বাংলাদেশ ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo ৪ হাজার কোটি বাজেটের রণবীর কাপুরের ‘রামায়ণ’ সিনেমার প্রথম টিজার প্রকাশ Logo পিকিং ইউনিভার্সিটিতে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য মাস্টার্স ও ডক্টরাল প্রোগ্রাম, আবেদন আহ্বান Logo বারবার তাড়া করেও শাহেদ ড্রোন আটকাতে ব্যর্থ মার্কিন এফ-১৫ Logo জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ সমাবেশ শনিবার Logo ইরানের মাটিতে পা রাখলে কেউ জীবিত ফিরবে না: জেনারেল হাতামি Logo বাংলাদেশ জয় দিয়ে এশিয়ান গেমস হকি বাছাইপর্ব শুরু Logo সিমরিন লুবাবার নতুন অধ্যায়: ‘উই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’, বাগদান সম্পন্ন Logo ‘প্রিন্স’ প্রিমিয়ারে শাকিবের আচরণে বিতর্ক, মুখ খুললেন জ্যোতির্ময়ী Logo ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম হু হু করে নেমেছে Logo মৃত শাবককে পাহারা দিল হাতি দম্পতি

পাকিস্তানে পালিত হলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

  • কাল প্রকাশ ডেস্ক
  • প্রকাশিত: ১০:২৭:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭৬ বার দেখা হয়েছে

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে হাইকমিশন প্রাঙ্গণে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করা হয়। তথ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষ্যে হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কালোব্যাজ ধারণ করেন, জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয় এবং অস্থায়ী শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এছাড়া পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, বাণী পাঠ, ভিডিও চিত্র প্রদর্শন, আলোচনা সভা, বিশেষ মোনাজাত ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের জন্য দূতালয় প্রাঙ্গণ ব্যানার, বাংলা বর্ণমালা ও ভাষা দিবসের পোস্টারে সুসজ্জিত করা হয়েছিল।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দূতালয় প্রাঙ্গণে একটি অস্থায়ী শহিদ মিনার নির্মাণ করা হয়। হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান হাইকমিশনের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিশুদের সঙ্গে নিয়ে সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় উপস্থিত সবাই সমবেত কণ্ঠে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ গানটি পরিবেশন করেন।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষ্যে ইউনেস্কোর ৪৩তম সাধারণ সম্মেলনের সভাপতি খোন্দকার এম তালহার একটি ভিডিও বার্তা প্রদর্শন করা হয়।

সমাপনী বক্তৃতায় হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা বাংলার অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী শহিদদের প্রতিও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব অপরিসীম ও এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও ভাষাভিত্তিক একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের ভিত রচিত হয়েছিল।’

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ হাজার কোটি বাজেটের রণবীর কাপুরের ‘রামায়ণ’ সিনেমার প্রথম টিজার প্রকাশ

পাকিস্তানে পালিত হলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

প্রকাশিত: ১০:২৭:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে হাইকমিশন প্রাঙ্গণে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করা হয়। তথ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষ্যে হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কালোব্যাজ ধারণ করেন, জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয় এবং অস্থায়ী শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এছাড়া পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, বাণী পাঠ, ভিডিও চিত্র প্রদর্শন, আলোচনা সভা, বিশেষ মোনাজাত ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের জন্য দূতালয় প্রাঙ্গণ ব্যানার, বাংলা বর্ণমালা ও ভাষা দিবসের পোস্টারে সুসজ্জিত করা হয়েছিল।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দূতালয় প্রাঙ্গণে একটি অস্থায়ী শহিদ মিনার নির্মাণ করা হয়। হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান হাইকমিশনের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিশুদের সঙ্গে নিয়ে সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় উপস্থিত সবাই সমবেত কণ্ঠে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ গানটি পরিবেশন করেন।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষ্যে ইউনেস্কোর ৪৩তম সাধারণ সম্মেলনের সভাপতি খোন্দকার এম তালহার একটি ভিডিও বার্তা প্রদর্শন করা হয়।

সমাপনী বক্তৃতায় হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা বাংলার অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী শহিদদের প্রতিও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব অপরিসীম ও এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও ভাষাভিত্তিক একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের ভিত রচিত হয়েছিল।’