বাংলাদেশ ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo তেজগাঁও কলেজে বিএমবি ডিপার্টমেন্ট প্রধানের হজ্জ যাত্রায় দোয়া ও মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo আমরা এনেছি লাল কার্ড: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী Logo শেরপুরে পুলিশের জালে মাদক কারবারি, উদ্ধার ৬৭৫ ইয়াবা Logo গাইবান্ধায় এক কুকুরের কামড়ে ৪ জনের মৃত্যু Logo বাগমারায় উন্নয়ন কমিটি ঘোষনা ও সাংবাদিকদের সঙ্গে স্থানীয় সাংসদের মতবিনিময় Logo ডিনস অ্যাওয়ার্ড অর্জন করলেন পাবিপ্রবির ৩৮ শিক্ষার্থী Logo ‘চলচ্চিত্রে কিছু মশা জন্মেছে’—কার দিকে ইঙ্গিত ওমর সানীর? Logo মুক্তির এক দিন আগে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’-এর সেন্সর সনদ বাতিল Logo ফুলপ্রেমী কেয়া আর স্বপ্নবাজ তৌসিফের ‘অবশেষে তুমি এলে’ Logo আইসিসি র‍্যাংকিংয়ে বড় উন্নতি শান্ত-নাহিদের

পশ্চিমবঙ্গের নতুন বিধায়কদের ৬৫ শতাংশের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা: এডিআর রিপোর্ট

ছবি : সংগৃহীত।

নয়াদিল্লির অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস (এডিআর)-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের নবনির্বাচিত বিধায়কদের প্রায় ৬৫ শতাংশ নিজেদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার কথা হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের নির্বাচনে জয়ী ২৯২ জন বিধায়কের মধ্যে ১৯০ জন (৬৫ শতাংশ) ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি। ২০২১ সালের তুলনায় এই হার ছিল ৪৯ শতাংশ, যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

এডিআর জানায়, এর মধ্যে ১৭০ জন (৫৮ শতাংশ) গুরুতর ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত। এসব মামলার মধ্যে রয়েছে খুন, হত্যাচেষ্টা এবং নারী নির্যাতনসংক্রান্ত অভিযোগ। ১৪ জনের বিরুদ্ধে খুন এবং ৫৪ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া ৬৩ জন বিধায়ক নারী নির্যাতনের মামলার কথাও স্বীকার করেছেন, যার মধ্যে দুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে।

দলভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিজেপির ২০৬ জন বিধায়কের মধ্যে ১৫২ জন (৭৪ শতাংশ) এবং তৃণমূল কংগ্রেসের ৮০ জনের মধ্যে ৩৪ জন (৪৩ শতাংশ) ফৌজদারি মামলার তথ্য দিয়েছেন। কিছু ছোট দলের সব বিজয়ী প্রার্থীর বিরুদ্ধেই ফৌজদারি মামলা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

অন্যদিকে, কংগ্রেসের দুইজন বিজয়ী প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই বলে জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, নির্বাচিত বিধায়কদের মধ্যে ৬১ শতাংশ কোটিপতি, যা ২০২১ সালের তুলনায় বেশি। মোট ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১,০৯১ কোটি টাকা, যেখানে প্রতিজনের গড় সম্পদ ৩.৭৩ কোটি টাকা।

শিক্ষাগত যোগ্যতার হিসাবে ৬৩ শতাংশ বিধায়ক স্নাতক বা তার বেশি শিক্ষিত। বয়সের ক্ষেত্রে অধিকাংশ (৬৩ শতাংশ) ৪১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে।

এছাড়া নারী প্রতিনিধিত্বের হার ১৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যা আগের নির্বাচনের তুলনায় সামান্য কম।

এডিআর বলছে, রাজনীতিতে অপরাধমূলক মামলার উপস্থিতি ও সম্পদের কেন্দ্রীকরণ বাড়া গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য উদ্বেগজনক প্রবণতা।

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

তেজগাঁও কলেজে বিএমবি ডিপার্টমেন্ট প্রধানের হজ্জ যাত্রায় দোয়া ও মাহফিল অনুষ্ঠিত

পশ্চিমবঙ্গের নতুন বিধায়কদের ৬৫ শতাংশের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা: এডিআর রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০৫:০৫:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

নয়াদিল্লির অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস (এডিআর)-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের নবনির্বাচিত বিধায়কদের প্রায় ৬৫ শতাংশ নিজেদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার কথা হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের নির্বাচনে জয়ী ২৯২ জন বিধায়কের মধ্যে ১৯০ জন (৬৫ শতাংশ) ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি। ২০২১ সালের তুলনায় এই হার ছিল ৪৯ শতাংশ, যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

এডিআর জানায়, এর মধ্যে ১৭০ জন (৫৮ শতাংশ) গুরুতর ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত। এসব মামলার মধ্যে রয়েছে খুন, হত্যাচেষ্টা এবং নারী নির্যাতনসংক্রান্ত অভিযোগ। ১৪ জনের বিরুদ্ধে খুন এবং ৫৪ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া ৬৩ জন বিধায়ক নারী নির্যাতনের মামলার কথাও স্বীকার করেছেন, যার মধ্যে দুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে।

দলভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিজেপির ২০৬ জন বিধায়কের মধ্যে ১৫২ জন (৭৪ শতাংশ) এবং তৃণমূল কংগ্রেসের ৮০ জনের মধ্যে ৩৪ জন (৪৩ শতাংশ) ফৌজদারি মামলার তথ্য দিয়েছেন। কিছু ছোট দলের সব বিজয়ী প্রার্থীর বিরুদ্ধেই ফৌজদারি মামলা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

অন্যদিকে, কংগ্রেসের দুইজন বিজয়ী প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই বলে জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, নির্বাচিত বিধায়কদের মধ্যে ৬১ শতাংশ কোটিপতি, যা ২০২১ সালের তুলনায় বেশি। মোট ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১,০৯১ কোটি টাকা, যেখানে প্রতিজনের গড় সম্পদ ৩.৭৩ কোটি টাকা।

শিক্ষাগত যোগ্যতার হিসাবে ৬৩ শতাংশ বিধায়ক স্নাতক বা তার বেশি শিক্ষিত। বয়সের ক্ষেত্রে অধিকাংশ (৬৩ শতাংশ) ৪১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে।

এছাড়া নারী প্রতিনিধিত্বের হার ১৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যা আগের নির্বাচনের তুলনায় সামান্য কম।

এডিআর বলছে, রাজনীতিতে অপরাধমূলক মামলার উপস্থিতি ও সম্পদের কেন্দ্রীকরণ বাড়া গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য উদ্বেগজনক প্রবণতা।

kalprakash.com/SS