রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগকে কেন্দ্র করে কর্মকর্তাদের একটি অংশের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের একটি গ্রুপে ফিঙ্গারপ্রিন্ট হাজিরা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বার্তা দেওয়ার ঘটনায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
গত বুধবার (২৫ জুন) বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের একটি গ্রুপে ওই বার্তাটি পাঠানো হয়। সেখানে ফিঙ্গারপ্রিন্ট উপস্থিতি ব্যবস্থার বিষয়ে সবাইকে একই অবস্থানে থাকার আহ্বান জানান কর্মকর্তা ড. মো. রোকনুজ্জামান।
বার্তায় তিনি লেখেন, “ফিঙ্গারপ্রিন্টে কেউ দেবে, কেউ দেবে না—এটা হতে পারে না। দিলে সবাইকে দিতে হবে, না হলে কেউই দেবে না। পদোন্নতি সবার অধিকার, নিয়মিত পদোন্নতি বোর্ড করতে হবে। রেজিস্ট্রার/সমমান পদে ইউজিসির নির্দেশনা অনুযায়ী অফিসারদের মধ্য থেকে ফুলটাইম দায়িত্ব দিতে হবে।”
এছাড়া কর্মকর্তাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে আলোচনার জন্য বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) বিকেল ৩টায় একটি সভায় উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়।
সূত্র জানায়, প্রথমে পাঠানো বার্তায় এটিকে অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভা হিসেবে উল্লেখ করা হলেও পরে সেই বার্তাটি মুছে ফেলা হয়। পরবর্তীতে সংগঠনের নাম ও ‘সাধারণ সভা’ শব্দটি বাদ দিয়ে সংশোধিত বার্তা পুনরায় গ্রুপে পাঠানো হয়।
এদিকে অফিস চলাকালে সভা আহ্বান এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট উপস্থিতি ব্যবস্থা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও আলোচনা চলছে।
এ বিষয়ে ড. মো. রোকনুজ্জামানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্থাপন শাখার অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ড. জিয়াউর হক বলেন, “আমরা কর্মকর্তারা আজকে বসবো। অনেকে পদোন্নতি পাচ্ছেন না, পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।”
বেরোবি প্রতিনিধি 



















