বাংলাদেশ ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo কুবির ছাত্র পরামর্শক দপ্তরে নতুন পরিচালক ড. মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিন Logo এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতসহ দুই দাবিতে রাবিতে বিক্ষোভ Logo ৬ কেজি গাঁজাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার Logo দরজার সামনে মিলল নবজাতক ছেলে শিশু, স্বজনদের খোঁজে পুলিশ Logo ‘ফার্মের মুরগী’ বিতর্কে আত্মপ্রকাশ করল ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’ Logo মঠবাড়িয়ার আবাসিক হোটেলে অভিযান, মাদকদ্রব্যসহ আটক ২ Logo যাত্রীসংকটে ১৬ জুলাই থেকে যশোর-ঢাকা রুটে ফ্লাইট বন্ধ করছে ইউএস-বাংলা Logo সুন্দরবনের বনদস্যু ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ জনের আত্মসমর্পণ Logo সাঁথিয়ায় সাংবাদিক আব্দুদ দাইন সরকারকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ Logo রুহিয়ায় চুরি হওয়া ষাঁড় গরু উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

যুক্তরাষ্ট্রে কাগজ কারখানায় রাসায়নিক দুর্ঘটনায় নিহত ৮, নিখোঁজ ৩

  • কাল প্রকাশ
  • প্রকাশিত: ০১:৫২:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
  • 31

সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের লংভিউ শহরে একটি কাগজ উৎপাদন কারখানায় ভয়াবহ রাসায়নিক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে আটজনে দাঁড়িয়েছে। এখনও তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার কারখানাটিতে বিপুল পরিমাণ ক্ষারীয় ও বিষাক্ত রাসায়নিক সংরক্ষিত একটি বড় ট্যাংক বিস্ফোরিত হয়ে ধসে পড়ে। এতে মুহূর্তের মধ্যে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং শুরু হয় ব্যাপক উদ্ধার অভিযান।

লংভিউ ফায়ার বিভাগের প্রধান ব্র্যাড হ্যানিগ জানান, মোট নয়জনের মধ্যে ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে আরও দুইজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে আটজনে।

তিনি বলেন, নিখোঁজ তিনজনেরও জীবিত থাকার সম্ভাবনা খুবই কম বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে এবং নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ অব্যাহত রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জাপানের নিপ্পন পেপার গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান নিপ্পন ডাইনাওয়েভ প্যাকেজিং কোম্পানির কারখানায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। ভোরের শিফট পরিবর্তনের সময় প্রায় ৯ লাখ গ্যালন ধারণক্ষমতার একটি ট্যাংক, যেখানে ‘হোয়াইট লিকার’ নামের শক্তিশালী ক্ষারীয় রাসায়নিক দ্রবণ ছিল, হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়।

হোয়াইট লিকার হলো সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও সোডিয়াম সালফাইডের মিশ্রণে তৈরি একটি অত্যন্ত ক্ষারীয় রাসায়নিক, যা কাগজ উৎপাদনের কাঁচামাল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর আশপাশের এলাকায় বাতাস ও পানিতে কোনো ক্ষতিকর রাসায়নিক দূষণ শনাক্ত হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।

লংভিউ সিটির জনকল্যাণ বিভাগের পরিচালক ক্রিস কলিন্স বলেন, শহরের পানির মান সম্পূর্ণ নিরাপদ। একই তথ্য নিশ্চিত করে মার্কিন পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থার কর্মকর্তা ব্রুকস স্ট্যানফিল্ড জানান, পর্যবেক্ষণে কোনো বিপজ্জনক গ্যাস বা দূষণকারী পদার্থ পাওয়া যায়নি।

কোম্পানিটি জানিয়েছে, তারা বছরে বিপুল পরিমাণ একক-ব্যবহারযোগ্য কন্টেইনার উৎপাদন করে এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তাদের পণ্য সরবরাহ করা হয়।

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

কুবির ছাত্র পরামর্শক দপ্তরে নতুন পরিচালক ড. মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিন

যুক্তরাষ্ট্রে কাগজ কারখানায় রাসায়নিক দুর্ঘটনায় নিহত ৮, নিখোঁজ ৩

প্রকাশিত: ০১:৫২:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের লংভিউ শহরে একটি কাগজ উৎপাদন কারখানায় ভয়াবহ রাসায়নিক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে আটজনে দাঁড়িয়েছে। এখনও তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার কারখানাটিতে বিপুল পরিমাণ ক্ষারীয় ও বিষাক্ত রাসায়নিক সংরক্ষিত একটি বড় ট্যাংক বিস্ফোরিত হয়ে ধসে পড়ে। এতে মুহূর্তের মধ্যে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং শুরু হয় ব্যাপক উদ্ধার অভিযান।

লংভিউ ফায়ার বিভাগের প্রধান ব্র্যাড হ্যানিগ জানান, মোট নয়জনের মধ্যে ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে আরও দুইজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে আটজনে।

তিনি বলেন, নিখোঁজ তিনজনেরও জীবিত থাকার সম্ভাবনা খুবই কম বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে এবং নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ অব্যাহত রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জাপানের নিপ্পন পেপার গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান নিপ্পন ডাইনাওয়েভ প্যাকেজিং কোম্পানির কারখানায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। ভোরের শিফট পরিবর্তনের সময় প্রায় ৯ লাখ গ্যালন ধারণক্ষমতার একটি ট্যাংক, যেখানে ‘হোয়াইট লিকার’ নামের শক্তিশালী ক্ষারীয় রাসায়নিক দ্রবণ ছিল, হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়।

হোয়াইট লিকার হলো সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও সোডিয়াম সালফাইডের মিশ্রণে তৈরি একটি অত্যন্ত ক্ষারীয় রাসায়নিক, যা কাগজ উৎপাদনের কাঁচামাল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর আশপাশের এলাকায় বাতাস ও পানিতে কোনো ক্ষতিকর রাসায়নিক দূষণ শনাক্ত হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।

লংভিউ সিটির জনকল্যাণ বিভাগের পরিচালক ক্রিস কলিন্স বলেন, শহরের পানির মান সম্পূর্ণ নিরাপদ। একই তথ্য নিশ্চিত করে মার্কিন পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থার কর্মকর্তা ব্রুকস স্ট্যানফিল্ড জানান, পর্যবেক্ষণে কোনো বিপজ্জনক গ্যাস বা দূষণকারী পদার্থ পাওয়া যায়নি।

কোম্পানিটি জানিয়েছে, তারা বছরে বিপুল পরিমাণ একক-ব্যবহারযোগ্য কন্টেইনার উৎপাদন করে এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তাদের পণ্য সরবরাহ করা হয়।

kalprakash.com/SS