্তি হিসেবে বিবেচনা করে।

সূত্র: আনাদলু এজেন্সি

kalprakash.com/SS

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে দেওয়া সর্বোচ্চ সম্মাননা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেবে পোল্যান্ড