বিশ্বকাপ নকআউট পর্বে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে জমে উঠেছে ‘গোল্ডেন বুট’ জয়ের লড়াই। সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় এখন শীর্ষে আছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি ও ফ্রান্সের তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। দুজনেরই গোলসংখ্যা ৬ হলেও অ্যাসিস্টে এগিয়ে থাকায় ফিফার নিয়ম অনুযায়ী এমবাপ্পে অবস্থান করছেন শীর্ষে।
নকআউট পর্বে সুইডেনের বিপক্ষে জোড়া গোল করে মেসির সমান ছয় গোল পূর্ণ করেন এমবাপ্পে। চার ম্যাচ শেষে তার ঝুলিতে রয়েছে দুটি অ্যাসিস্টও। অন্যদিকে মেসির অ্যাসিস্ট না থাকায় গোল সমান হলেও তালিকায় তিনি দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন।
এবারের আসরে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে সবচেয়ে বেশি আলো ছড়িয়েছেন মেসি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিকের পর অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করেন তিনি। জর্ডানের বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমেও গোল করে নিজের গোলসংখ্যা আরও সমৃদ্ধ করেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে পিছিয়ে নেই ইউরোপের আরও কয়েকজন তারকা। নরওয়ের এরলিং হাল্যান্ড ও ব্রাজিলের ভিনিসিয়াস জুনিয়র চার গোল করে শীর্ষদের পিছু নিয়েছেন। ফ্রান্সের উসমান দেম্বেলে হ্যাটট্রিক করে নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইনও গুরুত্বপূর্ণ গোল করে প্রতিযোগিতায় টিকে আছেন।
বর্তমান ফিফা নিয়ম অনুযায়ী, টুর্নামেন্ট শেষে সর্বোচ্চ গোলদাতা জিতবেন ‘গোল্ডেন বুট’। একাধিক খেলোয়াড়ের গোল সমান হলে প্রথমে বিবেচনা করা হবে অ্যাসিস্ট। সেখানেও সমতা থাকলে কম সময় মাঠে থেকে গোল ও অ্যাসিস্টের কৃতিত্ব অর্জনকারী খেলোয়াড় বিজয়ী হবেন।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে আট গোল করে গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এবারও সেই সাফল্য ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়ে খেলছেন তিনি। একই সঙ্গে দ্বিতীয়বারের মতো এই পুরস্কার জয়ের স্বপ্ন দেখছেন ২০১৮ সালের গোল্ডেন বুটজয়ী হ্যারি কেইন এবং ২০১৪ সালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হামেস রদ্রিগেস। তবে বিশ্বকাপ ইতিহাসে এখনো কোনো ফুটবলার একাধিকবার গোল্ডেন বুট জিততে পারেননি।
বর্তমান সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকা
- ৬ গোল: লিওনেল মেসি
- ৬ গোল (২ অ্যাসিস্ট): কিলিয়ান এমবাপ্পে
- ৪ গোল (১ অ্যাসিস্ট): উসমান দেম্বেলে
- ৪ গোল (১ অ্যাসিস্ট): ভিনিসিয়াস জুনিয়র
- ৪ গোল: এরলিং হাল্যান্ড
বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বাধিক গোল
- লিওনেল মেসি – ১৯
- কিলিয়ান এমবাপ্পে – ১৮
- মিরোস্লাভ ক্লোসে – ১৬
- রোনালদো – ১৫
- গের্ড ম্যুলার – ১৪
অনলাইন ডেস্ক 

















