ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার খান্দুরা গ্রামে আয়োজিত একটি চায়নিজ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ তিন মাস পিছিয়ে দেওয়ার ঘোষণায় অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
টুর্নামেন্টের আয়োজক মো. সবুজ মিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একাধিক পোস্টে জানান, মাঠে কাদা থাকায় খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ফাইনাল ম্যাচ আগামী ২০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে টুর্নামেন্টে অংশ নেয় খান্দুরা পশ্চিমপাড়া, খান্দুরা হিন্দুপাড়া, খান্দুরা দক্ষিণবাড়ি, খান্দুরা খাবাড়ি, সাহেববাড়ি, সাহেববাড়ি-২, দিঘিরপাড় জুমন একাদশ, দিঘিরপাড়, সাহেববাড়ি মাদ্রাসা, গাড়াউক, তারাউল্লাহ ও রামেশ্বর একাদশসহ একাধিক দল।
প্রথম রাউন্ড, কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনালের খেলা শেষে ফাইনাল আয়োজনের অপেক্ষায় ছিলেন খেলোয়াড় ও দর্শকরা। তবে হঠাৎ করে ফাইনাল ম্যাচ প্রায় তিন মাস পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দলের খেলোয়াড় ও সমর্থকরা।
ফেসবুক পোস্টে মো. সবুজ মিয়া উল্লেখ করেন, মাঠে কাদা থাকায় এখন ফাইনাল আয়োজন করলে খেলোয়াড়দের হাত-পা ভেঙে যেতে পারে এবং তাদের ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই খেলোয়াড়দের স্বার্থেই ফাইনাল পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তবে একই পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, তিন মাসের আগে কেউ যদি খেলার কথা বলেন, তাহলে এক বছর পর খেলা হবে। এছাড়া বেশি কথা বললে ২০২৭ সালের জুলাই মাসে ফাইনাল হবে বলেও মন্তব্য করেন। এ ধরনের বক্তব্য নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে কয়েকটি দলের খেলোয়াড়দের দাবি, পুরো টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পর এত দীর্ঘ সময় ফাইনাল স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত তাদের হতাশ করেছে। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে ফাইনাল আয়োজনের দাবি জানান।
এ বিষয়ে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো লিখিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
kalprakash.com/IM