বাংলাদেশ ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo ৬৬ কর্মদিবসে ১,২৬৬ মাদক কারবারি ও সেবনকারী গ্রেফতার: পুলিশ সুপার ছুফি উল্লাহ Logo পাবিপ্রবিতে ইতিহাস বিভাগের নবীনবরণ ও পাঠদান কার্যক্রমের উদ্বোধন Logo বিপর্যস্ত ও লুণ্ঠিত শিক্ষাব্যবস্থাকে বিনির্মাণ করা হবে: মাহদী আমিন Logo নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য নিজেই ভুগছেন নিরাপত্তাহীনতায় Logo বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ বাঁচাতে না পারলে ঢাকা রক্ষা সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর Logo পরিবেশ রক্ষায় শিশুদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আহ্বান Logo হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে সমঝোতার আহ্বান ওমানের Logo হরমুজের পর আরও রপ্তানি করিডোর বন্ধের হুমকি আইআরজিসির Logo ১৫ জুলাই: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, যেভাবে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে জুলাই আন্দোলন Logo আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল, ম্যাচের ভাগ্য গড়বেন কি মেসি?

সেমিফাইনালে মুখোমুখি ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা, পরিসংখ্যানে এগিয়ে কে?

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা আবারও ফিরছে বিশ্বকাপের মঞ্চে। বুধবার দিবাগত রাতে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা। জয়ী দল জায়গা করে নেবে ফাইনালে। তাই দুই দলের সামনেই ইতিহাস গড়ার সুযোগ।

ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার দ্বৈরথ শুধু ফুটবলের নয়, ইতিহাস ও আবেগেরও। ১৯৮২ সালের ফকল্যান্ড যুদ্ধের রাজনৈতিক উত্তেজনা একসময় দুই দেশের ফুটবল লড়াইকেও প্রভাবিত করেছিল। সময়ের সঙ্গে রাজনৈতিক উত্তাপ কমলেও মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতা আজও সমান তীব্র।

দুই দলের লড়াইয়ের সবচেয়ে স্মরণীয় অধ্যায় ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল। মেক্সিকোর অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে দিয়েগো ম্যারাডোনার দুটি গোল ফুটবল ইতিহাসে অমর হয়ে আছে। প্রথমটি ঈশ্বরের হাত নামে পরিচিত বিতর্কিত গোল এবং দ্বিতীয়টি নিজের অর্ধ থেকে একক নৈপুণ্যে করা সেই বিখ্যাত গোল, যা পরে শতাব্দীর সেরা গোল হিসেবে স্বীকৃতি পায়। সেই ম্যাচে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল আর্জেন্টিনা।

১৯৯৮ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতেও মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময় শেষে সমতা থাকলেও টাইব্রেকারে জয় পায় আর্জেন্টিনা। ওই ম্যাচে ডিয়েগো সিমেওনের ওপর লাথি মেরে লাল কার্ড দেখেছিলেন ডেভিড বেকহ্যাম। পরে দীর্ঘ সময় সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল তাকে।

তবে ২০০২ বিশ্বকাপে সেই আক্ষেপ ঘোচান বেকহ্যাম। গ্রুপ পর্বে পেনাল্টি থেকে করা একমাত্র গোলে ইংল্যান্ডকে ১-০ ব্যবধানে জয় এনে দেন তিনি। সেটিই বিশ্বকাপে দুই দলের সর্বশেষ মুখোমুখি হওয়া ম্যাচ।

সম্প্রতি কেপ ভার্দের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার শেষ ষোলোর ম্যাচে গ্যালারিতে একসঙ্গে বসে খেলা দেখেন ডেভিড বেকহ্যাম ও ডিয়েগো সিমেওনে। অনেকের মতে, এটি দুই দেশের সম্পর্কের ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রতীক। তবে মাঠে নামলেই পুরোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা আবারও নতুন করে ফিরে আসে।

কঠিন পথ পেরিয়ে সেমিফাইনালে

সেমিফাইনালে উঠতে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়েছে ইংল্যান্ডকে। কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও অতিরিক্ত সময়ে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় থমাস টুখেলের দল। ম্যাচের দুটি গোলই করেন জুড বেলিংহ্যাম।

চলতি বিশ্বকাপে টানা দুই ম্যাচে জোড়া গোল করেছেন বেলিংহ্যাম। ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপে একাধিক ম্যাচে দুই বা তার বেশি গোল করার কীর্তিতে তার চেয়ে এগিয়ে আছেন কেবল হ্যারি কেইন ও গ্যারি লিনেকার। বিশ্বকাপ ইতিহাসে মিডফিল্ডারদের মধ্যে বেলিংহ্যামের চেয়ে বেশি এমন ম্যাচ রয়েছে শুধু পেরুর তেওফিলো কুবিয়াসের।

অধিনায়ক হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহ্যাম—দুজনই এবারের বিশ্বকাপে ছয়টি করে গোল করেছেন। বিশ্বকাপের এক আসরে একই দলের দুই খেলোয়াড়ের ছয় বা তার বেশি গোল করার ঘটনা এবারই প্রথম।

সেমিফাইনালে খেললে ইংল্যান্ডের জার্সিতে ১২১তম ম্যাচ খেলবেন কেইন। এতে গোলরক্ষক পিটার শিলটনের পর ইংল্যান্ডের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা ফুটবলার হবেন তিনি।

২০১৮ সালের পর থেকে বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে এটি ইংল্যান্ডের চতুর্থ সেমিফাইনাল। ৬০ বছরের শিরোপা খরা কাটানোর লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে থমাস টুখেলের শিষ্যরা। সফল হলে নিজ দেশের বাইরে অন্য একটি জাতীয় দলকে নিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠা ইতিহাসের চতুর্থ কোচ হবেন টুখেল।

পরিসংখ্যানে এগিয়ে কে?

এ পর্যন্ত ১৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা। এর মধ্যে ইংল্যান্ড জিতেছে ছয়টি, আর্জেন্টিনা দুটি এবং ছয়টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। যদিও ১৯৯৮ বিশ্বকাপের ড্র হওয়া ম্যাচটি টাইব্রেকারে জিতেছিল আর্জেন্টিনা।

নির্ধারিত ৯০ মিনিটে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের সর্বশেষ হার ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে। এরপর পাঁচটি ম্যাচে নির্ধারিত সময়ে অপরাজিত রয়েছে থ্রি লায়ন্সরা। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সর্বশেষ দুই ম্যাচেই জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড। সর্বশেষ ২০০৫ সালের প্রীতি ম্যাচে মাইকেল ওয়েনের জোড়া গোল ও ওয়েন রুনির এক গোলে ৩-২ ব্যবধানে জিতেছিল তারা।

তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান অপটার সুপারকম্পিউটারের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ইংল্যান্ডের জয়ের সম্ভাবনা ৩৮ দশমিক ২ শতাংশ। আর্জেন্টিনার সম্ভাবনা ৩২ শতাংশ এবং ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা ২৯ দশমিক ৭ শতাংশ।

ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনায়ও দুই দলের ব্যবধান খুবই কম। অপটার হিসেবে ইংল্যান্ডের সম্ভাবনা ৫১ দশমিক ৯ শতাংশ, আর আর্জেন্টিনার ৪৮ দশমিক ১ শতাংশ। ফলে ইতিহাস, বর্তমান ফর্ম ও পরিসংখ্যান—সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের বহুল প্রতীক্ষিত এই সেমিফাইনালে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়েরই আভাস মিলছে।

kalprakash.com/IM

জনপ্রিয় সংবাদ

৬৬ কর্মদিবসে ১,২৬৬ মাদক কারবারি ও সেবনকারী গ্রেফতার: পুলিশ সুপার ছুফি উল্লাহ

সেমিফাইনালে মুখোমুখি ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা, পরিসংখ্যানে এগিয়ে কে?

প্রকাশিত: ০১:৩০:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা আবারও ফিরছে বিশ্বকাপের মঞ্চে। বুধবার দিবাগত রাতে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা। জয়ী দল জায়গা করে নেবে ফাইনালে। তাই দুই দলের সামনেই ইতিহাস গড়ার সুযোগ।

ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার দ্বৈরথ শুধু ফুটবলের নয়, ইতিহাস ও আবেগেরও। ১৯৮২ সালের ফকল্যান্ড যুদ্ধের রাজনৈতিক উত্তেজনা একসময় দুই দেশের ফুটবল লড়াইকেও প্রভাবিত করেছিল। সময়ের সঙ্গে রাজনৈতিক উত্তাপ কমলেও মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতা আজও সমান তীব্র।

দুই দলের লড়াইয়ের সবচেয়ে স্মরণীয় অধ্যায় ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল। মেক্সিকোর অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে দিয়েগো ম্যারাডোনার দুটি গোল ফুটবল ইতিহাসে অমর হয়ে আছে। প্রথমটি ঈশ্বরের হাত নামে পরিচিত বিতর্কিত গোল এবং দ্বিতীয়টি নিজের অর্ধ থেকে একক নৈপুণ্যে করা সেই বিখ্যাত গোল, যা পরে শতাব্দীর সেরা গোল হিসেবে স্বীকৃতি পায়। সেই ম্যাচে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল আর্জেন্টিনা।

১৯৯৮ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতেও মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময় শেষে সমতা থাকলেও টাইব্রেকারে জয় পায় আর্জেন্টিনা। ওই ম্যাচে ডিয়েগো সিমেওনের ওপর লাথি মেরে লাল কার্ড দেখেছিলেন ডেভিড বেকহ্যাম। পরে দীর্ঘ সময় সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল তাকে।

তবে ২০০২ বিশ্বকাপে সেই আক্ষেপ ঘোচান বেকহ্যাম। গ্রুপ পর্বে পেনাল্টি থেকে করা একমাত্র গোলে ইংল্যান্ডকে ১-০ ব্যবধানে জয় এনে দেন তিনি। সেটিই বিশ্বকাপে দুই দলের সর্বশেষ মুখোমুখি হওয়া ম্যাচ।

সম্প্রতি কেপ ভার্দের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার শেষ ষোলোর ম্যাচে গ্যালারিতে একসঙ্গে বসে খেলা দেখেন ডেভিড বেকহ্যাম ও ডিয়েগো সিমেওনে। অনেকের মতে, এটি দুই দেশের সম্পর্কের ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রতীক। তবে মাঠে নামলেই পুরোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা আবারও নতুন করে ফিরে আসে।

কঠিন পথ পেরিয়ে সেমিফাইনালে

সেমিফাইনালে উঠতে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়েছে ইংল্যান্ডকে। কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও অতিরিক্ত সময়ে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় থমাস টুখেলের দল। ম্যাচের দুটি গোলই করেন জুড বেলিংহ্যাম।

চলতি বিশ্বকাপে টানা দুই ম্যাচে জোড়া গোল করেছেন বেলিংহ্যাম। ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপে একাধিক ম্যাচে দুই বা তার বেশি গোল করার কীর্তিতে তার চেয়ে এগিয়ে আছেন কেবল হ্যারি কেইন ও গ্যারি লিনেকার। বিশ্বকাপ ইতিহাসে মিডফিল্ডারদের মধ্যে বেলিংহ্যামের চেয়ে বেশি এমন ম্যাচ রয়েছে শুধু পেরুর তেওফিলো কুবিয়াসের।

অধিনায়ক হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহ্যাম—দুজনই এবারের বিশ্বকাপে ছয়টি করে গোল করেছেন। বিশ্বকাপের এক আসরে একই দলের দুই খেলোয়াড়ের ছয় বা তার বেশি গোল করার ঘটনা এবারই প্রথম।

সেমিফাইনালে খেললে ইংল্যান্ডের জার্সিতে ১২১তম ম্যাচ খেলবেন কেইন। এতে গোলরক্ষক পিটার শিলটনের পর ইংল্যান্ডের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা ফুটবলার হবেন তিনি।

২০১৮ সালের পর থেকে বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে এটি ইংল্যান্ডের চতুর্থ সেমিফাইনাল। ৬০ বছরের শিরোপা খরা কাটানোর লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে থমাস টুখেলের শিষ্যরা। সফল হলে নিজ দেশের বাইরে অন্য একটি জাতীয় দলকে নিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠা ইতিহাসের চতুর্থ কোচ হবেন টুখেল।

পরিসংখ্যানে এগিয়ে কে?

এ পর্যন্ত ১৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা। এর মধ্যে ইংল্যান্ড জিতেছে ছয়টি, আর্জেন্টিনা দুটি এবং ছয়টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। যদিও ১৯৯৮ বিশ্বকাপের ড্র হওয়া ম্যাচটি টাইব্রেকারে জিতেছিল আর্জেন্টিনা।

নির্ধারিত ৯০ মিনিটে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের সর্বশেষ হার ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে। এরপর পাঁচটি ম্যাচে নির্ধারিত সময়ে অপরাজিত রয়েছে থ্রি লায়ন্সরা। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সর্বশেষ দুই ম্যাচেই জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড। সর্বশেষ ২০০৫ সালের প্রীতি ম্যাচে মাইকেল ওয়েনের জোড়া গোল ও ওয়েন রুনির এক গোলে ৩-২ ব্যবধানে জিতেছিল তারা।

তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান অপটার সুপারকম্পিউটারের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ইংল্যান্ডের জয়ের সম্ভাবনা ৩৮ দশমিক ২ শতাংশ। আর্জেন্টিনার সম্ভাবনা ৩২ শতাংশ এবং ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা ২৯ দশমিক ৭ শতাংশ।

ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনায়ও দুই দলের ব্যবধান খুবই কম। অপটার হিসেবে ইংল্যান্ডের সম্ভাবনা ৫১ দশমিক ৯ শতাংশ, আর আর্জেন্টিনার ৪৮ দশমিক ১ শতাংশ। ফলে ইতিহাস, বর্তমান ফর্ম ও পরিসংখ্যান—সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের বহুল প্রতীক্ষিত এই সেমিফাইনালে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়েরই আভাস মিলছে।

kalprakash.com/IM