ইরানের যৌথ বিমান প্রতিরক্ষা সদর দপ্তরের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলিরেজা এলহামি দাবি করেছেন, ৪০ দিনের যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল আগ্রাসনমূলক যুদ্ধে ইরানি বাহিনী মোট ১৭০টি আধুনিক শত্রু ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
শনিবার এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সংঘাত চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান আগ্রাসন মোকাবেলায় ইরানের সমন্বিত বিমান প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
তিনি জানান, ভূপাতিত ড্রোনগুলোর মধ্যে উন্নত প্রযুক্তির বিভিন্ন মানববিহীন আকাশযান ছিল, যেগুলোতে স্ব-রক্ষার ব্যবস্থা, অস্ত্র বহনের সক্ষমতা এবং অত্যাধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি ছিল।
এলহামি উল্লেখ করেন, ধ্বংস হওয়া ড্রোনগুলোর মধ্যে হারমেস ৯০০, এমকিউ-৯ এবং হেরন মডেলের মতো উন্নত ড্রোনও রয়েছে।
কমান্ডার আরও দাবি করেন, যুদ্ধের শেষ দিকে এবং যুদ্ধবিরতির আগে পারস্য উপসাগরের আকাশে উচ্চ উচ্চতায় উড়ন্ত একটি অত্যাধুনিক মার্কিন এমকিউ-৯ টাইপ-সি গোয়েন্দা ড্রোনে আঘাত হানা হয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রও পরে এ ঘটনায় ইরানের বিমান প্রতিরক্ষার কার্যকারিতা স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাফল্য শুধু ড্রোন ভূপাতিতেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এফ-৩৫, এফ-১৫, এফ-১৬, এফ-১৮ এবং এ-১০সহ একাধিক উন্নত যুদ্ধবিমানও ধ্বংস করা হয়েছে।
তার মতে, এই সাফল্য ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্ষমতা, প্রস্তুতি ও কার্যকারিতার প্রমাণ, যা দেশের আকাশসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।
সূত্র: তাসনিম নিউজ
kalprakash.com/SS
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 























