বাংলাদেশ ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo নওগাঁয় স্কুল ছুটির পর শ্রেণিকক্ষে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ Logo ইউএনওর বিরুদ্ধে ফেসবুক লাইভ, সেই নারীর বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা Logo মণিরামপুরে নজরুল বর্ষের উদ্বোধন Logo ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সিয়ামকে ফোনে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ Logo চাটমোহরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড Logo পাবনায় সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ Logo নাটোরের বাগাতিপাড়ায় সহকারী শিক্ষিকার বদলির দাবিতে মানববন্ধন Logo সারাদেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু Logo তিস্তা মহাপরিকল্পনার একনেক অনুমোদনের দাবিতে পাঁচ জেলায় গণসমাবেশ Logo এক আইডিতে মিলবে সব সেবা

আকিজ টেক্সটাইল এখন গ্রামবাসীর দুঃখ!

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার জাগীর ইউনিয়নের গোলড়া চরখণ্ড এলাকায় অবস্থিত আকিজ টেক্সটাইল মিলস এখন স্থানীয় গ্রামবাসীর দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, কারখানার কেমিক্যাল মিশ্রিত বিষাক্ত বর্জ্য দিনের পর দিন, মাসের পর মাস এমনকি বছরের পর বছর ধরে ধলেশ্বরী নদী ও পার্শ্ববর্তী ফসলি জমিতে ফেলা হচ্ছে। এ নিয়ে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ তাদের।

জানা গেছে, ১৯৯৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি আকিজ টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড কোম্পানিসত্তা লাভ করে। এরপর মানিকগঞ্জের জাগীর ইউনিয়নের গোলড়া চরখণ্ড এলাকায় ১৬ একর কৃষিজমির ওপর কারখানা স্থাপন করে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই নিয়মবহির্ভূতভাবে কেমিক্যালযুক্ত বর্জ্য ধলেশ্বরী নদী ও আশপাশের কৃষিজমিতে ফেলছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কারখানা থেকে ভূগর্ভস্থ ড্রেনের মাধ্যমে লালচে-কালো রঙের পানি ধলেশ্বরী নদীর দিকে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীতে পৌঁছানোর আগে সেই পানি দুটি বড় ও গভীর জলাধারসদৃশ স্থানে জমা হচ্ছে। পরে সেখান থেকে একই রঙের পানি সরাসরি নদীতে গিয়ে মিশছে। নদীর ওই অংশে নেমে দেখা যায়, বর্জ্য নির্গমনের স্থানে ময়লা ও পলি জমে অনেক জায়গায় চরসদৃশ স্তূপ সৃষ্টি হয়েছে, ফলে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে।

নদীতে গোসল করতে আসা জসিম উদ্দিন বলেন, “আকিজ টেক্সটাইল থেকে নিয়মিত বিষাক্ত বর্জ্য নদীতে ফেলা হয়। এ কারণে ভাটির দিকের পানি গোসল বা গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার করা যায় না। উজানের পানি তুলনামূলক ভালো থাকলেও বৃষ্টি বা নদীর স্রোত কমে গেলে দূষিত পানি এদিকেও চলে আসে। তখন এ পাশের পানিও ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে।”

ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দা আক্কাস আলী বলেন, “আমরা কয়েকবার মানববন্ধন করেছি। অনেক সাংবাদিক এসেছেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানাও করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কোনো পরিবর্তন হয়নি।”

এক গৃহিণী বলেন, “গৃহস্থালির কাজ ও গোসলের জন্য ধলেশ্বরী নদীই আমাদের একমাত্র ভরসা। কিন্তু এই নদীর পানিতে গোসল করে অনেকেই চর্মরোগসহ বিভিন্ন সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। উপায় না থাকায় বাধ্য হয়েই এই দূষিত পানি ব্যবহার করতে হচ্ছে।”

৭০ বছর বয়সী এক কৃষক বলেন, “সরকার কৃষি উৎপাদন বাড়াতে খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। অথচ আকিজ টেক্সটাইল মিল ব্রয়লারের ছাই ফেলে নদী ভরাট করছে। সামান্য বাতাসেই ছাই উড়ে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। কারখানার বর্জ্যে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে ধলেশ্বরীর এই অংশ মৃতপ্রায় খালে পরিণত হয়েছে। এক কথায় আকিজ টেক্সটাইল এখন গোলড়া চরখণ্ডবাসীর দুঃখে পরিণত হয়েছে।”

গোলড়া চরখণ্ড গ্রামের আক্কেল আলী মাতবরের স্ত্রী বলেন, “আকিজ টেক্সটাইলের বিষাক্ত পানি যেদিক দিয়ে যায়, সেদিকের ফসল পুড়ে যায়। এই পানির কারণে আমাদের ভুট্টাক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে।”

জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল মানিকগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দা রাজিব হাসান বলেন, “আকিজ টেক্সটাইলের বর্জ্য নদীতে ফেলার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে আমার বিরুদ্ধে তিনটি মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছিল।”

তিনি আরও বলেন, “কারখানা চালুর পর থেকেই ধলেশ্বরী নদী ও আশপাশের কৃষিজমিতে বিষাক্ত বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। একসময় মাছের অভয়াশ্রম হিসেবে পরিচিত ধলেশ্বরী নদী এখন প্রায় মাছশূন্য। দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির পথে। দূষিত পানিতে গোসল করে এলাকাবাসী চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে এই অনিয়ম চললেও কোনো সরকারই কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি।”

তিনি অভিযোগ করেন, “কয়েক দিন আগে কারখানার কেমিক্যাল মিশ্রিত বিষাক্ত পানিতে আমার ও প্রতিবেশীদের কয়েক বিঘা জমির ভুট্টাসহ অন্যান্য ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। বিষয়টি কারখানা কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনকে একাধিকবার জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এছাড়া কারখানা কর্তৃপক্ষ ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে গ্রামের অনেকের জমি দখল করে রেখেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।”

এ বিষয়ে আকিজ টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের ডিজিএম মো. জাকিরের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি বর্তমানে একটি সভায় আছি। পরে অফিসে এলে এ বিষয়ে কথা বলা যাবে।”

পরিবেশ অধিদপ্তরের মানিকগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “আকিজ টেক্সটাইলের বর্জ্য ধলেশ্বরী নদীতে যাওয়ার বিষয়টি আমাদের জানা আছে। মূল সমস্যা হলো বর্জ্যের রঙের (কালার প্যারামিটার) মান নির্ধারিত সীমার বাইরে থাকা। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং দ্রুত নির্ধারিত মান নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
আকিজ টেক্সটাইল এখন গ্রামবাসীর দুঃখ!
ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁয় স্কুল ছুটির পর শ্রেণিকক্ষে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ

আকিজ টেক্সটাইল এখন গ্রামবাসীর দুঃখ!

প্রকাশিত: ০৩:১২:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার জাগীর ইউনিয়নের গোলড়া চরখণ্ড এলাকায় অবস্থিত আকিজ টেক্সটাইল মিলস এখন স্থানীয় গ্রামবাসীর দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, কারখানার কেমিক্যাল মিশ্রিত বিষাক্ত বর্জ্য দিনের পর দিন, মাসের পর মাস এমনকি বছরের পর বছর ধরে ধলেশ্বরী নদী ও পার্শ্ববর্তী ফসলি জমিতে ফেলা হচ্ছে। এ নিয়ে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ তাদের।

জানা গেছে, ১৯৯৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি আকিজ টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড কোম্পানিসত্তা লাভ করে। এরপর মানিকগঞ্জের জাগীর ইউনিয়নের গোলড়া চরখণ্ড এলাকায় ১৬ একর কৃষিজমির ওপর কারখানা স্থাপন করে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই নিয়মবহির্ভূতভাবে কেমিক্যালযুক্ত বর্জ্য ধলেশ্বরী নদী ও আশপাশের কৃষিজমিতে ফেলছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কারখানা থেকে ভূগর্ভস্থ ড্রেনের মাধ্যমে লালচে-কালো রঙের পানি ধলেশ্বরী নদীর দিকে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীতে পৌঁছানোর আগে সেই পানি দুটি বড় ও গভীর জলাধারসদৃশ স্থানে জমা হচ্ছে। পরে সেখান থেকে একই রঙের পানি সরাসরি নদীতে গিয়ে মিশছে। নদীর ওই অংশে নেমে দেখা যায়, বর্জ্য নির্গমনের স্থানে ময়লা ও পলি জমে অনেক জায়গায় চরসদৃশ স্তূপ সৃষ্টি হয়েছে, ফলে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে।

নদীতে গোসল করতে আসা জসিম উদ্দিন বলেন, “আকিজ টেক্সটাইল থেকে নিয়মিত বিষাক্ত বর্জ্য নদীতে ফেলা হয়। এ কারণে ভাটির দিকের পানি গোসল বা গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার করা যায় না। উজানের পানি তুলনামূলক ভালো থাকলেও বৃষ্টি বা নদীর স্রোত কমে গেলে দূষিত পানি এদিকেও চলে আসে। তখন এ পাশের পানিও ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে।”

ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দা আক্কাস আলী বলেন, “আমরা কয়েকবার মানববন্ধন করেছি। অনেক সাংবাদিক এসেছেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানাও করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কোনো পরিবর্তন হয়নি।”

এক গৃহিণী বলেন, “গৃহস্থালির কাজ ও গোসলের জন্য ধলেশ্বরী নদীই আমাদের একমাত্র ভরসা। কিন্তু এই নদীর পানিতে গোসল করে অনেকেই চর্মরোগসহ বিভিন্ন সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। উপায় না থাকায় বাধ্য হয়েই এই দূষিত পানি ব্যবহার করতে হচ্ছে।”

৭০ বছর বয়সী এক কৃষক বলেন, “সরকার কৃষি উৎপাদন বাড়াতে খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। অথচ আকিজ টেক্সটাইল মিল ব্রয়লারের ছাই ফেলে নদী ভরাট করছে। সামান্য বাতাসেই ছাই উড়ে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। কারখানার বর্জ্যে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে ধলেশ্বরীর এই অংশ মৃতপ্রায় খালে পরিণত হয়েছে। এক কথায় আকিজ টেক্সটাইল এখন গোলড়া চরখণ্ডবাসীর দুঃখে পরিণত হয়েছে।”

গোলড়া চরখণ্ড গ্রামের আক্কেল আলী মাতবরের স্ত্রী বলেন, “আকিজ টেক্সটাইলের বিষাক্ত পানি যেদিক দিয়ে যায়, সেদিকের ফসল পুড়ে যায়। এই পানির কারণে আমাদের ভুট্টাক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে।”

জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল মানিকগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দা রাজিব হাসান বলেন, “আকিজ টেক্সটাইলের বর্জ্য নদীতে ফেলার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে আমার বিরুদ্ধে তিনটি মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছিল।”

তিনি আরও বলেন, “কারখানা চালুর পর থেকেই ধলেশ্বরী নদী ও আশপাশের কৃষিজমিতে বিষাক্ত বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। একসময় মাছের অভয়াশ্রম হিসেবে পরিচিত ধলেশ্বরী নদী এখন প্রায় মাছশূন্য। দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির পথে। দূষিত পানিতে গোসল করে এলাকাবাসী চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে এই অনিয়ম চললেও কোনো সরকারই কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি।”

তিনি অভিযোগ করেন, “কয়েক দিন আগে কারখানার কেমিক্যাল মিশ্রিত বিষাক্ত পানিতে আমার ও প্রতিবেশীদের কয়েক বিঘা জমির ভুট্টাসহ অন্যান্য ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। বিষয়টি কারখানা কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনকে একাধিকবার জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এছাড়া কারখানা কর্তৃপক্ষ ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে গ্রামের অনেকের জমি দখল করে রেখেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।”

এ বিষয়ে আকিজ টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের ডিজিএম মো. জাকিরের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি বর্তমানে একটি সভায় আছি। পরে অফিসে এলে এ বিষয়ে কথা বলা যাবে।”

পরিবেশ অধিদপ্তরের মানিকগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “আকিজ টেক্সটাইলের বর্জ্য ধলেশ্বরী নদীতে যাওয়ার বিষয়টি আমাদের জানা আছে। মূল সমস্যা হলো বর্জ্যের রঙের (কালার প্যারামিটার) মান নির্ধারিত সীমার বাইরে থাকা। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং দ্রুত নির্ধারিত মান নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
আকিজ টেক্সটাইল এখন গ্রামবাসীর দুঃখ!