বাংলাদেশ ০১:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo জবি ক্যাম্পাসের সামনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের প্রকাশ্য কর্মসূচি Logo নিখোঁজের ১৫ দিন পর বৃদ্ধার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার Logo সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে শার্শায় বিএনপি নেতার পদ স্থগিত Logo স্পিডবোট থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার Logo কেন্দ্রীয় সাইবার দলের সহ-প্রচার সম্পাদক হলেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান রিয়াদ Logo ধানকুনিয়া-লটাবাড়িয়া সড়কের বেহাল দশায় জনদুর্ভোগ Logo স্থলবন্দরে ১৪ জুন থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা Logo রিয়া খাতুন ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের জেরে ধর্ষকের বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ Logo ফুটপাত ও সড়ক অ‌বৈধ দখল, জনদু‌র্ভোগ চর‌মে Logo অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে নিয়ে অপপ্রচার: ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী

চীনের কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ৯০

উত্তর চীনের শানসি প্রদেশের একটি কয়লাখনিতে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে অন্তত ৯০ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে লিউশেনইউ কয়লাখনিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ২৯ মিনিটে টংঝৌ গ্রুপ পরিচালিত খনিটিতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার সময় সেখানে ২৪৭ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন।

বিস্ফোরণের পরপরই শত শত উদ্ধারকর্মী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ফুটেজে আহতদের স্ট্রেচারে করে হাসপাতালে নেওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে। এখন পর্যন্ত শতাধিক আহত শ্রমিককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চীনের জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযানে ছয়টি দলের ৩৪৫ সদস্য অংশ নিয়েছেন। এখনও উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আহতদের চিকিৎসা এবং আটকে পড়াদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, খনিটির দায়িত্বে থাকা কয়েকজন কর্মকর্তাকে ইতোমধ্যে আটক করা হয়েছে। তবে বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো প্রকাশ করা হয়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খনির ভেতরে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় এ বিস্ফোরণ ঘটে।

শানসি প্রদেশকে চীনের কয়লা উৎপাদনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে ধরা হয়। অতীতে দেশটির কয়লাখনিগুলোতে প্রায়ই বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলেও পরবর্তীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। তবুও মাঝেমধ্যে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটছে।

এর আগে ২০২৩ সালে ইনার মঙ্গোলিয়ার একটি কয়লাখনি ধসে ৫৩ জন নিহত হন। আর ২০০৯ সালে হেইলুংচিয়াং প্রদেশের একটি খনিতে বিস্ফোরণে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় কয়লা ব্যবহারকারী দেশ চীন একই সঙ্গে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণেও শীর্ষে রয়েছে। যদিও দেশটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে দ্রুত বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে।

kalprakash.com/SS

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
চীনের কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ৯০
ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

জবি ক্যাম্পাসের সামনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের প্রকাশ্য কর্মসূচি

চীনের কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ৯০

প্রকাশিত: ০৩:২৫:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

উত্তর চীনের শানসি প্রদেশের একটি কয়লাখনিতে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে অন্তত ৯০ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে লিউশেনইউ কয়লাখনিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ২৯ মিনিটে টংঝৌ গ্রুপ পরিচালিত খনিটিতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার সময় সেখানে ২৪৭ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন।

বিস্ফোরণের পরপরই শত শত উদ্ধারকর্মী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ফুটেজে আহতদের স্ট্রেচারে করে হাসপাতালে নেওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে। এখন পর্যন্ত শতাধিক আহত শ্রমিককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চীনের জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযানে ছয়টি দলের ৩৪৫ সদস্য অংশ নিয়েছেন। এখনও উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আহতদের চিকিৎসা এবং আটকে পড়াদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, খনিটির দায়িত্বে থাকা কয়েকজন কর্মকর্তাকে ইতোমধ্যে আটক করা হয়েছে। তবে বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো প্রকাশ করা হয়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খনির ভেতরে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় এ বিস্ফোরণ ঘটে।

শানসি প্রদেশকে চীনের কয়লা উৎপাদনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে ধরা হয়। অতীতে দেশটির কয়লাখনিগুলোতে প্রায়ই বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলেও পরবর্তীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। তবুও মাঝেমধ্যে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটছে।

এর আগে ২০২৩ সালে ইনার মঙ্গোলিয়ার একটি কয়লাখনি ধসে ৫৩ জন নিহত হন। আর ২০০৯ সালে হেইলুংচিয়াং প্রদেশের একটি খনিতে বিস্ফোরণে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় কয়লা ব্যবহারকারী দেশ চীন একই সঙ্গে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণেও শীর্ষে রয়েছে। যদিও দেশটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে দ্রুত বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে।

kalprakash.com/SS

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
চীনের কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ৯০