বাংলাদেশ ০৪:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

৩০০ গ্রাম হেরোইনের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

বেনাপোলে ৩০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধারের মামলায় জামাল হোসেন নামে এক মাদক কারবারিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (৪র্থ) আদালতের বিচারক শাহিনুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত জামাল হোসেন বেনাপোল পোর্ট থানার স্বরবাংহুদা গ্রামের জামাত আলী মোড়লের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৮ মার্চ শার্শা উপজেলার বাঁগআচড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পশ্চিমকোটা গ্রামের কালীবাড়ি মোড়ে অবস্থান নেয়। এ সময় সন্দেহজনকভাবে জামাল হোসেনকে আটক করে তার দেহ তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিতে তিনটি পলিথিনের প্যাকেটে রাখা ৩০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বাঁগআচড়া তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন এসআই শরীফ হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে শার্শা থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা শার্শা থানার এসআই মুরাদ হোসেন জামাল হোসেনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

বর্তমানে সাজাপ্রাপ্ত জামাল হোসেন কারাগারে রয়েছেন।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
৩০০ গ্রাম হেরোইনের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
জনপ্রিয় সংবাদ

৩০০ গ্রাম হেরোইনের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশিত: ১১:৪৯:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

বেনাপোলে ৩০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধারের মামলায় জামাল হোসেন নামে এক মাদক কারবারিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (৪র্থ) আদালতের বিচারক শাহিনুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত জামাল হোসেন বেনাপোল পোর্ট থানার স্বরবাংহুদা গ্রামের জামাত আলী মোড়লের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৮ মার্চ শার্শা উপজেলার বাঁগআচড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পশ্চিমকোটা গ্রামের কালীবাড়ি মোড়ে অবস্থান নেয়। এ সময় সন্দেহজনকভাবে জামাল হোসেনকে আটক করে তার দেহ তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিতে তিনটি পলিথিনের প্যাকেটে রাখা ৩০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বাঁগআচড়া তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন এসআই শরীফ হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে শার্শা থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা শার্শা থানার এসআই মুরাদ হোসেন জামাল হোসেনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

বর্তমানে সাজাপ্রাপ্ত জামাল হোসেন কারাগারে রয়েছেন।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
৩০০ গ্রাম হেরোইনের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড