বাংলাদেশ ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

কালোবাজারে তেল বিক্রি: মাদ্রাসা শিক্ষককে জরিমানা

ছবিঃ সংগৃহীত

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের নগর কাটগড়া হাট এলাকায় কালোবাজারে জ্বালানি তেল বিক্রির অভিযোগে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে জরিমানা করা হয়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুল মতিন, যিনি মিঠাপুকুর উপজেলার মাঠের হাট আব্দুল্লাহ দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাটগড়া হাট এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিলেন।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রমেন পাল তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এ সময় তার বাসা থেকে অবৈধভাবে মজুদকৃত ১৩ লিটার অকটেন জব্দ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুল মতিন দীর্ঘদিন ধরে কৃত্রিম সংকটের সুযোগ নিয়ে পেট্রোল ও অকটেন মজুদ করে বেশি দামে বিক্রি করে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা ক্রেতা সেজে তার কাছ থেকে অতিরিক্ত মূল্যে তেল ক্রয় করেন। পরে বিষয়টি নিশ্চিত হলে উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়।

খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে তার বাসা থেকে ১৩ লিটার অকটেন জব্দ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে তাকে জরিমানা করেন।

একজন মাদ্রাসা শিক্ষকের এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এ ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশের পাশাপাশি তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

কালোবাজারে তেল বিক্রি: মাদ্রাসা শিক্ষককে জরিমানা

প্রকাশিত: ০২:৪১:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের নগর কাটগড়া হাট এলাকায় কালোবাজারে জ্বালানি তেল বিক্রির অভিযোগে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে জরিমানা করা হয়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুল মতিন, যিনি মিঠাপুকুর উপজেলার মাঠের হাট আব্দুল্লাহ দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাটগড়া হাট এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিলেন।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রমেন পাল তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এ সময় তার বাসা থেকে অবৈধভাবে মজুদকৃত ১৩ লিটার অকটেন জব্দ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুল মতিন দীর্ঘদিন ধরে কৃত্রিম সংকটের সুযোগ নিয়ে পেট্রোল ও অকটেন মজুদ করে বেশি দামে বিক্রি করে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা ক্রেতা সেজে তার কাছ থেকে অতিরিক্ত মূল্যে তেল ক্রয় করেন। পরে বিষয়টি নিশ্চিত হলে উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়।

খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে তার বাসা থেকে ১৩ লিটার অকটেন জব্দ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে তাকে জরিমানা করেন।

একজন মাদ্রাসা শিক্ষকের এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এ ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশের পাশাপাশি তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।