পাবনা সদর উপজেলার শ্বশুরবাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় তুহিন খাঁ (২০) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের নলদহ পূর্বপাড়া লালগোলা এলাকা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত তুহিন খাঁ সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের টাটিপাড়া গ্রামের হাবিবুর রহমান ওরফে হাবি খাঁর ছেলে। তাঁর শ্বশুর আকতার হোসেন নলদহ লালগোলা এলাকার বাসিন্দা এবং দুবাইপ্রবাসী। স্ত্রী আফসানা খাতুন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার তুহিন শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সন্ধ্যার দিকে স্ত্রী আফসানা খাতুনের সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হয়। শনিবার সকালে স্থানীয়রা ডোবায় মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের গলায় গামছা পেঁচানো ছিল।
এ বিষয়ে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি মসজিদের বারান্দায় আত্মহত্যা করেছেন। রাত ২টার দিকে পুলিশ খবর পায়। ঘটনাস্থলে গিয়ে তখন মরদেহ পাওয়া যায়নি। স্থানীয় লোকজন মরদেহটি পুকুরে ফেলে দিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরে সকালে পুকুরে মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। এরপর পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
ওসি আরও জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার তদন্ত করা হবে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তবে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন। মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে শ্বশুরবাড়িতে তাঁর সঙ্গে ঝগড়া হয়েছিল।
kalprakash.com/IM
তোফাজ্জল হোসেন বাবু, পাবনা প্রতিনিধি 






















