বাংলাদেশ ০১:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo গাছের ডাল কাটাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৭ Logo অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযান: শীর্ষ জুয়ারীসহ গ্রেফতার ১৫ Logo লামায় থামছেই না অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম, প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় জনমনে ক্ষোভ Logo রাস্তার পাশে ছোট্ট কুটিরে বৃদ্ধ দম্পতির মানবেতর জীবন Logo তেজগাঁও কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল Logo গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও মালিকানার সংকট Logo নবনিযুক্ত কুবি উপাচার্যকে শাখা ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের শুভেচ্ছা Logo নওগাঁ সদর উপজেলা কৃষকদলের কমিটি গঠন, আহ্বায়ক মামুন ও সদস্য সচিব সবুর Logo পাবিপ্রবির নতুন ভিসি ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম Logo স্বর্ণের চেইন ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ, দম্পতির ওপর হামলা

পর্যায়ক্রমে মাঠ থেকে সেনা সদস্য ফিরিয়ে নেওয়া করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ফাইল ছবি

মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালনরত সেনাবাহিনীর সদস্যদের ধীরে ধীরে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরতে শুরু করায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সেনা সদস্যদের পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্বাচিত সরকার পুলিশ বাহিনীকে আবারও সুশৃঙ্খল অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। জনমনে পুলিশের প্রতি বিশ্বাসও তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা পর্যায়ক্রমে মাঠ থেকে সেনাবাহিনীকে প্রত্যাহারের উদ্যোগ নিচ্ছি, এটা সত্য। তবে কীভাবে তা করা হবে, সে বিষয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থা একসঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেবে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগামী জুন মাসের মধ্যে মাঠ পর্যায়ে থাকা সব সেনা সদস্যকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। গত মঙ্গলবার আইন-শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৬ জুন থেকে সেনা সদস্যদের চূড়ান্ত প্রত্যাহার শুরু হবে। প্রথমে দূরবর্তী জেলা থেকে সেনা সদস্যদের ফিরিয়ে আনা হবে। পরে ধাপে ধাপে বিভাগীয় শহর ও বড় জেলাগুলো থেকেও সেনা সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া হবে।

২০২৪ সালের ১৯ জুলাই কারফিউ জারির পর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার মাঠে সেনাবাহিনী মোতায়েন করে। একই বছরের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রম ভেঙে পড়লে সেনাবাহিনী মাঠে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখে। পরে ১৭ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতাও দেয়।

এদিকে গত মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, নির্বাচনের পর সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা আর বহাল নেই। বর্তমানে তারা মূলত স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করছে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।

তিনি আরও জানান, আগে সেনাবাহিনী নিজস্ব ক্ষমতায় গ্রেপ্তারসহ বিভিন্ন আইনগত পদক্ষেপ নিতে পারলেও বর্তমানে তারা এসব কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নিচ্ছে না।

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

গাছের ডাল কাটাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৭

পর্যায়ক্রমে মাঠ থেকে সেনা সদস্য ফিরিয়ে নেওয়া করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত: ০৩:০৪:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালনরত সেনাবাহিনীর সদস্যদের ধীরে ধীরে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরতে শুরু করায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সেনা সদস্যদের পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্বাচিত সরকার পুলিশ বাহিনীকে আবারও সুশৃঙ্খল অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। জনমনে পুলিশের প্রতি বিশ্বাসও তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা পর্যায়ক্রমে মাঠ থেকে সেনাবাহিনীকে প্রত্যাহারের উদ্যোগ নিচ্ছি, এটা সত্য। তবে কীভাবে তা করা হবে, সে বিষয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থা একসঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেবে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগামী জুন মাসের মধ্যে মাঠ পর্যায়ে থাকা সব সেনা সদস্যকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। গত মঙ্গলবার আইন-শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৬ জুন থেকে সেনা সদস্যদের চূড়ান্ত প্রত্যাহার শুরু হবে। প্রথমে দূরবর্তী জেলা থেকে সেনা সদস্যদের ফিরিয়ে আনা হবে। পরে ধাপে ধাপে বিভাগীয় শহর ও বড় জেলাগুলো থেকেও সেনা সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া হবে।

২০২৪ সালের ১৯ জুলাই কারফিউ জারির পর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার মাঠে সেনাবাহিনী মোতায়েন করে। একই বছরের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রম ভেঙে পড়লে সেনাবাহিনী মাঠে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখে। পরে ১৭ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতাও দেয়।

এদিকে গত মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, নির্বাচনের পর সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা আর বহাল নেই। বর্তমানে তারা মূলত স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করছে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।

তিনি আরও জানান, আগে সেনাবাহিনী নিজস্ব ক্ষমতায় গ্রেপ্তারসহ বিভিন্ন আইনগত পদক্ষেপ নিতে পারলেও বর্তমানে তারা এসব কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নিচ্ছে না।

kalprakash.com/SS