বাংলাদেশ ০৬:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ

প্রায় পাঁচ বছর পর মোংলা বন্দর কর্মচারী সংঘের নির্বাচনের উদ্যোগ

দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছর ধরে নির্বাচন না হওয়ায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের (রেজি নং-১৯৫৭) কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এ অচলাবস্থা নিরসনে অবশেষে নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছেন সংগঠনটির সাধারণ সদস্যরা। এ লক্ষ্যে তিন সদস্যের একটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

সোমবার বিকেলে মোংলা বন্দর সিবিএ ভবন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত বিশেষ তলবি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভার কার্যবিবরণী অনুযায়ী, প্রায় ৫৬০ জন সদস্য এতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ঢাকা, খুলনা ও হিরণ পয়েন্টসহ বিভিন্ন ইউনিটের কর্মচারীরা ভার্চ্যুয়ালি সভায় যুক্ত হন।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মোংলা পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. জুলফিকার আলীকে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ডেপুটি ট্রাফিক ম্যানেজার মো. সোহাগকে সদস্যসচিব এবং ঊর্ধ্বতন হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা (আয়) মো. নিয়ামুর রহমানকে সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়।

নবগঠিত নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান মো. জুলফিকার আলী বলেন, সবার অংশগ্রহণে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনই আমাদের লক্ষ্য। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত নেতৃত্ব কর্মচারীদের অধিকার ও কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখার পাশাপাশি মোংলা বন্দরের উন্নয়নেও ইতিবাচক অবদান রাখবে। নির্বাচন পরিচালনা কমিটি সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে।

সভায় বক্তারা বলেন, ২০২১ সালে নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও বিভিন্ন মামলা, আদালতের আদেশ ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে নতুন নির্বাচন আর অনুষ্ঠিত হয়নি। এর ফলে কর্মচারী সংঘের কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে রয়েছে। তাদের অভিযোগ, এ পরিস্থিতিতে সাধারণ সদস্যরা সাংগঠনিক অধিকার প্রয়োগ এবং বিভিন্ন সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

বক্তারা আরও বলেন, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর হিসেবে মোংলা বন্দরের কার্যক্রম সচল ও নির্বিঘ্ন রাখতে একটি কার্যকর ও প্রতিনিধিত্বশীল কর্মচারী সংঘ অত্যন্ত প্রয়োজন। তাই গঠনতন্ত্র ও প্রচলিত আইন অনুসরণ করে দ্রুত নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা এবং অংশগ্রহণমূলক, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানান তারা।

kalprakash.com/IM

জনপ্রিয় সংবাদ

মঠবাড়িয়ার আবাসিক হোটেলে অভিযান, মাদকদ্রব্যসহ আটক ২

প্রায় পাঁচ বছর পর মোংলা বন্দর কর্মচারী সংঘের নির্বাচনের উদ্যোগ

প্রকাশিত: ১১:১৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছর ধরে নির্বাচন না হওয়ায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের (রেজি নং-১৯৫৭) কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এ অচলাবস্থা নিরসনে অবশেষে নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছেন সংগঠনটির সাধারণ সদস্যরা। এ লক্ষ্যে তিন সদস্যের একটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

সোমবার বিকেলে মোংলা বন্দর সিবিএ ভবন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত বিশেষ তলবি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভার কার্যবিবরণী অনুযায়ী, প্রায় ৫৬০ জন সদস্য এতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ঢাকা, খুলনা ও হিরণ পয়েন্টসহ বিভিন্ন ইউনিটের কর্মচারীরা ভার্চ্যুয়ালি সভায় যুক্ত হন।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মোংলা পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. জুলফিকার আলীকে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ডেপুটি ট্রাফিক ম্যানেজার মো. সোহাগকে সদস্যসচিব এবং ঊর্ধ্বতন হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা (আয়) মো. নিয়ামুর রহমানকে সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়।

নবগঠিত নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান মো. জুলফিকার আলী বলেন, সবার অংশগ্রহণে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনই আমাদের লক্ষ্য। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত নেতৃত্ব কর্মচারীদের অধিকার ও কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখার পাশাপাশি মোংলা বন্দরের উন্নয়নেও ইতিবাচক অবদান রাখবে। নির্বাচন পরিচালনা কমিটি সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে।

সভায় বক্তারা বলেন, ২০২১ সালে নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও বিভিন্ন মামলা, আদালতের আদেশ ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে নতুন নির্বাচন আর অনুষ্ঠিত হয়নি। এর ফলে কর্মচারী সংঘের কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে রয়েছে। তাদের অভিযোগ, এ পরিস্থিতিতে সাধারণ সদস্যরা সাংগঠনিক অধিকার প্রয়োগ এবং বিভিন্ন সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

বক্তারা আরও বলেন, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর হিসেবে মোংলা বন্দরের কার্যক্রম সচল ও নির্বিঘ্ন রাখতে একটি কার্যকর ও প্রতিনিধিত্বশীল কর্মচারী সংঘ অত্যন্ত প্রয়োজন। তাই গঠনতন্ত্র ও প্রচলিত আইন অনুসরণ করে দ্রুত নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা এবং অংশগ্রহণমূলক, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানান তারা।

kalprakash.com/IM