মাত্র ২৩ বছর বয়স, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অভিজ্ঞতা এক ম্যাচের মতো—তবুও পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) ফাইনালের আগে বাংলাদেশের পেসার নাহিদ রানা এখন পেশোয়ার জালমির পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ২০১৭ সালের পর আবার শিরোপা জয়ের স্বপ্নে তার গতিই হয়ে উঠেছে দলের সবচেয়ে বড় অস্ত্র।
এবারের আসরে মাত্র ৪ ম্যাচ খেলেই নাহিদ নিয়েছেন ৭ উইকেট। তবে সংখ্যার চেয়েও বেশি নজর কেড়েছে তার গতি। ১৫০ কিলোমিটারের কাছাকাছি গতিতে নিয়মিত বল করে তিনি ব্যাটসম্যানদের জন্য তৈরি করেছেন বড় চ্যালেঞ্জ। তার এই স্পিড এবং বাউন্সের কারণে প্রতিপক্ষ ব্যাটাররা বারবার চাপে পড়েছে।
পেশোয়ার জালমির বোলিং আক্রমণে মূল সমস্যা ছিল ধারাবাহিক গতিসম্পন্ন ফাস্ট বোলারের অভাব। অভিজ্ঞ পেসারদের ফর্মে ওঠানামার মধ্যে নাহিদ সেই শূন্যতা পূরণ করছেন। বিশেষ করে নতুন বলে তার আক্রমণাত্মক বোলিং দলকে বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে।
ফাইনালের আগে তাকে দলে ফেরানোর জন্য পেশোয়ার জালমি বড় ধরনের কূটনৈতিক চেষ্টা চালায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাকে ছাড়পত্র দেয়। এতে বোঝা যায়, ফাইনাল ম্যাচে তাকে ঘিরে কতটা কৌশলগত পরিকল্পনা সাজিয়েছে দলটি।
বিশ্লেষকদের মতে, পেশোয়ারের স্পিন আক্রমণ শক্তিশালী হলেও ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো গতি নাহিদের হাতেই রয়েছে। ডট বল তৈরি করার দক্ষতা এবং দ্রুত গতির কারণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন।
আজ রাতের ফাইনালে তাই সবচেয়ে বেশি নজর থাকবে বাংলাদেশের এই তরুণ পেসারের দিকেই—যার একটি স্পেলই বদলে দিতে পারে পেশোয়ার জালমির শিরোপা ভাগ্য।
স্পোর্টস ডেস্ক 























