ডি-বক্সে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের জন্য এক আতঙ্কের নাম আর্লিং হালান্ড। নিজের সমৃদ্ধ ক্যারিয়ারে আরও একটি স্মরণীয় কীর্তি যুক্ত করলেন এই নরওয়েজিয়ান গোলমেশিন। ক্লাব ক্যারিয়ারে ৩০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন তিনি। এই দ্রুততম মাইলফলক ছোঁয়ার পথে তিনি পেছনে ফেলেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মতো তারকাদের।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে কভেন্ট্রি সিটির মুখোমুখি হয় ম্যানচেস্টার সিটি। ১-০ গোলের এই কষ্টার্জিত জয়ের ম্যাচেই নিজের ঐতিহাসিক ৩০০তম গোলটি করেন হালান্ড। ম্যাচের ২৬তম মিনিটে আঁতোয়ান সেমেনিওর নিখুঁত পাসে চোখধাঁধানো এক হেডে ম্যানসিটিকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি নিজের ল্যান্ডমার্ক গোলটি পূর্ণ করেন এই তারকা স্ট্রাইকার।
ক্লাব ক্যারিয়ারে মাত্র ৩৮৪ ম্যাচ খেলেই ৩০০ গোলের ক্লাবে প্রবেশ করলেন ২৬ বছর বয়সী হালান্ড। এই তালিকার শীর্ষে থাকা লিওনেল মেসি (৩৬৫ ম্যাচ) সামান্য ব্যবধানে তাঁর চেয়ে এগিয়ে থাকলেও, এমবাপ্পে (৩৯৮ ম্যাচ) ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে (৪৯৯ ম্যাচ) বেশ বড় ব্যবধানেই পেছনে ফেলেছেন তিনি। নরওয়ের ক্লাব মোলদের হয়ে ২০ গোল দিয়ে যাত্রা শুরু করা হালান্ড রেড বুল সালজবুর্গে ২৯টি ও বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের জার্সিতে করেন ৮৬টি গোল। ম্যানসিটির আকাশি-নীল জার্সিতে এটি ছিল তাঁর ১৬৫তম গোল।
৩০০ গোলের পাশাপাশি এদিন প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে হেডে সবচেয়ে বেশি গোলের নতুন রেকর্ডও গড়েছেন হালান্ড। ২০টি হেডভিত্তিক গোল করে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন ক্লাবটির আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি সার্জিও আগুয়েরোকে (১৯টি)।
তবে স্মরণীয় এই রাতেও নিজের পারফরম্যান্সে শতভাগ তৃপ্ত হতে পারেননি নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার। কিছু সহজ সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় ম্যাচ শেষে হতাশা প্রকাশ করে হালান্ড বলেন, ‘ব্যবধান বাড়ানোর জন্য আমার আরও গোল করা উচিত ছিল। সুযোগ নষ্ট করায় শেষ দিকে প্রতিপক্ষকে ম্যাচে ফেরার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিলাম। প্রিমিয়ার লিগে পরিকল্পনা অনুযায়ী শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত খেলতে না পারলে ম্যাচ বের করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে।’
হালান্ডের এই ঐতিহাসিক কীর্তির রাতে চলতি মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে টানা তৃতীয় জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ম্যানচেস্টার সিটি।
kalprakash.com/IM