চব্বিশের জুলাই আন্দোলন বন্ধ করতে শেখ হাসিনা সরকারের এক এমপির মাধ্যমে ৫০০ কোটি টাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেছেন সদ্য এনসিপিতে যোগ দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সভাপতি রিফাত রশিদ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।
রিফাত রশিদ বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় আমাদের বড় ভাইয়েরা যখন ডিবি কার্যালয়ে ছিলেন, তখন আন্দোলন থামিয়ে দিতে শেখ হাসিনার এক এমপির মাধ্যমে আমাদের প্রত্যেককে ৫০০ কোটি টাকা অফার করা হয়েছিল।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাতে সরকার থেকে পাওয়া অনুদানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
তার দাবি, একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত একটি অডিট ফার্মের মাধ্যমে ওই অর্থ ব্যয়ের হিসাব নিরীক্ষা করা হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক সেটি গ্রহণও করেছে।
রিফাত রশিদ বলেন, তাই ভিত্তিহীন অভিযোগ ছড়ানোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক মুখ্য সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলামও বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, পুরো অর্থ ব্যয়ের হিসাব তাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। ক্যাম্পেইনের ব্যয় শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের অডিট ফার্ম দিয়ে নিরীক্ষা সম্পন্ন করে তা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অর্থ আত্মসাতের মতো কোনো ঘটনা ঘটলে বাংলাদেশ ব্যাংক এতদিন নীরব থাকত না।
kalprakash.com/SS
অনলাইন ডেস্ক 

























