বাংলাদেশ ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo নওগাঁয় স্কুল ছুটির পর শ্রেণিকক্ষে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ Logo ইউএনওর বিরুদ্ধে ফেসবুক লাইভ, সেই নারীর বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা Logo মণিরামপুরে নজরুল বর্ষের উদ্বোধন Logo ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সিয়ামকে ফোনে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ Logo চাটমোহরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড Logo পাবনায় সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ Logo নাটোরের বাগাতিপাড়ায় সহকারী শিক্ষিকার বদলির দাবিতে মানববন্ধন Logo সারাদেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু Logo তিস্তা মহাপরিকল্পনার একনেক অনুমোদনের দাবিতে পাঁচ জেলায় গণসমাবেশ Logo এক আইডিতে মিলবে সব সেবা

পাবিপ্রবিতে ১৩ দেশের গবেষকদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের সফল সমাপ্তি

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) ১৩টি দেশের গবেষকদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন ইমার্জিং ফ্রন্টিয়ার্স ইন অ্যাডভান্সড সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজিস-২০২৬ (ই-ফাস্ট ২০২৬)’ সফলভাবে শেষ হয়েছে।

রোববার (২৮ জুন) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের পর্দা নামে।

পাবিপ্রবির বিজ্ঞান অনুষদ, জীব ও ভূ-বিজ্ঞান অনুষদ এবং মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া পারলিস (UniMAP)-এর সেন্টার অব এক্সেলেন্স ফর অ্যাডভান্সড কম্পিউটিংয়ের যৌথ উদ্যোগে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে বাংলাদেশ ছাড়াও যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, নাইজেরিয়া, জাপান, চীন, মালয়েশিয়া, ভুটান, নেপাল ও ভারতের গবেষকরা অংশগ্রহণ করেন।

দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনের ৩৯টি টেকনিক্যাল সেশনে মোট ৩৭৬টি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে ২২৮টি গবেষণাপত্র সরাসরি, ৭৮টি অনলাইনে এবং ৬৯টি পোস্টার প্রেজেন্টেশন হিসেবে উপস্থাপিত হয়।

সম্মেলনে উন্নত পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয়ার বিজ্ঞান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সাইবার নিরাপত্তা, ফার্মাসিউটিক্যাল বিজ্ঞান, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার সাম্প্রতিক গবেষণা, উদ্ভাবন এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম। পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ার সানওয়ে ইউনিভার্সিটির জেফরি স্যাকস সেন্টার অন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টের প্রধান ড. চেন জিট আর্ন। আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন ভারতের আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শাকির আলী এবং জাপানের ওসাকা মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. নারুহিকো আইজাওয়া

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান, জীব ও ভূ-বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল ইসলাম, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল আলম, সম্মেলনের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল হক, সদস্যসচিব ড. মো. শামীম রেজাসহ শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে ভার্চুয়ালি কীনোট স্পিকার হিসেবে যুক্ত ছিলেন যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজ লন্ডনের অধ্যাপক ও সার্নের (CERN) জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. জন এলিস, যুক্তরাষ্ট্রের বল স্টেট ইউনিভার্সিটির এমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ. এইচ. এম. রাহমাতুল্লাহ ইমন, জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির (JAXA) অধ্যাপক ড. কেই ওইয়োশি এবং যুক্তরাষ্ট্রের মার্সার ইউনিভার্সিটির অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. রকিবুল হাসান

ভার্চুয়ালি আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট অব অ্যানিমেল বিহেভিয়ারের গ্রুপ লিডার ড. লিয়াং লি, যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব হাওয়াই অ্যাট মানোয়ার অধ্যাপক ড. সারা উইডিয়াসিহ পোস্ট এবং জাপানের কিয়োটো ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. আই সুগি

দেশীয় শিক্ষাবিদদের মধ্যে কীনোট স্পিকার হিসেবে অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রশীদ। আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান খান এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার খসরু পারভেজ

সমাপনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম বলেন, বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ধার করে কোনো জাতি দীর্ঘমেয়াদে এগিয়ে যেতে পারে না। টেকসই অগ্রগতির জন্য প্রয়োজন নিজস্ব উদ্ভাবন, মৌলিক গবেষণা এবং নতুন প্রযুক্তি সৃষ্টির সাহস। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে উদ্ভাবনী চিন্তা, বৈজ্ঞানিক কৌতূহল ও জ্ঞানভিত্তিক গবেষণার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, ই-ফাস্ট ২০২৬-এর মতো আন্তর্জাতিক সম্মেলন শিক্ষার্থী, গবেষক ও শিক্ষকদের বিশ্বমানের গবেষণায় সম্পৃক্ত হতে উৎসাহিত করে। এ ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন সফলভাবে আয়োজন করতে পারায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সম্মেলন সফল করতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

অনুষ্ঠানের যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল আলম বলেন, আন্তর্জাতিক অতিথি, কীনোট স্পিকার, গবেষক, রিভিউয়ার, সেশন চেয়ারম্যান, প্রতিনিধি ও অংশগ্রহণকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ সম্মেলনকে আন্তর্জাতিক মাত্রা দিয়েছে। তিনি আয়োজক, পৃষ্ঠপোষক, সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাই ই-ফাস্ট ২০২৬-এর সফলতার মূল ভিত্তি।

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
পাবিপ্রবিতে ১৩ দেশের গবেষকদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের সফল সমাপ্তি
জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁয় স্কুল ছুটির পর শ্রেণিকক্ষে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ

পাবিপ্রবিতে ১৩ দেশের গবেষকদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের সফল সমাপ্তি

প্রকাশিত: ১১:৪০:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) ১৩টি দেশের গবেষকদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন ইমার্জিং ফ্রন্টিয়ার্স ইন অ্যাডভান্সড সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজিস-২০২৬ (ই-ফাস্ট ২০২৬)’ সফলভাবে শেষ হয়েছে।

রোববার (২৮ জুন) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের পর্দা নামে।

পাবিপ্রবির বিজ্ঞান অনুষদ, জীব ও ভূ-বিজ্ঞান অনুষদ এবং মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া পারলিস (UniMAP)-এর সেন্টার অব এক্সেলেন্স ফর অ্যাডভান্সড কম্পিউটিংয়ের যৌথ উদ্যোগে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে বাংলাদেশ ছাড়াও যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, নাইজেরিয়া, জাপান, চীন, মালয়েশিয়া, ভুটান, নেপাল ও ভারতের গবেষকরা অংশগ্রহণ করেন।

দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনের ৩৯টি টেকনিক্যাল সেশনে মোট ৩৭৬টি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে ২২৮টি গবেষণাপত্র সরাসরি, ৭৮টি অনলাইনে এবং ৬৯টি পোস্টার প্রেজেন্টেশন হিসেবে উপস্থাপিত হয়।

সম্মেলনে উন্নত পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয়ার বিজ্ঞান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সাইবার নিরাপত্তা, ফার্মাসিউটিক্যাল বিজ্ঞান, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার সাম্প্রতিক গবেষণা, উদ্ভাবন এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম। পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ার সানওয়ে ইউনিভার্সিটির জেফরি স্যাকস সেন্টার অন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টের প্রধান ড. চেন জিট আর্ন। আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন ভারতের আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শাকির আলী এবং জাপানের ওসাকা মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. নারুহিকো আইজাওয়া

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান, জীব ও ভূ-বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল ইসলাম, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল আলম, সম্মেলনের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল হক, সদস্যসচিব ড. মো. শামীম রেজাসহ শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে ভার্চুয়ালি কীনোট স্পিকার হিসেবে যুক্ত ছিলেন যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজ লন্ডনের অধ্যাপক ও সার্নের (CERN) জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. জন এলিস, যুক্তরাষ্ট্রের বল স্টেট ইউনিভার্সিটির এমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ. এইচ. এম. রাহমাতুল্লাহ ইমন, জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির (JAXA) অধ্যাপক ড. কেই ওইয়োশি এবং যুক্তরাষ্ট্রের মার্সার ইউনিভার্সিটির অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. রকিবুল হাসান

ভার্চুয়ালি আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট অব অ্যানিমেল বিহেভিয়ারের গ্রুপ লিডার ড. লিয়াং লি, যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব হাওয়াই অ্যাট মানোয়ার অধ্যাপক ড. সারা উইডিয়াসিহ পোস্ট এবং জাপানের কিয়োটো ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. আই সুগি

দেশীয় শিক্ষাবিদদের মধ্যে কীনোট স্পিকার হিসেবে অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রশীদ। আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান খান এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার খসরু পারভেজ

সমাপনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম বলেন, বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ধার করে কোনো জাতি দীর্ঘমেয়াদে এগিয়ে যেতে পারে না। টেকসই অগ্রগতির জন্য প্রয়োজন নিজস্ব উদ্ভাবন, মৌলিক গবেষণা এবং নতুন প্রযুক্তি সৃষ্টির সাহস। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে উদ্ভাবনী চিন্তা, বৈজ্ঞানিক কৌতূহল ও জ্ঞানভিত্তিক গবেষণার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, ই-ফাস্ট ২০২৬-এর মতো আন্তর্জাতিক সম্মেলন শিক্ষার্থী, গবেষক ও শিক্ষকদের বিশ্বমানের গবেষণায় সম্পৃক্ত হতে উৎসাহিত করে। এ ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন সফলভাবে আয়োজন করতে পারায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সম্মেলন সফল করতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

অনুষ্ঠানের যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল আলম বলেন, আন্তর্জাতিক অতিথি, কীনোট স্পিকার, গবেষক, রিভিউয়ার, সেশন চেয়ারম্যান, প্রতিনিধি ও অংশগ্রহণকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ সম্মেলনকে আন্তর্জাতিক মাত্রা দিয়েছে। তিনি আয়োজক, পৃষ্ঠপোষক, সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাই ই-ফাস্ট ২০২৬-এর সফলতার মূল ভিত্তি।

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
পাবিপ্রবিতে ১৩ দেশের গবেষকদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের সফল সমাপ্তি