বাংলাদেশ ০৩:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo গাছের ডাল কাটাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৭ Logo অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযান: শীর্ষ জুয়ারীসহ গ্রেফতার ১৫ Logo লামায় থামছেই না অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম, প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় জনমনে ক্ষোভ Logo রাস্তার পাশে ছোট্ট কুটিরে বৃদ্ধ দম্পতির মানবেতর জীবন Logo তেজগাঁও কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল Logo গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও মালিকানার সংকট Logo নবনিযুক্ত কুবি উপাচার্যকে শাখা ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের শুভেচ্ছা Logo নওগাঁ সদর উপজেলা কৃষকদলের কমিটি গঠন, আহ্বায়ক মামুন ও সদস্য সচিব সবুর Logo পাবিপ্রবির নতুন ভিসি ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম Logo স্বর্ণের চেইন ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ, দম্পতির ওপর হামলা

একটি হতাশাগ্রস্ত গোষ্ঠী সমাজকে অস্থির করতে চায়: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশে একটি হতাশাগ্রস্ত গোষ্ঠী রয়েছে, যারা বিভিন্ন সময় সমাজকে অস্থির করে রাখতে চায়। তিনি বলেন, আমি কোনো নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তির কথা বলতে চাই না। আমাদের রাজনীতি এখনো সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন হয়ে ওঠেনি।

শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে নওগাঁর পতিসর রবীন্দ্র কাছারি বাড়ি প্রাঙ্গণে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ আমাদের মূল চেতনার জায়গা। আমরা এমনি এমনি স্বাধীনতা পাইনি। নয় মাস যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন করেছি। একইভাবে গণতন্ত্রও সংগ্রামের মাধ্যমেই ফিরে পেয়েছি।

তিনি আরও বলেন, জুলাইয়ে আমাদের সন্তানেরা যে আন্দোলন করেছে, আমরা একে জুলাই যুদ্ধ বলি। সেই লড়াইয়ের মাধ্যমে পরিবর্তন এসেছে, নতুন নির্বাচন হয়েছে। মানুষ নতুন সরকারের প্রতি আশাবাদী। কিন্তু অনেকেই এই পরিবর্তনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ছোটখাটো ইস্যু নিয়ে গোলযোগ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। আমরা চাই না দেশে আর কোনো অস্থিরতা তৈরি হোক।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, যারা ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল তারা দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। অর্থনীতি, ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও প্রশাসনকে লুটপাট ও ধ্বংস করেছে। সেই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে লড়াই করেই আমরা আজকের অবস্থানে এসেছি।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর কর্মজীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, “রবীন্দ্রনাথ এখানে এসে কৃষকদের দুঃখ-দুর্দশা দেখে ব্যাংক স্থাপন করেছিলেন এবং কৃষিকে আধুনিক করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কবিতা, গান, নাটক, গল্প—সব ক্ষেত্রেই তাঁর ছিল অবাধ বিচরণ। ‘গীতাঞ্জলি’ রচনা করে তিনি বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন।

তিনি আরও বলেন, আমার প্রায়ই মনে হয়, রবীন্দ্রনাথকে সারাজীবন পড়লেও শেষ করা যায় না।

ড. আ ন ম বজলুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মিজানুর রহমান মিনু, আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুসহ নওগাঁ জেলার বিভিন্ন সংসদ সদস্য, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।

আলোচনা সভা শেষে ঢাকা ও স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে আবৃত্তি, রবীন্দ্রসংগীত, নৃত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত পতিসরজুড়ে দিনভর উৎসবমুখর পরিবেশে ভিড় করেন হাজারো দর্শনার্থী ও রবীন্দ্রপ্রেমী মানুষ।

জনপ্রিয় সংবাদ

গাছের ডাল কাটাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৭

একটি হতাশাগ্রস্ত গোষ্ঠী সমাজকে অস্থির করতে চায়: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

প্রকাশিত: ০৬:০৬:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশে একটি হতাশাগ্রস্ত গোষ্ঠী রয়েছে, যারা বিভিন্ন সময় সমাজকে অস্থির করে রাখতে চায়। তিনি বলেন, আমি কোনো নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তির কথা বলতে চাই না। আমাদের রাজনীতি এখনো সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন হয়ে ওঠেনি।

শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে নওগাঁর পতিসর রবীন্দ্র কাছারি বাড়ি প্রাঙ্গণে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ আমাদের মূল চেতনার জায়গা। আমরা এমনি এমনি স্বাধীনতা পাইনি। নয় মাস যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন করেছি। একইভাবে গণতন্ত্রও সংগ্রামের মাধ্যমেই ফিরে পেয়েছি।

তিনি আরও বলেন, জুলাইয়ে আমাদের সন্তানেরা যে আন্দোলন করেছে, আমরা একে জুলাই যুদ্ধ বলি। সেই লড়াইয়ের মাধ্যমে পরিবর্তন এসেছে, নতুন নির্বাচন হয়েছে। মানুষ নতুন সরকারের প্রতি আশাবাদী। কিন্তু অনেকেই এই পরিবর্তনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ছোটখাটো ইস্যু নিয়ে গোলযোগ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। আমরা চাই না দেশে আর কোনো অস্থিরতা তৈরি হোক।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, যারা ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল তারা দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। অর্থনীতি, ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও প্রশাসনকে লুটপাট ও ধ্বংস করেছে। সেই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে লড়াই করেই আমরা আজকের অবস্থানে এসেছি।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর কর্মজীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, “রবীন্দ্রনাথ এখানে এসে কৃষকদের দুঃখ-দুর্দশা দেখে ব্যাংক স্থাপন করেছিলেন এবং কৃষিকে আধুনিক করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কবিতা, গান, নাটক, গল্প—সব ক্ষেত্রেই তাঁর ছিল অবাধ বিচরণ। ‘গীতাঞ্জলি’ রচনা করে তিনি বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন।

তিনি আরও বলেন, আমার প্রায়ই মনে হয়, রবীন্দ্রনাথকে সারাজীবন পড়লেও শেষ করা যায় না।

ড. আ ন ম বজলুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মিজানুর রহমান মিনু, আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুসহ নওগাঁ জেলার বিভিন্ন সংসদ সদস্য, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।

আলোচনা সভা শেষে ঢাকা ও স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে আবৃত্তি, রবীন্দ্রসংগীত, নৃত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত পতিসরজুড়ে দিনভর উৎসবমুখর পরিবেশে ভিড় করেন হাজারো দর্শনার্থী ও রবীন্দ্রপ্রেমী মানুষ।