খাগড়াছড়ির লক্ষীছড়ি এলাকায় রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও প্রবীণ সাংবাদিক মোহাম্মদ আলীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল ২০২৬) সাংবাদিক মহল ও সচেতন নাগরিকরা এ ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও আইনের শাসনের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পরিকল্পিতভাবে একদল দুর্বৃত্ত এ হামলা চালায়। এতে গুরুতর আহত হন প্রবীণ এই সাংবাদিক। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, সত্য প্রকাশে বাধা সৃষ্টি করা এবং সাংবাদিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যেই এ হামলা সংঘটিত হয়েছে।
সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, একজন সিনিয়র সাংবাদিকের ওপর এ ধরনের হামলা পুরো সাংবাদিক সমাজের জন্য হুমকিস্বরূপ। এটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি এক প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ। তারা অভিযোগ করেন, একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধে সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছে, যা গভীর উদ্বেগের বিষয়।
এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিকরা। তাদের মতে, এ ধরনের ঘটনায় কোনো ধরনের গাফিলতি বা ধীরগতি গ্রহণযোগ্য নয়। দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
একই সঙ্গে প্রশাসনের প্রতি কঠোর বার্তা দিয়ে বলা হয়েছে, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর জনগণের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
সাংবাদিক সমাজ সতর্ক করে জানিয়েছে সাংবাদিকদের ওপর হামলা মানেই সত্যের ওপর হামলা। সত্যকে দমিয়ে রাখার অপচেষ্টা কখনো সফল হবে না। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, বিচার এবং দোষীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।
এদিকে, ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে পার্বত্য অঞ্চলে কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের দাবি আরও জোরালো হয়ে উঠেছে।
শিরোনামঃ
লক্ষীছড়িতে প্রবীণ সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা: গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর ‘নগ্ন আঘাত’
-
মো. নাজিম আলী, রাঙামাটি প্রতিনিধি - প্রকাশিত: ০৬:৫১:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
- 222
ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ




















