বাংলাদেশ ০২:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

ঝগড়ার জেরে স্বামীকে হত্যা করে মরদেহ টুকরো করার অভিযোগে স্ত্রী আটক

সংগৃহীত ছবি

শরীয়তপুরে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে হত্যার পর মরদেহ কয়েক টুকরো করার অভিযোগ উঠেছে আসমা আক্তার নামে এক নারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তাকে আটক করেছে পালং মডেল থানা পুলিশ।

শুক্রবার (১৫ মে) রাতে শরীয়তপুর শহরের পালং এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার দক্ষিণ মাহমুদপুর এলাকার জিয়া সরদার পিরোজপুর জেলার আসমা আক্তারকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তারা শরীয়তপুর শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। সর্বশেষ চন্দ্রপুর এলাকায় একটি বাসায় থাকতেন তারা।

জানা গেছে, সম্প্রতি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত মঙ্গলবার গভীর রাতে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে লোহার রড দিয়ে আঘাত করলে জিয়া সরদার গুরুতর আহত হন এবং পরে তার মৃত্যু হয় বলে পুলিশের ধারণা।

অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পর মরদেহ গোপন করতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে দেহ কয়েক টুকরো করা হয়। পরে হাড় ও মাংস আলাদা করে ড্রামে ভরে রাখা হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় মরদেহের কিছু অংশ বস্তায় ভরে সদর উপজেলার আটং এলাকার বৃক্ষতলা সংলগ্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়। পরে পুরোনো ভাড়া বাসার একটি ফ্রিজে মরদেহের অংশ রাখার চেষ্টা করলে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।

এ ঘটনায় স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নারীকে আটক করে।

পালং মডেল থানার ওসি শাহ আলম বলেন, ৯৯৯-এর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ড্রাম থেকে মরদেহের অংশ উদ্ধার করে। জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারী ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি পুকুর থেকে মাথাসহ আরও কিছু হাড় উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

kalprakash.com/SS
জনপ্রিয় সংবাদ

ঝগড়ার জেরে স্বামীকে হত্যা করে মরদেহ টুকরো করার অভিযোগে স্ত্রী আটক

প্রকাশিত: ১২:৩৮:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

শরীয়তপুরে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে হত্যার পর মরদেহ কয়েক টুকরো করার অভিযোগ উঠেছে আসমা আক্তার নামে এক নারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তাকে আটক করেছে পালং মডেল থানা পুলিশ।

শুক্রবার (১৫ মে) রাতে শরীয়তপুর শহরের পালং এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার দক্ষিণ মাহমুদপুর এলাকার জিয়া সরদার পিরোজপুর জেলার আসমা আক্তারকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তারা শরীয়তপুর শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। সর্বশেষ চন্দ্রপুর এলাকায় একটি বাসায় থাকতেন তারা।

জানা গেছে, সম্প্রতি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত মঙ্গলবার গভীর রাতে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে লোহার রড দিয়ে আঘাত করলে জিয়া সরদার গুরুতর আহত হন এবং পরে তার মৃত্যু হয় বলে পুলিশের ধারণা।

অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পর মরদেহ গোপন করতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে দেহ কয়েক টুকরো করা হয়। পরে হাড় ও মাংস আলাদা করে ড্রামে ভরে রাখা হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় মরদেহের কিছু অংশ বস্তায় ভরে সদর উপজেলার আটং এলাকার বৃক্ষতলা সংলগ্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়। পরে পুরোনো ভাড়া বাসার একটি ফ্রিজে মরদেহের অংশ রাখার চেষ্টা করলে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।

এ ঘটনায় স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নারীকে আটক করে।

পালং মডেল থানার ওসি শাহ আলম বলেন, ৯৯৯-এর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ড্রাম থেকে মরদেহের অংশ উদ্ধার করে। জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারী ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি পুকুর থেকে মাথাসহ আরও কিছু হাড় উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

kalprakash.com/SS