বাংলাদেশ ০১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo নিখোঁজের ১৫ দিন পর বৃদ্ধার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার Logo সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে শার্শায় বিএনপি নেতার পদ স্থগিত Logo স্পিডবোট থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার Logo কেন্দ্রীয় সাইবার দলের সহ-প্রচার সম্পাদক হলেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান রিয়াদ Logo ধানকুনিয়া-লটাবাড়িয়া সড়কের বেহাল দশায় জনদুর্ভোগ Logo স্থলবন্দরে ১৪ জুন থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা Logo রিয়া খাতুন ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের জেরে ধর্ষকের বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ Logo ফুটপাত ও সড়ক অ‌বৈধ দখল, জনদু‌র্ভোগ চর‌মে Logo অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে নিয়ে অপপ্রচার: ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী Logo নিজ জেলায় মহানগর পুলিশে আর দায়িত্ব নয়, শতাধিক সদস্যের বদলির সিদ্ধান্ত

দেড় যুগ পরও কার্যকর হয়নি রায়, আলোচনায় সিরিয়াল কিলার রসু খাঁর বিচার প্রক্রিয়া

সিরিয়াল কিলার রসু খাঁ, সংগৃহীত ছবি।

১১ নারীকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার রসু খাঁ গ্রেপ্তারের প্রায় দেড় যুগ পরও তার চূড়ান্ত শাস্তি কার্যকর না হওয়ায় বিচার ব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

সম্প্রতি রাজধানীর পল্লবীতে ৭ বছরের শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের পর চাঞ্চল্যকর এ বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে। অভিযোগ উঠছে, তদন্ত, বিচার ও রায় কার্যকরের দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় বছরের পর বছর ঝুলে থাকছে ভয়াবহ অপরাধের মামলাগুলো।

রসু খাঁ ২০০৯ সালের ৭ অক্টোবর টঙ্গী থেকে একটি চুরির মামলায় গ্রেপ্তার হন। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ১১ জন নারীকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেন। তার বিরুদ্ধে মোট ১০টি মামলা হয়, যার মধ্যে ৯টি হত্যা মামলা।

২০০৭ সাল থেকে তিনি একের পর এক হত্যাকাণ্ড চালান বলে তদন্তে জানা যায়। বেশিরভাগ ভুক্তভোগী ছিলেন পোশাকশ্রমিক নারী, যাদের প্রেম ও বিয়ের প্রলোভনে ফাঁদে ফেলে হত্যা করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।

২০১৮ সালে চাঁদপুরের আদালত একটি হত্যা মামলায় রসু খাঁসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে আপিলের পর ২০২৪ সালের ৯ জুলাই হাইকোর্ট সেই মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে।

তবে উচ্চ আদালতের রায় বহাল থাকলেও এখনো তার দণ্ড কার্যকর হয়নি। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের কনডেম সেলে বন্দি আছেন।

জানা গেছে, অন্যান্য মামলার কার্যক্রমও ধীরগতিতে চলছে। দীর্ঘ সময় ধরে বিচার প্রক্রিয়া চলমান থাকায় ভুক্তভোগীদের পরিবার ও সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।

এ ঘটনায় আবারও প্রশ্ন উঠছে— এত ভয়াবহ অপরাধের পরও কেন বিচার কার্যকর হতে এত দীর্ঘ সময় লাগে, এবং বিচার প্রক্রিয়ার এই দীর্ঘসূত্রিতা কীভাবে কমানো সম্ভব।

kalprakash.com/SS 
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
দেড় যুগ পরও কার্যকর হয়নি রায়, আলোচনায় সিরিয়াল কিলার রসু খাঁর বিচার প্রক্রিয়া
জনপ্রিয় সংবাদ

নিখোঁজের ১৫ দিন পর বৃদ্ধার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

দেড় যুগ পরও কার্যকর হয়নি রায়, আলোচনায় সিরিয়াল কিলার রসু খাঁর বিচার প্রক্রিয়া

প্রকাশিত: ০২:৪৪:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

১১ নারীকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার রসু খাঁ গ্রেপ্তারের প্রায় দেড় যুগ পরও তার চূড়ান্ত শাস্তি কার্যকর না হওয়ায় বিচার ব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

সম্প্রতি রাজধানীর পল্লবীতে ৭ বছরের শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের পর চাঞ্চল্যকর এ বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে। অভিযোগ উঠছে, তদন্ত, বিচার ও রায় কার্যকরের দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় বছরের পর বছর ঝুলে থাকছে ভয়াবহ অপরাধের মামলাগুলো।

রসু খাঁ ২০০৯ সালের ৭ অক্টোবর টঙ্গী থেকে একটি চুরির মামলায় গ্রেপ্তার হন। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ১১ জন নারীকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেন। তার বিরুদ্ধে মোট ১০টি মামলা হয়, যার মধ্যে ৯টি হত্যা মামলা।

২০০৭ সাল থেকে তিনি একের পর এক হত্যাকাণ্ড চালান বলে তদন্তে জানা যায়। বেশিরভাগ ভুক্তভোগী ছিলেন পোশাকশ্রমিক নারী, যাদের প্রেম ও বিয়ের প্রলোভনে ফাঁদে ফেলে হত্যা করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।

২০১৮ সালে চাঁদপুরের আদালত একটি হত্যা মামলায় রসু খাঁসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে আপিলের পর ২০২৪ সালের ৯ জুলাই হাইকোর্ট সেই মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে।

তবে উচ্চ আদালতের রায় বহাল থাকলেও এখনো তার দণ্ড কার্যকর হয়নি। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের কনডেম সেলে বন্দি আছেন।

জানা গেছে, অন্যান্য মামলার কার্যক্রমও ধীরগতিতে চলছে। দীর্ঘ সময় ধরে বিচার প্রক্রিয়া চলমান থাকায় ভুক্তভোগীদের পরিবার ও সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।

এ ঘটনায় আবারও প্রশ্ন উঠছে— এত ভয়াবহ অপরাধের পরও কেন বিচার কার্যকর হতে এত দীর্ঘ সময় লাগে, এবং বিচার প্রক্রিয়ার এই দীর্ঘসূত্রিতা কীভাবে কমানো সম্ভব।

kalprakash.com/SS 
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
দেড় যুগ পরও কার্যকর হয়নি রায়, আলোচনায় সিরিয়াল কিলার রসু খাঁর বিচার প্রক্রিয়া