ইরানের সঙ্গে কথিত সামরিক সহযোগিতার অভিযোগে তিনটি চীনা কোম্পানির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নিষেধাজ্ঞার তীব্র সমালোচনা করেছে বেইজিং। চীনের দাবি, ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপ ‘একতরফা ও অবৈধ’ এবং এতে ইরান ইস্যুতে চীনের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসবে না।
সোমবার এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া কোনো দেশের একতরফা নিষেধাজ্ঞা আরোপ গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি জানান, চীন এ ধরনের পদক্ষেপের ঘোর বিরোধী।
বার্তা সংস্থা এএফপির এক সাংবাদিক যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য চীন সফরের প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন করলে গুও জিয়াকুন বলেন, এসব চাপ প্রয়োগের কৌশল চীনের নীতিগত অবস্থান বদলাতে পারবে না।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো ইরানকে স্যাটেলাইট চিত্র সরবরাহ করেছে, যা সামরিক অভিযানে ব্যবহৃত হতে পারে। তবে এই অভিযোগ সরাসরি নাকচ করেছে বেইজিং।
সম্প্রতি মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট ইরানের সশস্ত্র বাহিনীকে অস্ত্র ও সামরিক কাজে ব্যবহৃত কাঁচামাল সরবরাহে সহায়তার অভিযোগে চীনের ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে।
এ বিষয়ে গুও জিয়াকুন বলেন, চীন সবসময় নিজ দেশের কোম্পানিগুলোকে আইন ও বিধিবিধান মেনে ব্যবসা পরিচালনার আহ্বান জানায়। একই সঙ্গে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈধ অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় বেইজিং দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান তিনি।
ইরান প্রসঙ্গে চীনের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত নতুন করে সংঘাত ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়া ঠেকানো। অন্য দেশকে দায়ী করার পরিবর্তে যুদ্ধ পুনরায় শুরু না হয়, সে লক্ষ্যে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
অনলাইন ডেস্ক 

























