ফুটবলবিশ্ব যাঁকে সর্বকালের অন্যতম সেরা মহাতারকা হিসেবে গণ্য করে, সেই লিওনেল মেসির যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে শৈশবেই নিজের আগমনী বার্তা দিতে শুরু করেছেন তাঁর মেজো ছেলে মাতেও মেসি। কেবল মাঠের চোখধাঁধানো ড্রিবলিং বা গোল করাই নয়, এবার নেতৃত্বের অনন্য গুণাবলি দেখিয়েও ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করে নিয়েছেন এই বিস্ময়বালক। অধিনায়কের আর্মব্যান্ড পরে ইন্টার মায়ামি অ্যাকাডেমি দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে জিতিয়েছেন মর্যাদাপূর্ণ ‘ন্যাপলস কাপ’-এর শিরোপা।
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার ন্যাপলসে অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টে ইন্টার মায়ামির অনূর্ধ্ব দলের হয়ে মাঠে নামেন ১০ বছর বয়সী মাতেও। পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের পাশাপাশি অধিনায়ক হিসেবে দলকে সুসংগঠিত রাখতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন তিনি।
শিরোপা নির্ধারণী ফাইনাল ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর ট্রফি উঁচিয়ে মাতেওর উদযাপনের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। ট্রফিতে বড় অক্ষরে লেখা ছিল ‘চ্যাম্পিয়ন’, যার পাশে ট্রফি উঁচিয়ে হাসিমুখে পোজ দেন তরুণ মাতেও।
আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি ও আন্তোনেলা রোকুজ্জোর দ্বিতীয় সন্তান মাতেও বরাবরই তাঁর চঞ্চল প্রকৃতি এবং বাবার মতো সহজাত ফুটবল প্রতিভার কারণে ভক্তদের মাঝে তুমুল জনপ্রিয়। এর আগেও ইন্টার মায়ামি অ্যাকাডেমির হয়ে তাঁর দুর্দান্ত কিছু গোল ও ড্রিবলিংয়ের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে আলোড়ন তুলেছিল।
বাবার ছায়াতলে থেকে ইন্টার মায়ামি অ্যাকাডেমিতে গড়ে ওঠা মাতেওর এই সাফল্যকে অনেকেই তাঁর ভবিষ্যৎ ফুটবল ক্যারিয়ারের একটি শক্ত ভিত হিসেবে দেখছেন। লিওনেল মেসির ফুটবল ক্যারিয়ার যখন শেষলগ্নে দাঁড়িয়ে, তখন বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে মেজো ছেলের এমন রাজকীয় সূচনা বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের দারুণভাবে আশাবাদী ও রোমাঞ্চিত করছে।
kalprakash.com/IM