বাংলাদেশ ০১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo গাজা ইস্যুতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে যাচ্ছে মালয়েশিয়া Logo ঈদে যাত্রীচাপে রাস্তায় কিছু ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলছে: সড়কমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম Logo আরাফাতের দিনে কাবার ঠিক ওপরে সূর্য, ৩৩ বছর পর কাবা শরিফে থাকবে না ছায়া Logo ঈদযাত্রায় বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা, যাত্রী হয়রানি ঠেকাতে মোবাইল টিম: ডিএমপি কমিশনার Logo ভ্যাপসা গরমের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি Logo জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় Logo ইসলামী ব্যাংকে আওয়ামী দোসর নিয়োগ, খাল কেটে কুমির আনার শামিল: জামায়াতের সেক্রেটারি Logo ইতালি থেকে রেমিট্যান্স পাঠানোয় আবারও শীর্ষে বাংলাদেশ Logo জামিন পেলেন তারেক রেজা Logo নওগাঁয় কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণে বিসিকের সচেতনতামূলক কার্যক্রম

বাগমারায় পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধনের অভিযোগ, ক্ষতি ৬ লাখ টাকা

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় পূর্ব বিরোধের জেরে একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ৬ লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মাড়িয়া ইউনিয়নের কামারবাড়ী গ্রামে।

ভুক্তভোগী মোসলেম উদ্দীন এ ঘটনায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে বাগমারা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাছ চাষের জন্য লিজ নেওয়া পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছ চাষ করছিলেন তিনি। তবে পুকুর লিজকে কেন্দ্র করে একই গ্রামের নাজমুল হক ও তার লোকজনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

এর আগে ওই বিরোধের জেরে মোসলেম উদ্দীনের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় তার স্ত্রী বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করলে নাজমুল হকসহ কয়েকজন আসামি গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যান এবং পরে জামিনে মুক্ত হন।

অভিযোগে বলা হয়, শুক্রবার (২৭ মার্চ) গভীর রাতে প্রতিপক্ষের লোকজন পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন করে। এতে প্রায় ৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন মোসলেম উদ্দীন। তিনি জানান, প্রতিপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল এবং পুকুর দখলের চেষ্টা চালাচ্ছিল। চাঁদা না দেওয়ায় তার ওপর হামলা চালানো হয় এবং সর্বশেষ পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ মেরে ফেলা হয়েছে।

এ বিষয়ে মাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাটি তদন্তে একজন উপপরিদর্শককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা ইস্যুতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে যাচ্ছে মালয়েশিয়া

বাগমারায় পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধনের অভিযোগ, ক্ষতি ৬ লাখ টাকা

প্রকাশিত: ০৯:৪৪:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় পূর্ব বিরোধের জেরে একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ৬ লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মাড়িয়া ইউনিয়নের কামারবাড়ী গ্রামে।

ভুক্তভোগী মোসলেম উদ্দীন এ ঘটনায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে বাগমারা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাছ চাষের জন্য লিজ নেওয়া পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছ চাষ করছিলেন তিনি। তবে পুকুর লিজকে কেন্দ্র করে একই গ্রামের নাজমুল হক ও তার লোকজনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

এর আগে ওই বিরোধের জেরে মোসলেম উদ্দীনের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় তার স্ত্রী বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করলে নাজমুল হকসহ কয়েকজন আসামি গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যান এবং পরে জামিনে মুক্ত হন।

অভিযোগে বলা হয়, শুক্রবার (২৭ মার্চ) গভীর রাতে প্রতিপক্ষের লোকজন পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন করে। এতে প্রায় ৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন মোসলেম উদ্দীন। তিনি জানান, প্রতিপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল এবং পুকুর দখলের চেষ্টা চালাচ্ছিল। চাঁদা না দেওয়ায় তার ওপর হামলা চালানো হয় এবং সর্বশেষ পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ মেরে ফেলা হয়েছে।

এ বিষয়ে মাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাটি তদন্তে একজন উপপরিদর্শককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।