বাংলাদেশ ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

ইরান যুদ্ধের প্রস্তুতিতে তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রি স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শি জিনপিং, সংগৃহীত ছবি।

ইরান যুদ্ধের সম্ভাব্য পরিস্থিতিতে নিজেদের অস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত নিশ্চিত করতে তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন অ্যাক্টিং নেভি সেক্রেটারি হুং ক্যাও কংগ্রেসের এক শুনানিতে এ তথ্য জানান। তাইওয়ানের প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র ক্রয়চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘এপিক ফিউরি’ অভিযানের জন্য প্রয়োজনীয় গোলাবারুদ নিশ্চিত করতেই আপাতত বিরতি দেওয়া হয়েছে।

তবে তিনি স্পষ্ট করেন, প্রয়োজন অনুযায়ী ভবিষ্যতে বিদেশি সামরিক বিক্রি কার্যক্রম আবারও চালু হতে পারে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনও তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেননি। এতে তাইওয়ানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

চীন সফরের আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রির বিষয়টি তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনা করবেন। বিশ্লেষকদের মতে, এটি ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের নীতির তুলনায় ভিন্ন অবস্থান।

পরে সফর শেষে ট্রাম্প বলেন, তাইওয়ান ইস্যুতে তিনি শি জিনপিংকে কোনো প্রতিশ্রুতি দেননি এবং অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে ‘এক চীন’ নীতি মেনে চললেও মার্কিন আইনে তাইওয়ানের আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র সহায়তা দেওয়ার বিধান রয়েছে।

অন্যদিকে চীন তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ দাবি করে আসছে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের হুঁশিয়ারিও দিয়ে রেখেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাইওয়ান ঘিরে বেইজিংয়ের সামরিক তৎপরতাও বেড়েছে।

সূত্র: এএফপি

kalprakash.com/SS 

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধের প্রস্তুতিতে তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রি স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত: ০৩:১০:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

ইরান যুদ্ধের সম্ভাব্য পরিস্থিতিতে নিজেদের অস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত নিশ্চিত করতে তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন অ্যাক্টিং নেভি সেক্রেটারি হুং ক্যাও কংগ্রেসের এক শুনানিতে এ তথ্য জানান। তাইওয়ানের প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র ক্রয়চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘এপিক ফিউরি’ অভিযানের জন্য প্রয়োজনীয় গোলাবারুদ নিশ্চিত করতেই আপাতত বিরতি দেওয়া হয়েছে।

তবে তিনি স্পষ্ট করেন, প্রয়োজন অনুযায়ী ভবিষ্যতে বিদেশি সামরিক বিক্রি কার্যক্রম আবারও চালু হতে পারে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনও তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেননি। এতে তাইওয়ানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

চীন সফরের আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রির বিষয়টি তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনা করবেন। বিশ্লেষকদের মতে, এটি ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের নীতির তুলনায় ভিন্ন অবস্থান।

পরে সফর শেষে ট্রাম্প বলেন, তাইওয়ান ইস্যুতে তিনি শি জিনপিংকে কোনো প্রতিশ্রুতি দেননি এবং অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে ‘এক চীন’ নীতি মেনে চললেও মার্কিন আইনে তাইওয়ানের আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র সহায়তা দেওয়ার বিধান রয়েছে।

অন্যদিকে চীন তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ দাবি করে আসছে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের হুঁশিয়ারিও দিয়ে রেখেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাইওয়ান ঘিরে বেইজিংয়ের সামরিক তৎপরতাও বেড়েছে।

সূত্র: এএফপি

kalprakash.com/SS