জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) লোক প্রশাসন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এপিএ)’ গঠন করা হয়েছে। বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, পেশাগত সহযোগিতা এবং বিভাগের একাডেমিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে অ্যালামনাইদের সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে এই সংগঠন প্রতিষ্ঠা করা হয়।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) লোক প্রশাসন বিভাগের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে সংগঠনটির প্রাথমিক কমিটি গঠন করা হয়। এতে ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের সাজ্জাদুল ইসলাম মোল্লাকে সভাপতি এবং ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের মো. মুহিব্বুল্লাহকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।
প্রাথমিক কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন— ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের মোহাম্মদ আলী এবং ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের মো. মাহিদুল ইসলাম (সহ-সভাপতি), ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের মো. সালমান সোহেল (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের মাহবুবুল আলম হাদী (সাংগঠনিক সম্পাদক) এবং ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের আবু সুফিয়ান (কোষাধ্যক্ষ)।
এ ছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন— ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শাকিলা আক্তার, ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের আজহারুল ইসলাম, ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের মো. জসীম উদ্দিন, ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের আব্দুল জলিল ও মো. মেহেদী হাসান, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের মাইকুল ইসলাম জিহাদ, মো. আব্দুর রহমান আরাফাত, মো. ইয়ামিন ও মো. আরিফুর রহমান এবং ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ইউছুব ওসমান ও মো. মেহেদী হাসান।
নবনির্বাচিত সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম মোল্লা বলেন, লোক প্রশাসন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করাই অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরি এবং বিভাগের উন্নয়নে অ্যালামনাইদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা কাজে লাগানো হবে।
সাধারণ সম্পাদক মো. মুহিব্বুল্লাহ বলেন, সংগঠনটি সাবেক শিক্ষার্থীদের জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। বিভিন্ন ব্যাচের অ্যালামনাইদের একত্রিত করার পাশাপাশি বর্তমান শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার পরিকল্পনা, উচ্চশিক্ষা এবং পেশাগত উন্নয়নে সহযোগিতা দেওয়া হবে।
লোক প্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নঈম আকতার সিদ্দিক বলেন, সাবেক শিক্ষার্থীদের নিয়ে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের উদ্যোগ অত্যন্ত ইতিবাচক। এর মাধ্যমে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। পাশাপাশি বিভাগের একাডেমিক কার্যক্রম, গবেষণা ও সামগ্রিক উন্নয়নে অ্যালামনাইদের অংশগ্রহণ বাড়বে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, সংগঠনের মাধ্যমে সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ, পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময়, বর্তমান শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার পরামর্শ, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতাসহ বিভিন্ন একাডেমিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
এদিকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।