বাংলাদেশ ০২:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ বাঁচাতে না পারলে ঢাকা রক্ষা সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর Logo পরিবেশ রক্ষায় শিশুদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আহ্বান Logo হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে সমঝোতার আহ্বান ওমানের Logo হরমুজের পর আরও রপ্তানি করিডোর বন্ধের হুমকি আইআরজিসির Logo ১৫ জুলাই: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, যেভাবে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে জুলাই আন্দোলন Logo আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল, ম্যাচের ভাগ্য গড়বেন কি মেসি? Logo সেমিফাইনালে মুখোমুখি ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা, পরিসংখ্যানে এগিয়ে কে? Logo আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে সুসংবাদ পেল ইংল্যান্ড Logo দুর্যোগে গুজব নয়, যাচাইকৃত তথ্য প্রচারই ইসলামের শিক্ষা Logo এইচএসসি ইস্যুতে সরকারকে আলোচনায় বসার আহ্বান বিরোধী দলের

রাজশাহীতে মাছের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী দাম, এক সপ্তাহে কেজিতে বেড়েছে ৩০-৫০ টাকা

রাজশাহীতে সব ধরনের মাছের দাম বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের দাম প্রতি কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, প্রতিকূল আবহাওয়া ও সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারে এই মূল্যবৃদ্ধি দেখা দিয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে নগরীর নওদাপাড়া পাইকারি মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, আড়তদার ও ব্যবসায়ীদের হাঁকডাকে বাজার ছিল প্রাণচঞ্চল। তবে অন্যান্য দিনের তুলনায় মাছের সরবরাহ কম থাকলেও ক্রেতার উপস্থিতি ছিল বেশি। ফলে প্রায় সব ধরনের মাছই বাড়তি দামে বিক্রি হয়েছে।

বাজারে এদিন এক কেজি ওজনের রুই ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং বড় আকারের রুই ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। মাঝারি কাতলা ৪৫০ থেকে ৪৭০ টাকা, তেলাপিয়া ১৫০ থেকে ২২০ টাকা, মাঝারি সিলভার কার্প ১৮০ থেকে ২২০ টাকা, মৃগেল ২৫০ টাকা, মিনার কার্প ২২০ থেকে ২৪০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, চাষের শিং ৪০০ টাকা, মাঝারি পাঙ্গাস ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা এবং কালবাউশ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, টানা বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে পুকুর থেকে মাছ আহরণ কম হয়েছে। ফলে পাইকারি বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। এছাড়া খুচরা বাজারে একই মাছ পাইকারি বাজারের তুলনায় কেজিতে অন্তত ২০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

মাছচাষ-সংশ্লিষ্টরা জানান, বাজারে চাহিদা ভালো থাকায় উৎপাদকরা বেশি দামে মাছ বিক্রির সুযোগ পাচ্ছেন। এতে উৎপাদন ব্যয় মিটিয়ে তারা কিছুটা লাভবান হচ্ছেন।

রাজশাহী আমচত্বর মৎস্য আড়ত সমবায় সমিতির সভাপতি ইসরাইল হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে পুকুরে পানির পরিমাণ বেশি থাকে এবং আবহাওয়া প্রতিকূল থাকে। এ সময় অনেক পুকুরে মাছের মজুদও কম থাকে। পাশাপাশি পুকুর মালিকরা মাছের আকার আরও বড় করতে পরিচর্যায় বেশি গুরুত্ব দেন। এ কারণে বাজারে মাছের সরবরাহ কম থাকে এবং দাম বেড়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, চলতি মাসজুড়ে মাছের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

নওদাপাড়া পাইকারি মাছের বাজার থেকে প্রতিদিন মাছ কিনে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠান আড়তদাররা। বাজারটিতে প্রতিদিন গড়ে ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার মাছ কেনাবেচা হয়।

kalprakash.com/IM

জনপ্রিয় সংবাদ

বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ বাঁচাতে না পারলে ঢাকা রক্ষা সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

রাজশাহীতে মাছের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী দাম, এক সপ্তাহে কেজিতে বেড়েছে ৩০-৫০ টাকা

প্রকাশিত: ১১:৪৬:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

রাজশাহীতে সব ধরনের মাছের দাম বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের দাম প্রতি কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, প্রতিকূল আবহাওয়া ও সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারে এই মূল্যবৃদ্ধি দেখা দিয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে নগরীর নওদাপাড়া পাইকারি মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, আড়তদার ও ব্যবসায়ীদের হাঁকডাকে বাজার ছিল প্রাণচঞ্চল। তবে অন্যান্য দিনের তুলনায় মাছের সরবরাহ কম থাকলেও ক্রেতার উপস্থিতি ছিল বেশি। ফলে প্রায় সব ধরনের মাছই বাড়তি দামে বিক্রি হয়েছে।

বাজারে এদিন এক কেজি ওজনের রুই ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং বড় আকারের রুই ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। মাঝারি কাতলা ৪৫০ থেকে ৪৭০ টাকা, তেলাপিয়া ১৫০ থেকে ২২০ টাকা, মাঝারি সিলভার কার্প ১৮০ থেকে ২২০ টাকা, মৃগেল ২৫০ টাকা, মিনার কার্প ২২০ থেকে ২৪০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, চাষের শিং ৪০০ টাকা, মাঝারি পাঙ্গাস ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা এবং কালবাউশ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, টানা বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে পুকুর থেকে মাছ আহরণ কম হয়েছে। ফলে পাইকারি বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। এছাড়া খুচরা বাজারে একই মাছ পাইকারি বাজারের তুলনায় কেজিতে অন্তত ২০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

মাছচাষ-সংশ্লিষ্টরা জানান, বাজারে চাহিদা ভালো থাকায় উৎপাদকরা বেশি দামে মাছ বিক্রির সুযোগ পাচ্ছেন। এতে উৎপাদন ব্যয় মিটিয়ে তারা কিছুটা লাভবান হচ্ছেন।

রাজশাহী আমচত্বর মৎস্য আড়ত সমবায় সমিতির সভাপতি ইসরাইল হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে পুকুরে পানির পরিমাণ বেশি থাকে এবং আবহাওয়া প্রতিকূল থাকে। এ সময় অনেক পুকুরে মাছের মজুদও কম থাকে। পাশাপাশি পুকুর মালিকরা মাছের আকার আরও বড় করতে পরিচর্যায় বেশি গুরুত্ব দেন। এ কারণে বাজারে মাছের সরবরাহ কম থাকে এবং দাম বেড়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, চলতি মাসজুড়ে মাছের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

নওদাপাড়া পাইকারি মাছের বাজার থেকে প্রতিদিন মাছ কিনে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠান আড়তদাররা। বাজারটিতে প্রতিদিন গড়ে ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার মাছ কেনাবেচা হয়।

kalprakash.com/IM