বাংলাদেশ ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo কুবির ছাত্র পরামর্শক দপ্তরে নতুন পরিচালক ড. মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিন Logo এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতসহ দুই দাবিতে রাবিতে বিক্ষোভ Logo ৬ কেজি গাঁজাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার Logo দরজার সামনে মিলল নবজাতক ছেলে শিশু, স্বজনদের খোঁজে পুলিশ Logo ‘ফার্মের মুরগী’ বিতর্কে আত্মপ্রকাশ করল ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’ Logo মঠবাড়িয়ার আবাসিক হোটেলে অভিযান, মাদকদ্রব্যসহ আটক ২ Logo যাত্রীসংকটে ১৬ জুলাই থেকে যশোর-ঢাকা রুটে ফ্লাইট বন্ধ করছে ইউএস-বাংলা Logo সুন্দরবনের বনদস্যু ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ জনের আত্মসমর্পণ Logo সাঁথিয়ায় সাংবাদিক আব্দুদ দাইন সরকারকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ Logo রুহিয়ায় চুরি হওয়া ষাঁড় গরু উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

কুমিল্লায় চুরির অপবাদে পৈশাচিকতা: দুই যুবককে ইলেকট্রিক শক

কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার কালিরবাজার ইউনিয়নে চুরির অভিযোগে দুই যুবককে বেঁধে ইলেকট্রিক শক দেওয়ার এক শিউরে ওঠা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে দেশজুড়ে চলছে তীব্র সমালোচনা।

গত শুক্রবার মনশাসন গ্রামে মসজিদের ব্যাটারি চুরির সময় নাঈম ও তার এক সহযোগীকে হাতেনাতে ধরে ফেলে স্থানীয়রা। এরপরই শুরু হয় মধ্যযুগীয় কায়দায় বর্বরতা; রশি দিয়ে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে তাঁদের ওপর দফায় দফায় ইলেকট্রিক শক চালানো হয়।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে যুবকরা বাঁচার আকুতি জানাচ্ছেন এবং কান ধরে ক্ষমা চাইছেন, কিন্তু উপস্থিত ভিড়ের কেউ তাঁদের রক্ষায় এগিয়ে আসেনি।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত নাঈম একজন পেশাদার চোর এবং তার যন্ত্রণায় এলাকাবাসী অতিষ্ঠ ছিল। ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে উত্তেজিত জনতা চোরদের পক্ষে সাফাই না গাইতে পুলিশের ওপর চড়াও হয়। বর্তমানে নির্যাতনের শিকার ওই দুই যুবক এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন এবং এখন পর্যন্ত থানায় কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া অপরাধ, তবে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

কুবির ছাত্র পরামর্শক দপ্তরে নতুন পরিচালক ড. মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিন

কুমিল্লায় চুরির অপবাদে পৈশাচিকতা: দুই যুবককে ইলেকট্রিক শক

প্রকাশিত: ০১:১৬:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার কালিরবাজার ইউনিয়নে চুরির অভিযোগে দুই যুবককে বেঁধে ইলেকট্রিক শক দেওয়ার এক শিউরে ওঠা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে দেশজুড়ে চলছে তীব্র সমালোচনা।

গত শুক্রবার মনশাসন গ্রামে মসজিদের ব্যাটারি চুরির সময় নাঈম ও তার এক সহযোগীকে হাতেনাতে ধরে ফেলে স্থানীয়রা। এরপরই শুরু হয় মধ্যযুগীয় কায়দায় বর্বরতা; রশি দিয়ে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে তাঁদের ওপর দফায় দফায় ইলেকট্রিক শক চালানো হয়।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে যুবকরা বাঁচার আকুতি জানাচ্ছেন এবং কান ধরে ক্ষমা চাইছেন, কিন্তু উপস্থিত ভিড়ের কেউ তাঁদের রক্ষায় এগিয়ে আসেনি।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত নাঈম একজন পেশাদার চোর এবং তার যন্ত্রণায় এলাকাবাসী অতিষ্ঠ ছিল। ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে উত্তেজিত জনতা চোরদের পক্ষে সাফাই না গাইতে পুলিশের ওপর চড়াও হয়। বর্তমানে নির্যাতনের শিকার ওই দুই যুবক এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন এবং এখন পর্যন্ত থানায় কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া অপরাধ, তবে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।