বাংলাদেশ ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo নওগাঁয় স্কুল ছুটির পর শ্রেণিকক্ষে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ Logo ইউএনওর বিরুদ্ধে ফেসবুক লাইভ, সেই নারীর বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা Logo মণিরামপুরে নজরুল বর্ষের উদ্বোধন Logo ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সিয়ামকে ফোনে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ Logo চাটমোহরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড Logo পাবনায় সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ Logo নাটোরের বাগাতিপাড়ায় সহকারী শিক্ষিকার বদলির দাবিতে মানববন্ধন Logo সারাদেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু Logo তিস্তা মহাপরিকল্পনার একনেক অনুমোদনের দাবিতে পাঁচ জেলায় গণসমাবেশ Logo এক আইডিতে মিলবে সব সেবা

নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপির ছয় নেতার নাম আলোচনায়, তফসিলের আগেই নির্বাচনী আমেজ

ঠাকুরগাঁওয়ের নবগঠিত রুহিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল এখনো ঘোষণা করেনি নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও মাঠপর্যায়ে নির্বাচনী উত্তাপ ইতোমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। দেশের অন্যতম নতুন এই প্রশাসনিক ইউনিটের প্রথম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হওয়ার দৌড়ে স্থানীয় বিএনপির ছয় হেভিওয়েট নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রুহিয়া অঞ্চলে বিএনপির শক্ত সাংগঠনিক ভিত্তি থাকায় নতুন উপজেলার প্রথম নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলটির জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতারা নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে সক্রিয় হয়েছেন।

রুহিয়া উপজেলার হাট-বাজার, চায়ের দোকান ও গ্রামীণ অলিগলিতে এখন যেসব সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে, তারা সবাই ঠাকুরগাঁও জেলা ও স্থানীয় বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন।

আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন—

আনসারুল হক: ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি অবিভক্ত রুহিয়া ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং রুহিয়া থানা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ছিলেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও তৃণমূল পর্যায়ের শক্ত অবস্থানের কারণে তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন।

মহেবুল্লাহ আবু নুর চৌধুরী: ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তৃণমূল পর্যায়ে তার ব্যাপক প্রভাব রয়েছে।

মতিউর রহমান: জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি বর্তমানে সেনুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জনপ্রতিনিধি হিসেবে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা তাকে আলোচনায় রেখেছে।

আবদুল জব্বার: রুহিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি। তিনি ঢোলারহাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এবং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও সংগঠনের সঙ্গে নিবিড় সম্পৃক্ততা তাকে শক্ত প্রার্থী হিসেবে সামনে এনেছে।

অ্যাডভোকেট মো. জাকির হোসেন জুয়েল: সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। বিএনপির দুঃসময়ে তিনি নেতাকর্মীদের আইনি সহায়তা দিয়ে আলোচনায় আসেন। তিনি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে তিনি কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-আইনবিষয়ক সম্পাদক এবং ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

কাজী আজমগীর: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতা। সাংগঠনিক পরিচিতি ও ব্যক্তিগত ইমেজের কারণে তিনিও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, নতুন উপজেলার প্রথম নির্বাচন হওয়ায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সমর্থন আদায়ের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে জনসম্পৃক্ত কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। তফসিল ঘোষণা না হলেও রুহিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গন এখন নির্বাচনী আমেজে মুখর।

শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপির ছয় নেতার নাম আলোচনায়, তফসিলের আগেই নির্বাচনী আমেজ
জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁয় স্কুল ছুটির পর শ্রেণিকক্ষে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ

নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপির ছয় নেতার নাম আলোচনায়, তফসিলের আগেই নির্বাচনী আমেজ

প্রকাশিত: ১২:১১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ের নবগঠিত রুহিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল এখনো ঘোষণা করেনি নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও মাঠপর্যায়ে নির্বাচনী উত্তাপ ইতোমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। দেশের অন্যতম নতুন এই প্রশাসনিক ইউনিটের প্রথম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হওয়ার দৌড়ে স্থানীয় বিএনপির ছয় হেভিওয়েট নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রুহিয়া অঞ্চলে বিএনপির শক্ত সাংগঠনিক ভিত্তি থাকায় নতুন উপজেলার প্রথম নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলটির জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতারা নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে সক্রিয় হয়েছেন।

রুহিয়া উপজেলার হাট-বাজার, চায়ের দোকান ও গ্রামীণ অলিগলিতে এখন যেসব সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে, তারা সবাই ঠাকুরগাঁও জেলা ও স্থানীয় বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন।

আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন—

আনসারুল হক: ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি অবিভক্ত রুহিয়া ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং রুহিয়া থানা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ছিলেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও তৃণমূল পর্যায়ের শক্ত অবস্থানের কারণে তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন।

মহেবুল্লাহ আবু নুর চৌধুরী: ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তৃণমূল পর্যায়ে তার ব্যাপক প্রভাব রয়েছে।

মতিউর রহমান: জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি বর্তমানে সেনুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জনপ্রতিনিধি হিসেবে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা তাকে আলোচনায় রেখেছে।

আবদুল জব্বার: রুহিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি। তিনি ঢোলারহাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এবং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও সংগঠনের সঙ্গে নিবিড় সম্পৃক্ততা তাকে শক্ত প্রার্থী হিসেবে সামনে এনেছে।

অ্যাডভোকেট মো. জাকির হোসেন জুয়েল: সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। বিএনপির দুঃসময়ে তিনি নেতাকর্মীদের আইনি সহায়তা দিয়ে আলোচনায় আসেন। তিনি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে তিনি কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-আইনবিষয়ক সম্পাদক এবং ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

কাজী আজমগীর: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতা। সাংগঠনিক পরিচিতি ও ব্যক্তিগত ইমেজের কারণে তিনিও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, নতুন উপজেলার প্রথম নির্বাচন হওয়ায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সমর্থন আদায়ের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে জনসম্পৃক্ত কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। তফসিল ঘোষণা না হলেও রুহিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গন এখন নির্বাচনী আমেজে মুখর।

শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপির ছয় নেতার নাম আলোচনায়, তফসিলের আগেই নির্বাচনী আমেজ