বাংলাদেশ ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo কুবির ছাত্র পরামর্শক দপ্তরে নতুন পরিচালক ড. মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিন Logo এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতসহ দুই দাবিতে রাবিতে বিক্ষোভ Logo ৬ কেজি গাঁজাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার Logo দরজার সামনে মিলল নবজাতক ছেলে শিশু, স্বজনদের খোঁজে পুলিশ Logo ‘ফার্মের মুরগী’ বিতর্কে আত্মপ্রকাশ করল ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’ Logo মঠবাড়িয়ার আবাসিক হোটেলে অভিযান, মাদকদ্রব্যসহ আটক ২ Logo যাত্রীসংকটে ১৬ জুলাই থেকে যশোর-ঢাকা রুটে ফ্লাইট বন্ধ করছে ইউএস-বাংলা Logo সুন্দরবনের বনদস্যু ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ জনের আত্মসমর্পণ Logo সাঁথিয়ায় সাংবাদিক আব্দুদ দাইন সরকারকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ Logo রুহিয়ায় চুরি হওয়া ষাঁড় গরু উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

গ্যাস সংকটে বন্ধ হয়ে গেল ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানার উৎপাদন

গ্যাস সংকটে নরসিংদীর পলাশের ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি কারখানার সার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল থেকে সরকারি নির্দেশনার প্রেক্ষিতে এ কারখানার সার উৎপাদন বন্ধ করা হয় বলে জানান কারখানার মহাব্যাবস্থাপক (প্রশাসন) মো. ফখরুল আলম।

কারখানা সূত্রে জানা যায়, শতভাগ উৎপাদন চালু ছিল এ সারকারখানাটি । উৎপাদন বন্ধ থাকায় প্রতিদিন ২৮০০ মেট্রিক টন সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এ সারকারখানার সার উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে গ্যাসনির্ভর একটি প্রক্রিয়া। কারখানাটি গ্যাস সংকটে বন্ধ হওয়ার পর কারখানার গুদামে ৫ লাখ ২৫ মেট্রিক টন সার মজুত রয়েছে।

সার কারখানাটিতে নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদনের জন্য দৈনিক ৭১-৭২ পিএসআই গ্যাসের প্রয়োজন হয়। তাছাড়া ৫২-৫৩ পিএসআই গ্যাস পাওয়া গেলেও উৎপাদন চালিয়ে রাখা যায়। গ্যাস পেলে কারখানায় আবার পুরোপুরি উৎপাদনে যাওয়া যাবে। তবে কবে নাগাদ গ্যাস পাওয়া যাবে এ বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না।

এদিকে পলাশের তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি অফিসে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে সেখানকার দায়িত্বরত ম্যানেজার আল আমিনের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

কুবির ছাত্র পরামর্শক দপ্তরে নতুন পরিচালক ড. মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিন

গ্যাস সংকটে বন্ধ হয়ে গেল ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানার উৎপাদন

প্রকাশিত: ১০:৩৯:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

গ্যাস সংকটে নরসিংদীর পলাশের ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি কারখানার সার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল থেকে সরকারি নির্দেশনার প্রেক্ষিতে এ কারখানার সার উৎপাদন বন্ধ করা হয় বলে জানান কারখানার মহাব্যাবস্থাপক (প্রশাসন) মো. ফখরুল আলম।

কারখানা সূত্রে জানা যায়, শতভাগ উৎপাদন চালু ছিল এ সারকারখানাটি । উৎপাদন বন্ধ থাকায় প্রতিদিন ২৮০০ মেট্রিক টন সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এ সারকারখানার সার উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে গ্যাসনির্ভর একটি প্রক্রিয়া। কারখানাটি গ্যাস সংকটে বন্ধ হওয়ার পর কারখানার গুদামে ৫ লাখ ২৫ মেট্রিক টন সার মজুত রয়েছে।

সার কারখানাটিতে নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদনের জন্য দৈনিক ৭১-৭২ পিএসআই গ্যাসের প্রয়োজন হয়। তাছাড়া ৫২-৫৩ পিএসআই গ্যাস পাওয়া গেলেও উৎপাদন চালিয়ে রাখা যায়। গ্যাস পেলে কারখানায় আবার পুরোপুরি উৎপাদনে যাওয়া যাবে। তবে কবে নাগাদ গ্যাস পাওয়া যাবে এ বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না।

এদিকে পলাশের তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি অফিসে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে সেখানকার দায়িত্বরত ম্যানেজার আল আমিনের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।