বাংলাদেশ ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo কুবির ছাত্র পরামর্শক দপ্তরে নতুন পরিচালক ড. মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিন Logo এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতসহ দুই দাবিতে রাবিতে বিক্ষোভ Logo ৬ কেজি গাঁজাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার Logo দরজার সামনে মিলল নবজাতক ছেলে শিশু, স্বজনদের খোঁজে পুলিশ Logo ‘ফার্মের মুরগী’ বিতর্কে আত্মপ্রকাশ করল ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’ Logo মঠবাড়িয়ার আবাসিক হোটেলে অভিযান, মাদকদ্রব্যসহ আটক ২ Logo যাত্রীসংকটে ১৬ জুলাই থেকে যশোর-ঢাকা রুটে ফ্লাইট বন্ধ করছে ইউএস-বাংলা Logo সুন্দরবনের বনদস্যু ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ জনের আত্মসমর্পণ Logo সাঁথিয়ায় সাংবাদিক আব্দুদ দাইন সরকারকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ Logo রুহিয়ায় চুরি হওয়া ষাঁড় গরু উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

রুটি-কলার প্রলোভনে শিশুকে ডেকে হত্যা, মরদেহ ফেলা হয় ময়লার ভাগাড়ে

সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় সাত বছরের শিশু রিফাতকে হত্যার ঘটনায় ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, রুটি ও কলা খাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে বাসায় ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ চালের ড্রামে ভরে গেন্ডারিয়ার একটি ময়লার ভাগাড়ে ফেলে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া পাশের ফ্ল্যাটের সাবেক বাসিন্দা মায়া আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এসব তথ্য পেয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্র জানায়, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি কদমতলীর খানকা শরীফ পুকুরপাড় এলাকায় খেলতে বের হয়েছিল শিশু রিফাত। দীর্ঘ সময় পার হলেও সে বাসায় না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে বিভিন্ন স্থানে মাইকিং ও অনুসন্ধান চালিয়েও তার সন্ধান না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তারা।

নিখোঁজের পরদিন রাতে গেন্ডারিয়ার লোহারপুল এলাকার একটি ময়লার ভাগাড় থেকে একটি চালভর্তি ড্রাম উদ্ধার করে পুলিশ। ড্রাম খুলে ভেতরে শিশুটির মরদেহ পাওয়া যায়।

তদন্তে মরদেহে মোড়ানো একটি পোশাক গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে সামনে আসে। সেই সূত্র ধরে পুলিশ জানতে পারে, কদমতলী এলাকার এক সাবেক ভাড়াটিয়ার মেয়ের কাছে একই ধরনের পোশাক ছিল।

পরে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ১৮ ফেব্রুয়ারি মায়া আক্তার একটি ড্রাম অটোরিকশায় তুলে বাসা থেকে বের হচ্ছেন। এরপর তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যার ঘটনা স্বীকার করেন বলে জানায় পুলিশ।

কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ আশরাফুজ্জামান বলেন, প্রায় পাঁচ মাস আগে রিফাতের পরিবার ও মায়া একই বাসায় ভাড়া থাকতেন। সে সময় একটি মোবাইল ফোন হারানোর ঘটনায় রিফাত ও তার পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ করতেন মায়া। সেই ক্ষোভ থেকেই শিশুটিকে বাসায় ডেকে নেওয়া হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শিশুটিকে চুরির কথা স্বীকার করতে চাপ দেওয়া হয়। রাজি না হওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ একটি চালের ড্রামে ভরে সারারাত ঘরে রাখা হয়। পরদিন সকালে সেটি গেন্ডারিয়ায় নিয়ে গিয়ে ফেলে দেওয়া হয়।

kalprakash.com/SS
ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

কুবির ছাত্র পরামর্শক দপ্তরে নতুন পরিচালক ড. মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিন

রুটি-কলার প্রলোভনে শিশুকে ডেকে হত্যা, মরদেহ ফেলা হয় ময়লার ভাগাড়ে

প্রকাশিত: ০৩:১২:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় সাত বছরের শিশু রিফাতকে হত্যার ঘটনায় ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, রুটি ও কলা খাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে বাসায় ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ চালের ড্রামে ভরে গেন্ডারিয়ার একটি ময়লার ভাগাড়ে ফেলে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া পাশের ফ্ল্যাটের সাবেক বাসিন্দা মায়া আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এসব তথ্য পেয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্র জানায়, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি কদমতলীর খানকা শরীফ পুকুরপাড় এলাকায় খেলতে বের হয়েছিল শিশু রিফাত। দীর্ঘ সময় পার হলেও সে বাসায় না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে বিভিন্ন স্থানে মাইকিং ও অনুসন্ধান চালিয়েও তার সন্ধান না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তারা।

নিখোঁজের পরদিন রাতে গেন্ডারিয়ার লোহারপুল এলাকার একটি ময়লার ভাগাড় থেকে একটি চালভর্তি ড্রাম উদ্ধার করে পুলিশ। ড্রাম খুলে ভেতরে শিশুটির মরদেহ পাওয়া যায়।

তদন্তে মরদেহে মোড়ানো একটি পোশাক গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে সামনে আসে। সেই সূত্র ধরে পুলিশ জানতে পারে, কদমতলী এলাকার এক সাবেক ভাড়াটিয়ার মেয়ের কাছে একই ধরনের পোশাক ছিল।

পরে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ১৮ ফেব্রুয়ারি মায়া আক্তার একটি ড্রাম অটোরিকশায় তুলে বাসা থেকে বের হচ্ছেন। এরপর তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যার ঘটনা স্বীকার করেন বলে জানায় পুলিশ।

কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ আশরাফুজ্জামান বলেন, প্রায় পাঁচ মাস আগে রিফাতের পরিবার ও মায়া একই বাসায় ভাড়া থাকতেন। সে সময় একটি মোবাইল ফোন হারানোর ঘটনায় রিফাত ও তার পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ করতেন মায়া। সেই ক্ষোভ থেকেই শিশুটিকে বাসায় ডেকে নেওয়া হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শিশুটিকে চুরির কথা স্বীকার করতে চাপ দেওয়া হয়। রাজি না হওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ একটি চালের ড্রামে ভরে সারারাত ঘরে রাখা হয়। পরদিন সকালে সেটি গেন্ডারিয়ায় নিয়ে গিয়ে ফেলে দেওয়া হয়।

kalprakash.com/SS