১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে ইরান ও উত্তর কোরিয়ার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী অবস্থানের কারণে। চলমান ইরান-যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে কিম জং উনের প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের সমালোচনা করলেও দক্ষিণ কোরিয়ার দাবি, যুদ্ধপরবর্তী সম্ভাব্য নতুন সম্পর্কের সুযোগের কারণে পিয়ংইয়ং ধীরে ধীরে তেহরানের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার আইনপ্রণেতা পার্ক সুন-ওন সোমবার (৬ এপ্রিল) জানিয়েছেন, উত্তর কোরিয়া দীর্ঘদিনের মিত্র ইরান থেকে নিজেকে দূর রেখেছে এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ইরানকে কোনো অস্ত্র সরবরাহ করেনি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পরও পিয়ংইয়ং কোনো শোকবার্তা বা অভিনন্দন বার্তা পাঠায়নি। এনআইএস বলছে, চলমান যুদ্ধে চীন ও রাশিয়া যেখানে নিয়মিত বিবৃতি দিচ্ছে, সেখানে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মাত্র দুটি বিবৃতি দিয়েছে এবং ভাষা তুলনামূলকভাবে নরম।
পার্ক সুন-ওনের দাবি, এই অবস্থান ইঙ্গিত দেয় যে উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার পথ বন্ধ করছে না। কিম জং উন ফেব্রুয়ারির শেষের নবম ওয়ার্কার্স পার্টি কংগ্রেসে উল্লেখ করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি উত্তর কোরিয়াকে পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং ‘শত্রুতামূলক নীতি’ প্রত্যাহার করে, তবে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নতি করতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স
kalprakash.com/SS
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 

























