মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও হামলার কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাসের বাজারে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। অনেক দেশ তেলের কৌশলগত মজুত ব্যবহার শুরু করেছে, তবুও চীনের তেল পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে।
চীন তার তেলের চাহিদার অর্ধেকের বেশি মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে, বিশেষ করে ইরান থেকে। আন্তর্জাতিক সংস্থা কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে চীন ইরানের সরবরাহকৃত তেলের ৮০ শতাংশের বেশি কিনেছে, দৈনিক প্রায় ১৪ লাখ ব্যারেল।
চীনের স্থিতিশীলতার মূল কৌশল হলো ছোট ও বেসরকারি তেল শোধনাগার, যেগুলোকে ‘টিয়াপট’ বলা হয়। প্রধানত শানডং প্রদেশে অবস্থিত এই রিফাইনারিগুলো ইরানি ও রাশিয়ার তেল আমদানি ও মজুতের মাধ্যমে দেশের তেল সরবরাহ স্থিতিশীল রাখছে। বড় রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি সরাসরি ইরানি তেল আমদানি না করলেও, টিয়াপট রিফাইনারির মাধ্যমে দেশীয় মজুত ব্যবহার করছে।
শানডংয়ের এক রিফাইনারি কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, “আমরা কিছু মজুত আগেই করেছি। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে চাপ খুব বেশি নেই।”
চীনের কৌশল হলো সীমিত রুশ ও ইরানি তেল আমদানি চালিয়ে কৌশলগত মজুত বাড়ানো এবং পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যাওয়া। মার্কিন হাউস সিলেক্ট কমিটির তথ্য অনুযায়ী, চীন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও রাশিয়া, ইরান ও ভেনেজুয়েলা থেকে প্রায় ১২০ কোটি ব্যারেলের তেল কিনেছে।
এইভাবে চীনের ছোট রিফাইনারি দেশটির তেল সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
kalprakash.com/SS
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 

























