বাংলাদেশ ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

ইউনূসের দুঃশাসন: পালাচ্ছে বিদেশি কোম্পানি বাটা-সিঙ্গার-ইউনিলিভার

বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম পরিচালনাকারী কয়েকটি বহুজাতিক কোম্পানির ব্যবসায়িক ফলাফল ও সাম্প্রতিক বাজার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা চলছে। বাটা, সিঙ্গার, ইউনিলিভারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আর্থিক কার্যক্রমে পরিবর্তন ও চাপের বিষয়টি বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাটা বাংলাদেশ প্রশাসনিক, বিপণন ও সরবরাহ ব্যয় বৃদ্ধিকে তাদের ব্যবসায়িক চাপে অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। একইভাবে সিঙ্গার বাংলাদেশ জানিয়েছে, বিক্রি কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও উচ্চ সুদের হার ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে সামগ্রিক মুনাফায় চাপ তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে ইউনিলিভার বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও বিক্রিতে ধীরগতি ও মুনাফা হ্রাসের তথ্য পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়।

তবে কিছু কোম্পানি বাংলাদেশ থেকে কার্যক্রম গুটিয়ে নিচ্ছে—এ ধরনের দাবি সম্পর্কে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উচ্চ সুদের হার, ডলারের বিনিময় হার ওঠানামা, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার পরিবর্তন—এসব বিষয় কোম্পানিগুলোর ব্যবসায়িক ফলাফলে প্রভাব ফেলছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ বাজার পরিস্থিতির পরিবর্তনও এই ধরনের ওঠানামার জন্য দায়ী হতে পারে। তারা বলছেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ ধরে রাখতে নীতিগত স্থিতিশীলতা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা জরুরি।

kalprakash.com/SS
ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

ইউনূসের দুঃশাসন: পালাচ্ছে বিদেশি কোম্পানি বাটা-সিঙ্গার-ইউনিলিভার

প্রকাশিত: ১২:৫৩:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম পরিচালনাকারী কয়েকটি বহুজাতিক কোম্পানির ব্যবসায়িক ফলাফল ও সাম্প্রতিক বাজার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা চলছে। বাটা, সিঙ্গার, ইউনিলিভারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আর্থিক কার্যক্রমে পরিবর্তন ও চাপের বিষয়টি বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাটা বাংলাদেশ প্রশাসনিক, বিপণন ও সরবরাহ ব্যয় বৃদ্ধিকে তাদের ব্যবসায়িক চাপে অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। একইভাবে সিঙ্গার বাংলাদেশ জানিয়েছে, বিক্রি কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও উচ্চ সুদের হার ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে সামগ্রিক মুনাফায় চাপ তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে ইউনিলিভার বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও বিক্রিতে ধীরগতি ও মুনাফা হ্রাসের তথ্য পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়।

তবে কিছু কোম্পানি বাংলাদেশ থেকে কার্যক্রম গুটিয়ে নিচ্ছে—এ ধরনের দাবি সম্পর্কে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উচ্চ সুদের হার, ডলারের বিনিময় হার ওঠানামা, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার পরিবর্তন—এসব বিষয় কোম্পানিগুলোর ব্যবসায়িক ফলাফলে প্রভাব ফেলছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ বাজার পরিস্থিতির পরিবর্তনও এই ধরনের ওঠানামার জন্য দায়ী হতে পারে। তারা বলছেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ ধরে রাখতে নীতিগত স্থিতিশীলতা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা জরুরি।

kalprakash.com/SS