তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার পরিকল্পনা করছেন।
বুধবার ট্রাম্প বলেন, তিনি তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলবেন এবং তাইওয়ান ইস্যু নিয়ে কাজ করবেন। এই ঘোষণা ১৯৭৯ সালে ওয়াশিংটন বেইজিংকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকে অনুসৃত কূটনৈতিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করা হচ্ছে।
তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্রেসিডেন্ট লাই এমন কোনো আলোচনাকে স্বাগত জানাবেন।
চীন তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করে আসছে এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশিরভাগ দেশ ‘এক চীন’ নীতি অনুসরণ করে। এ অবস্থায় কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরাসরি তাইওয়ানের নেতার সঙ্গে কথা বলার বিষয়টি সংবেদনশীল হিসেবে দেখা হয়।
ট্রাম্প এর আগেও ২০১৬ সালে নির্বাচনের পর তৎকালীন তাইওয়ান নেতা সাই ইং-ওয়েনের সঙ্গে ফোনে কথা বলে কূটনৈতিক রীতিতে ব্যতিক্রম ঘটিয়েছিলেন, যা তখন বেইজিংয়ের তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়।
সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প প্রশাসন তাইওয়ানের জন্য বড় আকারে অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে বলে জানা গেছে, যা চীন বারবার নিন্দা করে আসছে। বেইজিং অভিযোগ করছে, এসব পদক্ষেপ বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিকে উৎসাহিত করছে।
অন্যদিকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ট্রাম্পকে সতর্ক করে বলেছেন, তাইওয়ান ইস্যু ভুলভাবে পরিচালনা করলে দুই দেশের সম্পর্ক মারাত্মক উত্তেজনায় পড়তে পারে এবং সংঘাতের ঝুঁকি বাড়বে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র–চীন সম্পর্ক ও তাইওয়ান ইস্যুকে ঘিরে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে।
kalprakash.com/SS
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
তাইওয়ান ইস্যুতে উত্তেজনা বাড়াচ্ছেন ট্রাম্প, প্রেসিডেন্ট লাইয়ের সঙ্গে কথা বলার ঘোষণা