বাংলাদেশ ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo লক্ষ্মীপুরে ফেসবুকে প্রকাশ্য হুমকি, ফের আলোচনায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সাবেক যুবলীগ নেতা রাজু Logo নাটোরের বড়াইগ্রামে মাদ্রাসা ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা: অভিযুক্ত বাবা-ছেলে কারাগারে Logo এক-এগারোর ‘মূল পরিকল্পনাকারী’ হিসেবে মইন-মতি-মাহফুজের নাম, ট্রাইব্যুনালে মামলার প্রস্তুতি Logo উচ্ছ্বাস থেকে নস্টালজিয়া, বদলে যাওয়া ঈদের গল্প Logo নীলফামারীর পশুর হাটে অতিরিক্ত হাসিল আদায়, ইজারাদারকে জরিমানা Logo নালিতাবাড়ীতে ধর্ষণের প্রতিবাদে জামায়াতের মানববন্ধন, শরিয়াহভিত্তিক বিচারের দাবি Logo রাঙ্গামাটি কোতয়ালী থানার বার্ষিক পরিদর্শনে পুলিশ সুপার Logo লালপুরে ভ্যান ছিনতাইয়ের চেষ্টা, গণধোলাই শেষে পুলিশের কাছে সোপর্দ Logo নবীনগর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে লড়বেন বিএনপি নেতা মাসুদ রানা Logo বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান খান

ধানের দাম ধসে বিপাকে হাওরের কৃষক: এক মণ ধানেও মিলছে না শ্রমিকের মজুরি

ফাইল ছবি/বাসস

দেশের হাওরাঞ্চলে বোরো ধান কাটার মৌসুম শুরু হলেও ন্যায্য দাম না পেয়ে চরম লোকসানে পড়েছেন কৃষকরা। ক্ষেত থেকে ধান বিক্রি হচ্ছে প্রতি মণ ৭০০ থেকে ৯৫০ টাকার মধ্যে, যা উৎপাদন খরচের তুলনায় অনেক কম।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, এক মণ ধান উৎপাদনে গড় খরচ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১,৩১৮ টাকা। কিন্তু বাজারে দাম কমে যাওয়ায় শ্রমিক মজুরির সমান আয়ও হচ্ছে না বলে অভিযোগ কৃষকদের।

ডিজেলের দাম বৃদ্ধি, সেচ খরচ, সার-বীজ ও শ্রমিক সংকট মিলিয়ে এ বছর উৎপাদন ব্যয় গত বছরের তুলনায় ২০–৩০ শতাংশ বেড়েছে। ফলে বিঘাপ্রতি বাড়তি খরচ গড়ে প্রায় ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত দাঁড়িয়েছে।

কৃষকরা বলছেন, ঋণের চাপের কারণে ধান মজুত করার সুযোগ না থাকায় বাধ্য হয়েই কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এতে মৌসুমের শুরুতেই বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন তারা।

বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি সংগ্রহমূল্য মৌসুম শুরুর আগেই ঘোষণা না হওয়া এবং ধান কেনায় ধীরগতির কারণে প্রতি বছরই কৃষকরা ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে ফেসবুকে প্রকাশ্য হুমকি, ফের আলোচনায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সাবেক যুবলীগ নেতা রাজু

ধানের দাম ধসে বিপাকে হাওরের কৃষক: এক মণ ধানেও মিলছে না শ্রমিকের মজুরি

প্রকাশিত: ০১:২৯:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

দেশের হাওরাঞ্চলে বোরো ধান কাটার মৌসুম শুরু হলেও ন্যায্য দাম না পেয়ে চরম লোকসানে পড়েছেন কৃষকরা। ক্ষেত থেকে ধান বিক্রি হচ্ছে প্রতি মণ ৭০০ থেকে ৯৫০ টাকার মধ্যে, যা উৎপাদন খরচের তুলনায় অনেক কম।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, এক মণ ধান উৎপাদনে গড় খরচ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১,৩১৮ টাকা। কিন্তু বাজারে দাম কমে যাওয়ায় শ্রমিক মজুরির সমান আয়ও হচ্ছে না বলে অভিযোগ কৃষকদের।

ডিজেলের দাম বৃদ্ধি, সেচ খরচ, সার-বীজ ও শ্রমিক সংকট মিলিয়ে এ বছর উৎপাদন ব্যয় গত বছরের তুলনায় ২০–৩০ শতাংশ বেড়েছে। ফলে বিঘাপ্রতি বাড়তি খরচ গড়ে প্রায় ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত দাঁড়িয়েছে।

কৃষকরা বলছেন, ঋণের চাপের কারণে ধান মজুত করার সুযোগ না থাকায় বাধ্য হয়েই কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এতে মৌসুমের শুরুতেই বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন তারা।

বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি সংগ্রহমূল্য মৌসুম শুরুর আগেই ঘোষণা না হওয়া এবং ধান কেনায় ধীরগতির কারণে প্রতি বছরই কৃষকরা ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

kalprakash.com/SS