বাংলাদেশ ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo ভিদাল জানালেন আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচে কে জিতবে Logo বিশ্বকাপ জিতবে আর্জেন্টিনা, পেছনে রয়েছে যে কারণ Logo ‘মার্তিনেজের ১০ নোংরা কৌশল,’ ভয় পাচ্ছে ইংল্যান্ড Logo কুবিতে বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ১১৭ শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি প্রদান Logo সুন্দরগঞ্জে বন্যা মোকাবিলায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত Logo নবীনদের পদচারণায় মুখরিত বেরোবি ক্যাম্পাস Logo রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শুভ্রা রানী চন্দ আর নেই Logo নালিতাবাড়ীতে রথযাত্রা উপলক্ষে ধর্মীয় প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo অর্থের অভাবে চীনের মেডিকেলে ভর্তি অনিশ্চিত, সহযোগিতা চায় বাগাতিপাড়ার মেধাবী ফাতেমা Logo ছেলের শিক্ষার্থী আন্দোলনে অংশগ্রহণের জেরে বগুড়ায় বিএনপি নেতা বহিষ্কার

করপোরেট কর ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব জেবিসিসিআই’র

বাংলাদেশে বিনিয়োগ পরিবেশ আরও প্রতিযোগিতামূলক করার লক্ষ্য নিয়ে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে একগুচ্ছ সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছে জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (জেবিসিসিআই)।

সংগঠনটি করপোরেট করহার ২০ শতাংশে নামানোর সুপারিশ করেছে। তাদের মতে, বর্তমানে খাতভেদে করহার তুলনামূলক বেশি হওয়ায় বিনিয়োগে চাপ তৈরি হচ্ছে। করহার ২০ শতাংশে নামানো হলে দীর্ঘমেয়াদে দেশে বিনিয়োগ ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে এবং একই সঙ্গে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানও বৃদ্ধি পাবে।

রোববার (১০ মে) রাজধানীর বারিধারা কূটনৈতিক অঞ্চলে অ্যাসকট দ্য রেসিডেন্স হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রস্তাবগুলো উপস্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে দেশের বিনিয়োগ কাঠামো, খাতভিত্তিক সম্ভাবনা এবং নীতি সংস্কার নিয়ে আলোচনা হয়।

জেবিসিসিআই সভাপতি তারেক রফিক ভূইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন সংগঠনের পরিচালক ও মহাসচিব মারিয়া হাওলাদার। অটোমোবাইল খাত নিয়ে বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উত্তরা গ্রুপের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান, যিনি স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে বড় অঙ্কের বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন।

সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে কর কাঠামো সহজ করা জরুরি। পাশাপাশি উৎসে কর (টিডিএস) কমানো, ভ্যাট ব্যবস্থার ডিজিটালাইজেশন এবং দ্রুত ভ্যাট রিফান্ড নিশ্চিত করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। তাদের মতে, দীর্ঘ প্রক্রিয়ার কারণে ব্যবসায়িক খাতে নগদ প্রবাহে চাপ তৈরি হচ্ছে।

রপ্তানিমুখী খাত যেমন তৈরি পোশাক, তথ্যপ্রযুক্তি ও ওষুধ শিল্পে শুল্ক ছাড় ও প্রণোদনা বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে। এসব খাত দেশের রপ্তানির বড় অংশ জোগান দেয় বলে এগুলোর প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি বলে মনে করছে সংগঠনটি।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বিনিয়োগবান্ধব রাজস্ব কাঠামো ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। কর ও ভ্যাট ব্যবস্থা সহজ ও ডিজিটাল করা হলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও বাড়বে এবং শিল্প উৎপাদন ও কর্মসংস্থান সম্প্রসারিত হবে।

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

ভিদাল জানালেন আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচে কে জিতবে

করপোরেট কর ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব জেবিসিসিআই’র

প্রকাশিত: ০৬:২৩:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

বাংলাদেশে বিনিয়োগ পরিবেশ আরও প্রতিযোগিতামূলক করার লক্ষ্য নিয়ে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে একগুচ্ছ সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছে জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (জেবিসিসিআই)।

সংগঠনটি করপোরেট করহার ২০ শতাংশে নামানোর সুপারিশ করেছে। তাদের মতে, বর্তমানে খাতভেদে করহার তুলনামূলক বেশি হওয়ায় বিনিয়োগে চাপ তৈরি হচ্ছে। করহার ২০ শতাংশে নামানো হলে দীর্ঘমেয়াদে দেশে বিনিয়োগ ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে এবং একই সঙ্গে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানও বৃদ্ধি পাবে।

রোববার (১০ মে) রাজধানীর বারিধারা কূটনৈতিক অঞ্চলে অ্যাসকট দ্য রেসিডেন্স হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রস্তাবগুলো উপস্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে দেশের বিনিয়োগ কাঠামো, খাতভিত্তিক সম্ভাবনা এবং নীতি সংস্কার নিয়ে আলোচনা হয়।

জেবিসিসিআই সভাপতি তারেক রফিক ভূইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন সংগঠনের পরিচালক ও মহাসচিব মারিয়া হাওলাদার। অটোমোবাইল খাত নিয়ে বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উত্তরা গ্রুপের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান, যিনি স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে বড় অঙ্কের বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন।

সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে কর কাঠামো সহজ করা জরুরি। পাশাপাশি উৎসে কর (টিডিএস) কমানো, ভ্যাট ব্যবস্থার ডিজিটালাইজেশন এবং দ্রুত ভ্যাট রিফান্ড নিশ্চিত করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। তাদের মতে, দীর্ঘ প্রক্রিয়ার কারণে ব্যবসায়িক খাতে নগদ প্রবাহে চাপ তৈরি হচ্ছে।

রপ্তানিমুখী খাত যেমন তৈরি পোশাক, তথ্যপ্রযুক্তি ও ওষুধ শিল্পে শুল্ক ছাড় ও প্রণোদনা বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে। এসব খাত দেশের রপ্তানির বড় অংশ জোগান দেয় বলে এগুলোর প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি বলে মনে করছে সংগঠনটি।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বিনিয়োগবান্ধব রাজস্ব কাঠামো ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। কর ও ভ্যাট ব্যবস্থা সহজ ও ডিজিটাল করা হলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও বাড়বে এবং শিল্প উৎপাদন ও কর্মসংস্থান সম্প্রসারিত হবে।

kalprakash.com/SS