বাংলাদেশ ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo উচ্ছ্বাস থেকে নস্টালজিয়া, বদলে যাওয়া ঈদের গল্প Logo নীলফামারীর পশুর হাটে অতিরিক্ত হাসিল আদায়, ইজারাদারকে জরিমানা Logo নালিতাবাড়ীতে ধর্ষণের প্রতিবাদে জামায়াতের মানববন্ধন, শরিয়াহভিত্তিক বিচারের দাবি Logo রাঙ্গামাটি কোতয়ালী থানার বার্ষিক পরিদর্শনে পুলিশ সুপার Logo লালপুরে ভ্যান ছিনতাইয়ের চেষ্টা, গণধোলাই শেষে পুলিশের কাছে সোপর্দ Logo নবীনগর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে লড়বেন বিএনপি নেতা মাসুদ রানা Logo বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান খান Logo জুনের শুরুতেই মোংলায় চালু হচ্ছে ২৪ ঘণ্টার ফেরি সার্ভিস Logo বাগেরহাটের কোরবানির হাটে আকর্ষণের কেন্দ্র ‘ধলু মিয়া’ Logo জলবায়ু সহনশীল কৃষিতে নারীদের স্বাবলম্বী করতে মোংলায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা

সুন্দরগঞ্জের একাধিক এলাকায় ৪৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীনতা, চরম ভোগান্তিতে জনজীবন

ছবিঃ সংগৃহীত

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কিসামত সদর, বেলকা ও নবাবগঞ্জসহ কয়েকটি এলাকায় টানা প্রায় ৪৮ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, গত শনিবার থেকে এসব এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ।

দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, অটোরিকশাচালক ও সাধারণ যাত্রীরা। বিদ্যুৎ না থাকায় অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অনেক চালক গাড়ি চালাতে পারছেন না। এতে এলাকায় অটোরিকশার সংখ্যা কমে যাওয়ায় যাত্রীদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আশপাশের অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও রহস্যজনকভাবে তাদের এলাকাগুলো দীর্ঘ সময় অন্ধকারে রয়েছে। এ বিষয়ে একাধিকবার পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ফোন করেও কোনো সন্তোষজনক সাড়া পাওয়া যায়নি। অনেক সময় ফোন বিজি দেখায়, আবার কখনও ফোন রিসিভ করা হয় না বলেও অভিযোগ করেন তারা।

স্থানীয় বাসিন্দা আতিকুর রহমান বলেন,
“চারদিকে বিদ্যুৎ থাকলেও আমাদের এলাকায় নেই। অফিসে ফোন দিলে কেউ ধরেন না। আমরা যেন সবসময় অবহেলার শিকার হচ্ছি।”

এদিকে চলমান এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার্থীদের জন্য পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। বিদ্যুৎ না থাকায় রাতের বেলায় পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী বিকল্প আলোর ব্যবস্থা করে কষ্ট করে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে।

এসএসসি পরীক্ষার্থী সেলিম মিয়া বলেন,
“পরীক্ষার সময় বিদ্যুৎ না থাকায় পড়াশোনা করতে খুব সমস্যা হচ্ছে। বারবার ফোন দিয়েও কোনো সমাধান পাচ্ছি না।”

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরুদ্ধার এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। একই সঙ্গে তারা বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বশীলদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মিজানকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

উচ্ছ্বাস থেকে নস্টালজিয়া, বদলে যাওয়া ঈদের গল্প

সুন্দরগঞ্জের একাধিক এলাকায় ৪৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীনতা, চরম ভোগান্তিতে জনজীবন

প্রকাশিত: ১১:১৪:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কিসামত সদর, বেলকা ও নবাবগঞ্জসহ কয়েকটি এলাকায় টানা প্রায় ৪৮ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, গত শনিবার থেকে এসব এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ।

দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, অটোরিকশাচালক ও সাধারণ যাত্রীরা। বিদ্যুৎ না থাকায় অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অনেক চালক গাড়ি চালাতে পারছেন না। এতে এলাকায় অটোরিকশার সংখ্যা কমে যাওয়ায় যাত্রীদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আশপাশের অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও রহস্যজনকভাবে তাদের এলাকাগুলো দীর্ঘ সময় অন্ধকারে রয়েছে। এ বিষয়ে একাধিকবার পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ফোন করেও কোনো সন্তোষজনক সাড়া পাওয়া যায়নি। অনেক সময় ফোন বিজি দেখায়, আবার কখনও ফোন রিসিভ করা হয় না বলেও অভিযোগ করেন তারা।

স্থানীয় বাসিন্দা আতিকুর রহমান বলেন,
“চারদিকে বিদ্যুৎ থাকলেও আমাদের এলাকায় নেই। অফিসে ফোন দিলে কেউ ধরেন না। আমরা যেন সবসময় অবহেলার শিকার হচ্ছি।”

এদিকে চলমান এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার্থীদের জন্য পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। বিদ্যুৎ না থাকায় রাতের বেলায় পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী বিকল্প আলোর ব্যবস্থা করে কষ্ট করে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে।

এসএসসি পরীক্ষার্থী সেলিম মিয়া বলেন,
“পরীক্ষার সময় বিদ্যুৎ না থাকায় পড়াশোনা করতে খুব সমস্যা হচ্ছে। বারবার ফোন দিয়েও কোনো সমাধান পাচ্ছি না।”

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরুদ্ধার এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। একই সঙ্গে তারা বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বশীলদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মিজানকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।