পারস্য উপসাগরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাত ও উত্তেজনা নতুন মাত্রায় রূপ নিয়েছে। সম্প্রতি ইরানের পাঁচটি তেলবাহী ট্যাংকারে মার্কিন হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে দুটি মার্কিন রণতরি, আটটি বাণিজ্যিক ট্যাংকার এবং আরও ১০টি জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করার দাবি করেছে দেশটির ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী।
আইআরজিসি নৌবাহিনীর বরাতে ইরানের মেহের নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানি ট্যাংকারগুলোর ওপর ওয়াশিংটনের আগ্রাসন ও তৎপরতার বিরুদ্ধে এ অভিযান চালানো হয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, অভিযানে দুটি মার্কিন সামরিক জাহাজ ও আটটি ট্যাংকার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে।
এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, মার্কিন সামরিক বাহিনীর পৃষ্ঠপোষকতা ও সমর্থনে যেসব জাহাজ হরমুজ প্রণালির ঝুঁকিপূর্ণ ও নিষিদ্ধ জলসীমা দিয়ে চলাচলের চেষ্টা করছিল, সেগুলোর মধ্য থেকে আরও ১০টি জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, কৌশলগত হরমুজ প্রণালি বর্তমানে ইরানি বাহিনীর কঠোর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ জলসীমায় যেকোনো ধরনের অননুমোদিত চলাচল ও সামরিক তৎপরতার ওপর আগামী দিনেও কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
তবে আইআরজিসির এসব দাবির সত্যতা ও ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট মাত্রা সম্পর্কে নিরপেক্ষ কোনো আন্তর্জাতিক সূত্র থেকে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে লক্ষ্যবস্তু হওয়া জাহাজগুলোর প্রকৃত অবস্থা ও সার্বিক ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের অপেক্ষা রয়েছে।
kalprakash.com/IM