বাংলাদেশ ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo ভিদাল জানালেন আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচে কে জিতবে Logo বিশ্বকাপ জিতবে আর্জেন্টিনা, পেছনে রয়েছে যে কারণ Logo ‘মার্তিনেজের ১০ নোংরা কৌশল,’ ভয় পাচ্ছে ইংল্যান্ড Logo কুবিতে বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ১১৭ শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি প্রদান Logo সুন্দরগঞ্জে বন্যা মোকাবিলায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত Logo নবীনদের পদচারণায় মুখরিত বেরোবি ক্যাম্পাস Logo রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শুভ্রা রানী চন্দ আর নেই Logo নালিতাবাড়ীতে রথযাত্রা উপলক্ষে ধর্মীয় প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo অর্থের অভাবে চীনের মেডিকেলে ভর্তি অনিশ্চিত, সহযোগিতা চায় বাগাতিপাড়ার মেধাবী ফাতেমা Logo ছেলের শিক্ষার্থী আন্দোলনে অংশগ্রহণের জেরে বগুড়ায় বিএনপি নেতা বহিষ্কার

দেড় যুগ পরও কার্যকর হয়নি রায়, আলোচনায় সিরিয়াল কিলার রসু খাঁর বিচার প্রক্রিয়া

সিরিয়াল কিলার রসু খাঁ, সংগৃহীত ছবি।

১১ নারীকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার রসু খাঁ গ্রেপ্তারের প্রায় দেড় যুগ পরও তার চূড়ান্ত শাস্তি কার্যকর না হওয়ায় বিচার ব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

সম্প্রতি রাজধানীর পল্লবীতে ৭ বছরের শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের পর চাঞ্চল্যকর এ বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে। অভিযোগ উঠছে, তদন্ত, বিচার ও রায় কার্যকরের দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় বছরের পর বছর ঝুলে থাকছে ভয়াবহ অপরাধের মামলাগুলো।

রসু খাঁ ২০০৯ সালের ৭ অক্টোবর টঙ্গী থেকে একটি চুরির মামলায় গ্রেপ্তার হন। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ১১ জন নারীকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেন। তার বিরুদ্ধে মোট ১০টি মামলা হয়, যার মধ্যে ৯টি হত্যা মামলা।

২০০৭ সাল থেকে তিনি একের পর এক হত্যাকাণ্ড চালান বলে তদন্তে জানা যায়। বেশিরভাগ ভুক্তভোগী ছিলেন পোশাকশ্রমিক নারী, যাদের প্রেম ও বিয়ের প্রলোভনে ফাঁদে ফেলে হত্যা করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।

২০১৮ সালে চাঁদপুরের আদালত একটি হত্যা মামলায় রসু খাঁসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে আপিলের পর ২০২৪ সালের ৯ জুলাই হাইকোর্ট সেই মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে।

তবে উচ্চ আদালতের রায় বহাল থাকলেও এখনো তার দণ্ড কার্যকর হয়নি। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের কনডেম সেলে বন্দি আছেন।

জানা গেছে, অন্যান্য মামলার কার্যক্রমও ধীরগতিতে চলছে। দীর্ঘ সময় ধরে বিচার প্রক্রিয়া চলমান থাকায় ভুক্তভোগীদের পরিবার ও সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।

এ ঘটনায় আবারও প্রশ্ন উঠছে— এত ভয়াবহ অপরাধের পরও কেন বিচার কার্যকর হতে এত দীর্ঘ সময় লাগে, এবং বিচার প্রক্রিয়ার এই দীর্ঘসূত্রিতা কীভাবে কমানো সম্ভব।

kalprakash.com/SS 
জনপ্রিয় সংবাদ

ভিদাল জানালেন আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচে কে জিতবে

দেড় যুগ পরও কার্যকর হয়নি রায়, আলোচনায় সিরিয়াল কিলার রসু খাঁর বিচার প্রক্রিয়া

প্রকাশিত: ০২:৪৪:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

১১ নারীকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার রসু খাঁ গ্রেপ্তারের প্রায় দেড় যুগ পরও তার চূড়ান্ত শাস্তি কার্যকর না হওয়ায় বিচার ব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

সম্প্রতি রাজধানীর পল্লবীতে ৭ বছরের শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের পর চাঞ্চল্যকর এ বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে। অভিযোগ উঠছে, তদন্ত, বিচার ও রায় কার্যকরের দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় বছরের পর বছর ঝুলে থাকছে ভয়াবহ অপরাধের মামলাগুলো।

রসু খাঁ ২০০৯ সালের ৭ অক্টোবর টঙ্গী থেকে একটি চুরির মামলায় গ্রেপ্তার হন। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ১১ জন নারীকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেন। তার বিরুদ্ধে মোট ১০টি মামলা হয়, যার মধ্যে ৯টি হত্যা মামলা।

২০০৭ সাল থেকে তিনি একের পর এক হত্যাকাণ্ড চালান বলে তদন্তে জানা যায়। বেশিরভাগ ভুক্তভোগী ছিলেন পোশাকশ্রমিক নারী, যাদের প্রেম ও বিয়ের প্রলোভনে ফাঁদে ফেলে হত্যা করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।

২০১৮ সালে চাঁদপুরের আদালত একটি হত্যা মামলায় রসু খাঁসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে আপিলের পর ২০২৪ সালের ৯ জুলাই হাইকোর্ট সেই মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে।

তবে উচ্চ আদালতের রায় বহাল থাকলেও এখনো তার দণ্ড কার্যকর হয়নি। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের কনডেম সেলে বন্দি আছেন।

জানা গেছে, অন্যান্য মামলার কার্যক্রমও ধীরগতিতে চলছে। দীর্ঘ সময় ধরে বিচার প্রক্রিয়া চলমান থাকায় ভুক্তভোগীদের পরিবার ও সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।

এ ঘটনায় আবারও প্রশ্ন উঠছে— এত ভয়াবহ অপরাধের পরও কেন বিচার কার্যকর হতে এত দীর্ঘ সময় লাগে, এবং বিচার প্রক্রিয়ার এই দীর্ঘসূত্রিতা কীভাবে কমানো সম্ভব।

kalprakash.com/SS