বাংলাদেশ ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

বন্ধ শিল্প-কারখানা চালুর জন্য ৪০ হাজার কোটি টাকার রিফাইন্যান্স স্কিমের পরিকল্পনা

সংগৃহীত ছবি

বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প-কারখানা আবার চালু করতে বিশেষ অর্থায়ন সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ লক্ষ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার একটি রিফাইন্যান্স স্কিম চালুর প্রস্তাব করা হচ্ছে।

চলতি সপ্তাহের মধ্যেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ বিষয়ে একটি নীতিগত পলিসি প্রণয়ন করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠাবে। অনুমোদন পাওয়া গেলে পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিক সার্কুলার জারি করা হবে।

তবে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে বড় ঝুঁকি এড়াতে সরকারের পক্ষ থেকে ক্রেডিট গ্যারান্টি চেয়েছে ব্যাংকগুলো। একই সঙ্গে ঋণের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত জামানত ও মনিটরিং ব্যবস্থার দাবি জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, যেসব কারখানা গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ থাকা সত্ত্বেও কার্যকর ওয়ার্কিং ক্যাপিটালের অভাবে উৎপাদনে ফিরতে পারছে না, তাদের জন্য স্বল্পমেয়াদি ঋণ সুবিধা দেওয়া হবে। সংযোগ বিচ্ছিন্ন, বকেয়া বিল, যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত বা ক্রেতা সংকটে থাকা কারখানার জন্য থাকবে মধ্যমেয়াদি সহায়তা। আর দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা কারখানার ক্ষেত্রে নতুন যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামো পুনর্গঠনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

অর্থায়নের উৎস হিসেবে সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক বা উন্নয়ন সহযোগীদের ভূমিকা কী হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অতীতে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়ম ও খেলাপি ঋণের কারণে তাদের ঝুঁকি গ্রহণের সক্ষমতা কমে গেছে। ফলে নতুন এই উদ্যোগে সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গ্যারান্টি অপরিহার্য।

এ বিষয়ে একটি ১৯ সদস্যের কমিটি কাজ করছে, যারা বিস্তারিত প্রতিবেদন দেবে। আগামী এক মাসের মধ্যে চূড়ান্ত রূপরেখা ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

বন্ধ শিল্প-কারখানা চালুর জন্য ৪০ হাজার কোটি টাকার রিফাইন্যান্স স্কিমের পরিকল্পনা

প্রকাশিত: ১১:২৯:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প-কারখানা আবার চালু করতে বিশেষ অর্থায়ন সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ লক্ষ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার একটি রিফাইন্যান্স স্কিম চালুর প্রস্তাব করা হচ্ছে।

চলতি সপ্তাহের মধ্যেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ বিষয়ে একটি নীতিগত পলিসি প্রণয়ন করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠাবে। অনুমোদন পাওয়া গেলে পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিক সার্কুলার জারি করা হবে।

তবে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে বড় ঝুঁকি এড়াতে সরকারের পক্ষ থেকে ক্রেডিট গ্যারান্টি চেয়েছে ব্যাংকগুলো। একই সঙ্গে ঋণের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত জামানত ও মনিটরিং ব্যবস্থার দাবি জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, যেসব কারখানা গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ থাকা সত্ত্বেও কার্যকর ওয়ার্কিং ক্যাপিটালের অভাবে উৎপাদনে ফিরতে পারছে না, তাদের জন্য স্বল্পমেয়াদি ঋণ সুবিধা দেওয়া হবে। সংযোগ বিচ্ছিন্ন, বকেয়া বিল, যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত বা ক্রেতা সংকটে থাকা কারখানার জন্য থাকবে মধ্যমেয়াদি সহায়তা। আর দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা কারখানার ক্ষেত্রে নতুন যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামো পুনর্গঠনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

অর্থায়নের উৎস হিসেবে সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক বা উন্নয়ন সহযোগীদের ভূমিকা কী হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অতীতে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়ম ও খেলাপি ঋণের কারণে তাদের ঝুঁকি গ্রহণের সক্ষমতা কমে গেছে। ফলে নতুন এই উদ্যোগে সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গ্যারান্টি অপরিহার্য।

এ বিষয়ে একটি ১৯ সদস্যের কমিটি কাজ করছে, যারা বিস্তারিত প্রতিবেদন দেবে। আগামী এক মাসের মধ্যে চূড়ান্ত রূপরেখা ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

kalprakash.com/SS