বাংলাদেশ ১১:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

হামের প্রকোপ বাড়ায় সব হাসপাতালে জরুরি নির্দেশনা জারি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ায় সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালকে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

মঙ্গলবার (১৯ মে) হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহের পরিচালক ডা. আবু মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, হাম আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড বা কেবিন নির্ধারণ করা বাধ্যতামূলক। কোনো হাসপাতালে রোগী ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না, বরং দ্রুত ভর্তি করে চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।

এছাড়া আইসোলেশন ব্যবস্থা জোরদার, পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োজিত রাখা এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়মিতভাবে রোগী পরিদর্শন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতালে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে দর্শনার্থী প্রবেশেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। একজন রোগীর সঙ্গে সর্বোচ্চ একজন অভিভাবক থাকতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।

নতুন নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, প্রতিদিনের হাম রোগীর তথ্য নিয়মিতভাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস সার্ভারে আপলোড করতে হবে এবং জরুরি প্রয়োজনে নির্ধারিত হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ হওয়ায় দ্রুত শনাক্তকরণ, আইসোলেশন ও চিকিৎসা নিশ্চিত করাই এখন প্রধান অগ্রাধিকার।

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের প্রকোপ বাড়ায় সব হাসপাতালে জরুরি নির্দেশনা জারি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

প্রকাশিত: ০৪:১৮:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ায় সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালকে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

মঙ্গলবার (১৯ মে) হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহের পরিচালক ডা. আবু মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, হাম আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড বা কেবিন নির্ধারণ করা বাধ্যতামূলক। কোনো হাসপাতালে রোগী ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না, বরং দ্রুত ভর্তি করে চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।

এছাড়া আইসোলেশন ব্যবস্থা জোরদার, পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োজিত রাখা এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়মিতভাবে রোগী পরিদর্শন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতালে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে দর্শনার্থী প্রবেশেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। একজন রোগীর সঙ্গে সর্বোচ্চ একজন অভিভাবক থাকতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।

নতুন নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, প্রতিদিনের হাম রোগীর তথ্য নিয়মিতভাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস সার্ভারে আপলোড করতে হবে এবং জরুরি প্রয়োজনে নির্ধারিত হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ হওয়ায় দ্রুত শনাক্তকরণ, আইসোলেশন ও চিকিৎসা নিশ্চিত করাই এখন প্রধান অগ্রাধিকার।

kalprakash.com/SS