গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, পোল্যান্ডে অতিরিক্ত ৫ হাজার সেনা পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র, যা তিনি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছেন।
ট্রাম্প পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট ক্যারল নওরোৎস্কিকে নিজের ‘জাতীয়তাবাদী মিত্র’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, গত নির্বাচনে তার প্রতি সমর্থন দিতে পেরে তিনি গর্বিত।
তবে এই সেনা মোতায়েনের সময়সীমা বা বিস্তারিত পরিকল্পনা সম্পর্কে পোস্টে কোনো তথ্য দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এ ঘোষণাকে ঘিরে ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক মহলে বিস্ময় তৈরি হয়েছে। কারণ এর এক সপ্তাহ আগেই মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছিল, পোল্যান্ডে ৪ হাজার সেনা পাঠানোর পূর্বপরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে। অন্যদিকে ন্যাটো ও ইউরোপীয় মিত্রদের সঙ্গে টানাপোড়েন এবং ইরান ইস্যুতে মতপার্থক্যের কারণে ইউরোপে মার্কিন সেনা কমানোর ইঙ্গিতও ছিল।
এর আগে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছিলেন, পোল্যান্ডে সেনা মোতায়েন পুরোপুরি বাতিল হয়নি বরং সাময়িকভাবে স্থগিত ছিল এবং এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে ট্রাম্পের কাছ থেকে।
এদিকে মে মাসের শুরুতে জার্মানি থেকে ৫ হাজার মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়েছিল, যা ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশল পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পোল্যান্ডে নতুন করে সেনা মোতায়েনের এই সিদ্ধান্ত ইউরোপীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র: গালফ নিউজ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 




















