জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভাষণে তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, আইনের শাসন, জবাবদিহি, বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন। এ সময় বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বেশ কিছু বৈঠক করবেন তিনি। এ ছাড়া জাতিসংঘের মহাসচিবসহ কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের কথা রয়েছে।
বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলা, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও পারস্পরিক সহযোগিতার পাশাপাশি নিজেদের জাতীয় স্বার্থ ও কূটনৈতিক অবস্থান তুলে ধরতে চলছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন। অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ ও জলবায়ু ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারেও গুরুত্ব দিচ্ছে ঢাকা।
বিশ্ব রাজনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মঞ্চ নিউ ইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দপ্তর। ৮১তম সাধারণ অধিবেশন ঘিরে এখানে জড়ো হচ্ছেন বিশ্বের ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধি ও সরকারপ্রধানরা। যুদ্ধ, সংঘাত ও অস্থিরতার এই সময়ে শান্তি, নিরাপত্তা, উন্নয়ন ও বৈশ্বিক সহযোগিতার ভবিষ্যৎ নির্ধারণে চলছে বিশ্বনেতাদের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা।
এবার আন্তর্জাতিক এই মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২২ সেপ্টেম্বর তিনি জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের কার্যক্রমে অংশ নেবেন। ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ বিতর্কে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেবেন তিনি।
রোহিঙ্গা সংকট, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত এবং অভিবাসী শ্রমিকদের স্বার্থসহ বাংলাদেশের জন্য অগ্রাধিকারের নানা বিষয় এই আলোচনায় উঠে আসবে। বিশেষ করে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক চাপ ও সহযোগিতা বাড়ানোকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।
কূটনৈতিক ব্যস্ততার পাশাপাশি নিউ ইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে সরব রয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরাও। তাঁকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুতি চলছে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের। বিভিন্ন পর্যায়ে চলছে আলোচনা, সমন্বয় ও কর্মসূচি নির্ধারণ।
প্রবাসী বাংলাদেশিরা মনে করছেন, বহুপাক্ষিক এই মঞ্চে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ তুলে ধরার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ জোরদারের সুযোগ তৈরি হবে।
kalprakash.com/IM