নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ধর্ষণের শিকার হয়ে ১১ বছরের এক শিশু অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার মাদ্রাসা শিক্ষক আমানুল্লাহ মাহমুদী ওরফে সাগরের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) শুনানি শেষে নেত্রকোনা অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল আদালত এ আদেশ দেন।
এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে অভিযুক্ত শিক্ষককে আদালতে হাজির করে মদন থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা থেকে র্যাব-১৪-এর একটি দল আমানুল্লাহ মাহমুদী ওরফে সাগরকে গ্রেপ্তার করে।
স্থানীয় বাসিন্দা, এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে অভিযুক্ত শিক্ষক একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি নানার বাড়িতে থেকে ওই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত।
শিশুটির বাবা পরিবার ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার পর জীবিকার তাগিদে তার মা সিলেটের একটি বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ নেন।
সম্প্রতি শিশুটি অসুস্থ বোধ করলে তার শারীরিক পরিবর্তন নজরে আসে। পরে সিলেট থেকে এসে মা মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর গত ১৮ এপ্রিল শিশুটিকে মদন উপজেলা শহরের একটি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক জানান, শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা।
এ ঘটনায় ২৩ এপ্রিল শিশুটির মা বাদী হয়ে মদন থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তারে অভিযান চালিয়ে আসছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার এড়াতে আমানুল্লাহ মাহমুদী ওরফে সাগর বারবার অবস্থান পরিবর্তন করছিলেন। পরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
kalprakash.com/SS
অনলাইন ডেস্ক 























