গরমের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এসি এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং অনেকের দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় অংশ হয়ে উঠেছে। তবে মাস শেষে বাড়তি বিদ্যুৎ বিল অনেকের জন্যই দুশ্চিন্তার কারণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসির রিমোটের সঠিক ব্যবহার এবং কিছু সাধারণ অভ্যাস মেনে চললেই ঘর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি বিদ্যুৎ খরচও কমানো সম্ভব।
আদর্শ তাপমাত্রা বজায় রাখা
অনেকেই দ্রুত ঠান্ডা পাওয়ার জন্য এসির তাপমাত্রা ১৮ বা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামিয়ে রাখেন। এতে বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসির জন্য আদর্শ তাপমাত্রা ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই পরিসরে আরামদায়ক পরিবেশ বজায় থাকে এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়।
ইকো মোড ও ফ্যানের ব্যবহার
আধুনিক এসিগুলোতে থাকা ইকো বা পাওয়ার সেভিং মোড ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ খরচ কমে আসে। পাশাপাশি এসি চালু অবস্থায় ধীর গতির সিলিং ফ্যান ব্যবহার করলে ঠান্ডা বাতাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, ফলে এসির ওপর চাপ কমে যায়।
ফিল্টার পরিষ্কার রাখা জরুরি
এসির ফিল্টারে ধুলো জমলে বাতাস চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয় এবং ঘর ঠান্ডা হতে বেশি সময় লাগে। এতে বিদ্যুৎ খরচও বেড়ে যায়। তাই অন্তত দুই সপ্তাহ পরপর এসির ফিল্টার পরিষ্কার করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
ঘরের তাপ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা
দিনের বেলায় সরাসরি রোদ ঘরে প্রবেশ করলে এসির কার্যকারিতা কমে যায়। ভারী পর্দা ব্যবহার করলে তাপ কম প্রবেশ করে এবং ঘর দ্রুত ঠান্ডা হয়। এছাড়া এসি চলার সময় ঘন ঘন দরজা-জানালা খোলা থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ছোট ছোট অভ্যাসগুলো শুধু বিদ্যুৎ বিলই কমায় না, বরং জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর চাপ কমাতেও সহায়ক ভূমিকা রাখে।
kalprakash.com/SS
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক 

























