বাংলাদেশ ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo ৬৬ কর্মদিবসে ১,২৬৬ মাদক কারবারি ও সেবনকারী গ্রেফতার: পুলিশ সুপার ছুফি উল্লাহ Logo পাবিপ্রবিতে ইতিহাস বিভাগের নবীনবরণ ও পাঠদান কার্যক্রমের উদ্বোধন Logo বিপর্যস্ত ও লুণ্ঠিত শিক্ষাব্যবস্থাকে বিনির্মাণ করা হবে: মাহদী আমিন Logo নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য নিজেই ভুগছেন নিরাপত্তাহীনতায় Logo বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ বাঁচাতে না পারলে ঢাকা রক্ষা সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর Logo পরিবেশ রক্ষায় শিশুদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আহ্বান Logo হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে সমঝোতার আহ্বান ওমানের Logo হরমুজের পর আরও রপ্তানি করিডোর বন্ধের হুমকি আইআরজিসির Logo ১৫ জুলাই: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, যেভাবে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে জুলাই আন্দোলন Logo আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল, ম্যাচের ভাগ্য গড়বেন কি মেসি?

বিপর্যস্ত ও লুণ্ঠিত শিক্ষাব্যবস্থাকে বিনির্মাণ করা হবে: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিপর্যস্ত ও লুণ্ঠিত শিক্ষাব্যবস্থাকে বিনির্মাণ করা হবে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর আগে তিনি দেশব্যাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

সাতটি জেলা থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছে উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, এই ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি যে আবেগ, উচ্ছ্বাস ও ভালোবাসা, সেটিই প্রমাণ করে জনগণের একজন নেতা রাষ্ট্র পরিচালনায় এলে কীভাবে দেশের মানুষের ভাগ্য বদলে দিতে পারেন। আমরা ইনশাআল্লাহ প্রধানমন্ত্রীর সেই রূপকল্প বাস্তবায়নে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করব এবং তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশের বিপর্যস্ত, লুণ্ঠিত শিক্ষাব্যবস্থাকে নতুনভাবে গড়ে তুলব। সবাই মিলে এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা বিনির্মাণ করব, যেখানে শিক্ষার্থীরাই হবে আগামী বাংলাদেশ গড়ার মূল কারিগর ও অগ্রদূত।

তিনি বলেন, আমরা এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা চাই, যেখানে প্রতিকূলতা, প্রতিবন্ধকতা ও বিরূপ প্রকৃতির বিরুদ্ধে আমাদের শিক্ষার্থীরা রুখে দাঁড়াবে। তারা প্রমাণ করবে, আগামীর বাংলাদেশের কাণ্ডারি তারাই। প্রধানমন্ত্রী যে সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের রূপকল্প দিয়েছেন, তা তাদের হাত ধরেই বাস্তবায়িত হবে।

মাহদী আমিন বলেন, আজ বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা এখানে এসেছে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিতর্ক প্রতিযোগিতা এবং পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ—সব ক্ষেত্রেই অংশ নিয়েছে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা শিক্ষার্থীরা। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে বন্যাকবলিত সাত জেলার শিক্ষার্থীরাও প্রবল বন্যা ও নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছে। প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ জেলার স্বাতন্ত্র্য, সাফল্য ও ঐতিহ্য ধারণ করে উপস্থিত হয়েছে। তাদের এই অংশগ্রহণ ব্যক্তিগত অর্জনের স্বীকৃতির পাশাপাশি প্রতিকূলতাকে জয় করার অদম্য মানসিকতারও প্রতিফলন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে এমন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন আমাদের সামনে উপস্থাপন করেছেন, যার সুনির্দিষ্ট ও সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য আমরা নির্বাচনী পথযাত্রা ও নির্বাচনী ইশতেহারে দেখেছি। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে আজ দেশের প্রায় ৬৫ হাজার বিদ্যালয়ে একযোগে প্রায় দুই লাখ বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে। এখানেই এই কর্মসূচি শেষ হবে না। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বিদ্যালয়ে এসব বৃক্ষের পরিচর্যা করবে। আমরা এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা চাই, যেখানে মানবিক মূল্যবোধ থাকবে, শিক্ষার্থীরা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে এবং তাদের নীতি-নৈতিকতা এমনভাবে বিকশিত হবে, যাতে তারা বাংলাদেশের পতাকাকে বিশ্বদরবারে আরও সমুন্নত করতে পারে।

তিনি বলেন, দেশের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার বিকাশে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গণশিক্ষা কার্যক্রম তার হাত ধরেই সারা দেশে বিস্তৃত হয়। আর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বারবার তৃণমূল ও প্রান্তিক এলাকায় গিয়ে ভালো শিক্ষক, ভালো শিক্ষার্থী এবং উন্নত কারিকুলাম নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

মাহদী আমিন বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্মিলিতভাবে একটি মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। আগামী দিনের নেতৃত্ব যারা দেবে, তারা যেন নিজেদের পছন্দের বিষয়ে পড়াশোনা ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পায়, সে জন্য সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভিশন বাস্তবায়নে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে সারা বছর দেশব্যাপী বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। এসব প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মেধাবী ও সৃজনশীল শিক্ষার্থীরা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও মূল্যায়ন পাবে।

মাহদী আমিন বলেন, ইতোমধ্যে স্বল্প সময়ে ২২ লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে একটি ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আগামীতে প্রাইম মিনিস্টার্স ফুটবল গোল্ড কাপের পৃষ্ঠপোষকতা করবেন বলেও জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা পদক অনুষ্ঠানটি প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হলেও এবারের আয়োজন বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। কারণ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখছেন, তার অন্যতম ভিত্তি তৃণমূলের ক্ষমতায়ন। দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন, লক্ষ্য ও এগিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টাকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার মধ্য দিয়ে সেই দর্শনেরই বাস্তব প্রতিফলন ঘটছে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

kalprakash.com/IM

জনপ্রিয় সংবাদ

৬৬ কর্মদিবসে ১,২৬৬ মাদক কারবারি ও সেবনকারী গ্রেফতার: পুলিশ সুপার ছুফি উল্লাহ

বিপর্যস্ত ও লুণ্ঠিত শিক্ষাব্যবস্থাকে বিনির্মাণ করা হবে: মাহদী আমিন

প্রকাশিত: ০২:৪০:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিপর্যস্ত ও লুণ্ঠিত শিক্ষাব্যবস্থাকে বিনির্মাণ করা হবে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর আগে তিনি দেশব্যাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

সাতটি জেলা থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছে উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, এই ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি যে আবেগ, উচ্ছ্বাস ও ভালোবাসা, সেটিই প্রমাণ করে জনগণের একজন নেতা রাষ্ট্র পরিচালনায় এলে কীভাবে দেশের মানুষের ভাগ্য বদলে দিতে পারেন। আমরা ইনশাআল্লাহ প্রধানমন্ত্রীর সেই রূপকল্প বাস্তবায়নে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করব এবং তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশের বিপর্যস্ত, লুণ্ঠিত শিক্ষাব্যবস্থাকে নতুনভাবে গড়ে তুলব। সবাই মিলে এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা বিনির্মাণ করব, যেখানে শিক্ষার্থীরাই হবে আগামী বাংলাদেশ গড়ার মূল কারিগর ও অগ্রদূত।

তিনি বলেন, আমরা এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা চাই, যেখানে প্রতিকূলতা, প্রতিবন্ধকতা ও বিরূপ প্রকৃতির বিরুদ্ধে আমাদের শিক্ষার্থীরা রুখে দাঁড়াবে। তারা প্রমাণ করবে, আগামীর বাংলাদেশের কাণ্ডারি তারাই। প্রধানমন্ত্রী যে সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের রূপকল্প দিয়েছেন, তা তাদের হাত ধরেই বাস্তবায়িত হবে।

মাহদী আমিন বলেন, আজ বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা এখানে এসেছে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিতর্ক প্রতিযোগিতা এবং পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ—সব ক্ষেত্রেই অংশ নিয়েছে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা শিক্ষার্থীরা। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে বন্যাকবলিত সাত জেলার শিক্ষার্থীরাও প্রবল বন্যা ও নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছে। প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ জেলার স্বাতন্ত্র্য, সাফল্য ও ঐতিহ্য ধারণ করে উপস্থিত হয়েছে। তাদের এই অংশগ্রহণ ব্যক্তিগত অর্জনের স্বীকৃতির পাশাপাশি প্রতিকূলতাকে জয় করার অদম্য মানসিকতারও প্রতিফলন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে এমন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন আমাদের সামনে উপস্থাপন করেছেন, যার সুনির্দিষ্ট ও সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য আমরা নির্বাচনী পথযাত্রা ও নির্বাচনী ইশতেহারে দেখেছি। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে আজ দেশের প্রায় ৬৫ হাজার বিদ্যালয়ে একযোগে প্রায় দুই লাখ বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে। এখানেই এই কর্মসূচি শেষ হবে না। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বিদ্যালয়ে এসব বৃক্ষের পরিচর্যা করবে। আমরা এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা চাই, যেখানে মানবিক মূল্যবোধ থাকবে, শিক্ষার্থীরা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে এবং তাদের নীতি-নৈতিকতা এমনভাবে বিকশিত হবে, যাতে তারা বাংলাদেশের পতাকাকে বিশ্বদরবারে আরও সমুন্নত করতে পারে।

তিনি বলেন, দেশের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার বিকাশে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গণশিক্ষা কার্যক্রম তার হাত ধরেই সারা দেশে বিস্তৃত হয়। আর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বারবার তৃণমূল ও প্রান্তিক এলাকায় গিয়ে ভালো শিক্ষক, ভালো শিক্ষার্থী এবং উন্নত কারিকুলাম নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

মাহদী আমিন বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্মিলিতভাবে একটি মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। আগামী দিনের নেতৃত্ব যারা দেবে, তারা যেন নিজেদের পছন্দের বিষয়ে পড়াশোনা ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পায়, সে জন্য সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভিশন বাস্তবায়নে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে সারা বছর দেশব্যাপী বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। এসব প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মেধাবী ও সৃজনশীল শিক্ষার্থীরা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও মূল্যায়ন পাবে।

মাহদী আমিন বলেন, ইতোমধ্যে স্বল্প সময়ে ২২ লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে একটি ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আগামীতে প্রাইম মিনিস্টার্স ফুটবল গোল্ড কাপের পৃষ্ঠপোষকতা করবেন বলেও জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা পদক অনুষ্ঠানটি প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হলেও এবারের আয়োজন বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। কারণ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখছেন, তার অন্যতম ভিত্তি তৃণমূলের ক্ষমতায়ন। দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন, লক্ষ্য ও এগিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টাকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার মধ্য দিয়ে সেই দর্শনেরই বাস্তব প্রতিফলন ঘটছে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

kalprakash.com/IM